সুচিত্রার পৈতৃক বাড়ি দখলমুক্ত করার নির্দেশ
ঢাকা: বাংলা চলচ্চিত্র জগতের 'মহানায়িকা' সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়ির দখল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করল বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আদালত৷ গত কয়েক দশক ধরেই পাবনার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর সেনের এই বাড়িটি জামাত-ই-ইসলামি নিয়ন্ত্রিত একটি সংগঠনের কব্জায় ছিল৷
বাড়িটির অধিকার নিয়ে কয়েক বছর ধরে মামলা চলছিল পাবনার সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ ও ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউটের মধ্যে৷ সর্বোচ্চ আদালতের কাছে বাড়িটির অধিকার চেয়ে আবেদন করেছিল ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট৷ কিন্ত্ত রবিবার বরিষ্ঠ বিচারপতি এসকে সিনহা জামাত নিয়ন্ত্রিত ওই সংগঠনকে বাড়ির দখল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন৷
বাংলাদেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা জানিয়েছেন, 'মহানায়িকার বাড়ি থেকে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউটকে উচ্ছেদ করার আর কোনও আইনগত বাধা রইল না৷ এ বার ওই বাড়িতে স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের প্রস্তাবমতো সংগ্রহশালা তৈরি করা এবং বাড়িটির সংরক্ষণ করতে কোনও বাধা নেই৷
১৯৮৭ সালে এই বাড়িটি ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে বাত্সরিক চুক্তির ভিত্তিতে ইজারা নেওয়ার অনুমতি দেন তত্কালীন জেলা প্রশাসক সাইদুর রহমান৷ ১৯৯১ সালে বাড়িটি পাকাপাকি ভাবে দখল নেওয়ার জন্য আবেদন করে ট্রাস্ট৷ কিন্ত্ত ভূমি মন্ত্রণালয় সেই আবেদন নাকচ করে ফের বাত্সরিক ইজারার ভিত্তিতেই যাওয়ার নির্দেশ দেয়৷
১৯৯৫ সালে পর পর কয়েকটি ইজারার টাকা বাকি পড়ায় ট্রাস্টের ইজারা বাতিল করা হয়৷ কিন্ত্ত জামাত সংগঠকরা বকেয়া ইজারা পরিশোধ করে ফের বাড়িটিতে নিজেদের অধিকার কায়েম রাখেন৷ পরবর্তীকালে পাবনার বাসিন্দারা এবং একই সঙ্গে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যরা বাড়িটির অধিকার পেতে আন্দোলন শুরু করলে ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টের ইজারার নবীকরণ বাতিল করা হয়৷
ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়ে একাধিক মানবতা বিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত এবং বর্তমানে বিচারাধীন জামাত সংগঠন আবদুস সুভান৷
রবিবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরই পাবনার মানুষ আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে পড়েন বলে জানা গিয়েছে৷ কেবলমাত্র সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যরাই নন, একই সঙ্গে পাবনা নাট্যাঙ্গনের সদস্যরাও উত্সব শুরু দেন রায়ের খবর শোনার পরই৷
পরিষদের সভাপতি ও পাবনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এম সাইদুল হক জানিয়েছেন, বহুদিন আন্দোলন চালানোর পর আদালতের এই রায়ে আমরা ভীষণ খুশি৷ আমাদের আন্দোলন অবশেষে সফল হয়েছে৷ পাবনার মানুষও এই রায়ে সন্ত্তষ্ট৷ এ বার এখানে প্রস্তাবমতো সংগ্রহালয় তৈরি করতে আর কোনও বাধা নেই৷
ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি ও জামাতের অন্যতম সংগঠক আবিদ হাসান জানিয়েছেন, 'আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল৷ এই বিষয়ে যা কিছু করার তা আইনগত ভাবেই করা হবে৷' আদালতের রায়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে পাবনা নাট্যজগতও৷
আদালতের রায় মিললেও কত দিনের মধ্যে ট্রাস্ট এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে তা জানা যায়নি৷ যদি স্বেচ্ছায় বাড়ির দখল না ছাড়া হয়, তা হলে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে কথাও জানায়নি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত৷
বাড়িটির অধিকার নিয়ে কয়েক বছর ধরে মামলা চলছিল পাবনার সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ ও ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউটের মধ্যে৷ সর্বোচ্চ আদালতের কাছে বাড়িটির অধিকার চেয়ে আবেদন করেছিল ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট৷ কিন্ত্ত রবিবার বরিষ্ঠ বিচারপতি এসকে সিনহা জামাত নিয়ন্ত্রিত ওই সংগঠনকে বাড়ির দখল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন৷
বাংলাদেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা জানিয়েছেন, 'মহানায়িকার বাড়ি থেকে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউটকে উচ্ছেদ করার আর কোনও আইনগত বাধা রইল না৷ এ বার ওই বাড়িতে স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের প্রস্তাবমতো সংগ্রহশালা তৈরি করা এবং বাড়িটির সংরক্ষণ করতে কোনও বাধা নেই৷
১৯৮৭ সালে এই বাড়িটি ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে বাত্সরিক চুক্তির ভিত্তিতে ইজারা নেওয়ার অনুমতি দেন তত্কালীন জেলা প্রশাসক সাইদুর রহমান৷ ১৯৯১ সালে বাড়িটি পাকাপাকি ভাবে দখল নেওয়ার জন্য আবেদন করে ট্রাস্ট৷ কিন্ত্ত ভূমি মন্ত্রণালয় সেই আবেদন নাকচ করে ফের বাত্সরিক ইজারার ভিত্তিতেই যাওয়ার নির্দেশ দেয়৷
১৯৯৫ সালে পর পর কয়েকটি ইজারার টাকা বাকি পড়ায় ট্রাস্টের ইজারা বাতিল করা হয়৷ কিন্ত্ত জামাত সংগঠকরা বকেয়া ইজারা পরিশোধ করে ফের বাড়িটিতে নিজেদের অধিকার কায়েম রাখেন৷ পরবর্তীকালে পাবনার বাসিন্দারা এবং একই সঙ্গে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যরা বাড়িটির অধিকার পেতে আন্দোলন শুরু করলে ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টের ইজারার নবীকরণ বাতিল করা হয়৷
ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়ে একাধিক মানবতা বিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত এবং বর্তমানে বিচারাধীন জামাত সংগঠন আবদুস সুভান৷
রবিবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরই পাবনার মানুষ আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে পড়েন বলে জানা গিয়েছে৷ কেবলমাত্র সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যরাই নন, একই সঙ্গে পাবনা নাট্যাঙ্গনের সদস্যরাও উত্সব শুরু দেন রায়ের খবর শোনার পরই৷
পরিষদের সভাপতি ও পাবনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এম সাইদুল হক জানিয়েছেন, বহুদিন আন্দোলন চালানোর পর আদালতের এই রায়ে আমরা ভীষণ খুশি৷ আমাদের আন্দোলন অবশেষে সফল হয়েছে৷ পাবনার মানুষও এই রায়ে সন্ত্তষ্ট৷ এ বার এখানে প্রস্তাবমতো সংগ্রহালয় তৈরি করতে আর কোনও বাধা নেই৷
ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি ও জামাতের অন্যতম সংগঠক আবিদ হাসান জানিয়েছেন, 'আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল৷ এই বিষয়ে যা কিছু করার তা আইনগত ভাবেই করা হবে৷' আদালতের রায়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে পাবনা নাট্যজগতও৷
আদালতের রায় মিললেও কত দিনের মধ্যে ট্রাস্ট এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে তা জানা যায়নি৷ যদি স্বেচ্ছায় বাড়ির দখল না ছাড়া হয়, তা হলে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে কথাও জানায়নি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত৷
No comments:
Post a Comment