সিবিআইয়ের সমন প্রাক্তন সেবি প্রধানকে
নয়াদিল্লি: জীগনেশ শাহের ফিনান্সিয়াল টেকনোলজিস (ইন্ডিয়া) লিমিটেড এবং মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জকে (এমসিএক্স) পূর্ণ বেসরকারি শেয়ার বাজার হিসাবে অনুমোদন দেওয়ার ঘটনায় প্রাক্তন সেবি চেয়ারম্যান সি বি ভাবেকে জিজ্ঞাসাবাদ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই)৷ এ বছরের ১৩ মার্চ শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান ভাবে এবং প্রাক্তন সদস্য কে এম আব্রাহামের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে সিবিআই৷ ঠিক দু'মাস পরে সোমবার বেঙ্গালুরুতে ভাবেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআইয়ের একটি দল৷
২০০৮ সালে এমসিএক্স স্টক এক্সচেঞ্জকে (এমসিএক্স-এসএক্স) অনুমোদন দেয় শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থাটি৷ এর পরে ২০০৯ ও ২০১০ সালে পুনরায় স্বীকৃতিও দেওয়া হয় এমসিএক্স-এসএক্সকে৷ নিয়ম মাফিক এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল না বলে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতেই ভাবেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে৷ ভাবে চেয়ারম্যান থাকাকালীন সেবির বিরোধীতা সত্ত্বেও এমসিএক্স-এসএক্সকে কি করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল তা সুনিশ্চিত করতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই৷ গত শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে সেবির প্রাক্তন সদস্য কে এম আব্রাহামকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে৷ ভাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বিফলে গিয়েছে৷ জীগনেশ শাহের এফটিআইএল এবং এমসিএক্স এই দুই সংস্থা মিলে এমসিএক্স-এসএক্স তৈরি করে৷ সংস্থা গঠন হওয়ার পরে সেবির সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে ২০১৩ থেকে তা পূর্ণাঙ্গ শেয়ার বাজার হিসাবে কাজ শুরু করে দেয়৷ ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেবির চেয়ারম্যান হিসাবে ভাবে যোগ দেন৷ ২০১১-র ফেব্রুয়ারিতে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়৷ আব্রাহামের সদস্যপদের মেয়াদও ওই বছরেই শেষ হয়েছিল৷
মার্চে সিবিআই প্রাথমিক তদন্ত শুরু করার পরে বিষয়টির সমালোচনা করে ভাবে বলেন, 'সিবিআই অদ্ভুত যুক্তি দেখাচ্ছে৷ তারা নিজেদের পছন্দমতো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নীতি নিয়েছে৷' তাঁর মর্যাদা ক্ষুন্ন করার জন্য সিবিআইকে জনসাধারণের সামনে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন ভাবে৷
সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ওড়িশা ও ত্রিপুরা- এই চার রাজ্যে 'চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি'-র তদন্তভার হাতে পেয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়েছে সিবিআই৷ সারদা সহ অন্য বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার তদন্ত করতে ওই চার রাজ্যের সিবিআই আধিকারিক ছাড়াও আর্থিক অপরাধদমন শাখার বাছাই করা অফিসারদেরও ওই দলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ 'চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি'র ঘটনার সময় শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কি করছিল, কেনই বা তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি তাও জানতে চেয়েছে সিবিআই৷ নিয়ামক সংস্থা থাকা সত্ত্বেও এ ধরণের বেনিয়ম হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি৷
নয়াদিল্লি: জীগনেশ শাহের ফিনান্সিয়াল টেকনোলজিস (ইন্ডিয়া) লিমিটেড এবং মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জকে (এমসিএক্স) পূর্ণ বেসরকারি শেয়ার বাজার হিসাবে অনুমোদন দেওয়ার ঘটনায় প্রাক্তন সেবি চেয়ারম্যান সি বি ভাবেকে জিজ্ঞাসাবাদ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই)৷ এ বছরের ১৩ মার্চ শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান ভাবে এবং প্রাক্তন সদস্য কে এম আব্রাহামের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে সিবিআই৷ ঠিক দু'মাস পরে সোমবার বেঙ্গালুরুতে ভাবেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআইয়ের একটি দল৷
২০০৮ সালে এমসিএক্স স্টক এক্সচেঞ্জকে (এমসিএক্স-এসএক্স) অনুমোদন দেয় শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থাটি৷ এর পরে ২০০৯ ও ২০১০ সালে পুনরায় স্বীকৃতিও দেওয়া হয় এমসিএক্স-এসএক্সকে৷ নিয়ম মাফিক এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল না বলে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতেই ভাবেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে৷ ভাবে চেয়ারম্যান থাকাকালীন সেবির বিরোধীতা সত্ত্বেও এমসিএক্স-এসএক্সকে কি করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল তা সুনিশ্চিত করতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই৷ গত শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে সেবির প্রাক্তন সদস্য কে এম আব্রাহামকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে৷ ভাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বিফলে গিয়েছে৷ জীগনেশ শাহের এফটিআইএল এবং এমসিএক্স এই দুই সংস্থা মিলে এমসিএক্স-এসএক্স তৈরি করে৷ সংস্থা গঠন হওয়ার পরে সেবির সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে ২০১৩ থেকে তা পূর্ণাঙ্গ শেয়ার বাজার হিসাবে কাজ শুরু করে দেয়৷ ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেবির চেয়ারম্যান হিসাবে ভাবে যোগ দেন৷ ২০১১-র ফেব্রুয়ারিতে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়৷ আব্রাহামের সদস্যপদের মেয়াদও ওই বছরেই শেষ হয়েছিল৷
মার্চে সিবিআই প্রাথমিক তদন্ত শুরু করার পরে বিষয়টির সমালোচনা করে ভাবে বলেন, 'সিবিআই অদ্ভুত যুক্তি দেখাচ্ছে৷ তারা নিজেদের পছন্দমতো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নীতি নিয়েছে৷' তাঁর মর্যাদা ক্ষুন্ন করার জন্য সিবিআইকে জনসাধারণের সামনে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন ভাবে৷
সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ওড়িশা ও ত্রিপুরা- এই চার রাজ্যে 'চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি'-র তদন্তভার হাতে পেয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়েছে সিবিআই৷ সারদা সহ অন্য বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার তদন্ত করতে ওই চার রাজ্যের সিবিআই আধিকারিক ছাড়াও আর্থিক অপরাধদমন শাখার বাছাই করা অফিসারদেরও ওই দলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ 'চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি'র ঘটনার সময় শেয়ার বাজার নিয়ামক সংস্থা এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কি করছিল, কেনই বা তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি তাও জানতে চেয়েছে সিবিআই৷ নিয়ামক সংস্থা থাকা সত্ত্বেও এ ধরণের বেনিয়ম হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি৷
No comments:
Post a Comment