তুরস্কে কয়লাখনি বিস্ফোরণে ২৩৮ শ্রমিক নিহত
মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে ॥ আটকেপড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ তুরস্কে ব্যক্তি মালিকানাধীন কয়লা খনি বিস্ফোরণে ২৩৮ শ্রমিক নিহত হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২২৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে রাজধানী আঙ্কারার ৪৫০ কিলোমিটার পশ্চিমের মানিসা প্রদেশের সোমা শহরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় খনিতে ৭৮৭ জন লোক কাজ করছিলেন। আরও বহু লাশ ভেতরে আটকা পড়ে আছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে ঘটনার সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন। দুর্ঘটনার পর কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ায় বেশিরভাগ শ্রমিক নিহত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্কে কয়লা খনিতে দুর্ঘটনায় কয়েক শ’ শ্রমিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বুধবার তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তায়িপ এরদোগান ও শোকাহত পরিবারবর্গের কাছে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।
তুরস্কের ইতিহাসে অন্যতম এ বৃহৎ কয়লা খনি দুর্ঘটনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধারে কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। খবর বিবিসি, এএফপি ও মেইল অনলাইনের। খনিটিতে আরও কয়েক শ’ শ্রমিক আটকা পড়ে আছে বলে খবরে বলা হয়েছে। এদের জীবিত উদ্ধারে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এদের বাঁচিয়ে রাখতে খনির ভেতরে অক্সিজেন পাম্প করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনাকবলিত খনিটির আশপাশে ভিড় করেছে শ্রমিকদের স্বজনরা। তাদের কান্না এবং আহাজারিতে আশপাশের এলাকা ভারি হয়ে উঠেছে। সরকার এবং খনি মালিকের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ এনে আঙ্কারায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ছাত্র-জনতা। এদের ওপর ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তায়িপ এরদোগান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সোমায় কয়লা খনি বিপর্যয়ের ঘটনায় ১৩ মে থেকে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই তিনদিন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী এরদোগান বলেন, ২৩৮ শ্রমিক নিহত হয়েছে। আমার মনে হয় খনির অভ্যন্তরে এখনও ১২০ শ্রমিক আটকা পড়ে আছে। তবে আমরা শতভাগ নিশ্চিত নই।
জ্বালানিমন্ত্রী তানার ইলদিজ বলেছেন, এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর পরই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব। যারা ভেতরে আটকা পড়ে আছেন তাদের বাঁচিয়ে রাখতে খনির ভেতরে অক্সিজেন পাম্প করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় খনির লিফটটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ভেতরে আটকে পড়ারা ভূগর্ভের ২ কিলোমিটার ভেতরে ও খনির প্রবেশ পথ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছেন।
তুরস্কের খনি উইনিয়নের প্রধান নুরেতিন একুয়াল বলেছেন, এখনও ঠিক কতজন আটক পড়ে আছে তা পরিষ্কার নয়। আমার মনে হয় খনিটির ভূগর্ভে এখনও দেড় শ’ লোক আটক পড়ে আছে। উদ্ধারকরা লাশ এবং জীবিত উদ্ধারকৃতদের সোমা শহরের এক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে এক বৃদ্ধা অঝোর ধারায় কাঁদছিলেন। আর বলছিলেন আমার ছেলে এই খনিতে কাজ করত। আর কয়দিন পর ওর অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ কী হল?
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন খনিটির মালিক কোমুর ইসলেটমেলিরা। তিনি বলেন, আমি আসলে কারণটি বুঝতে পারছি না। তবে খনির অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। তবে আগে আমাদের প্রধান কাজ হবে জীবিতদের উদ্ধার করা। ওদিকে সোমার এ ঘটনার পর সরকারের চরম সমালোচনা করেছে দেশটির বিরোধী দল সিএইচপি পার্টি। তবে ওকতে বেরিন নামে এক খনি শ্রমিক বলেছেন, খনিটির অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না। আমাদের খনি ইউনিয়ন এ ক্ষেত্রে সরকারের পুতুলের মতো কাজ করছে।
এর আগে ১৯৯২ সালে তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ খনি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৬৩ খনি শ্রমিক নিহত হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্কে কয়লা খনিতে দুর্ঘটনায় কয়েক শ’ শ্রমিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বুধবার তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তায়িপ এরদোগান ও শোকাহত পরিবারবর্গের কাছে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।
তুরস্কের ইতিহাসে অন্যতম এ বৃহৎ কয়লা খনি দুর্ঘটনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধারে কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। খবর বিবিসি, এএফপি ও মেইল অনলাইনের। খনিটিতে আরও কয়েক শ’ শ্রমিক আটকা পড়ে আছে বলে খবরে বলা হয়েছে। এদের জীবিত উদ্ধারে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এদের বাঁচিয়ে রাখতে খনির ভেতরে অক্সিজেন পাম্প করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনাকবলিত খনিটির আশপাশে ভিড় করেছে শ্রমিকদের স্বজনরা। তাদের কান্না এবং আহাজারিতে আশপাশের এলাকা ভারি হয়ে উঠেছে। সরকার এবং খনি মালিকের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ এনে আঙ্কারায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ছাত্র-জনতা। এদের ওপর ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তায়িপ এরদোগান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সোমায় কয়লা খনি বিপর্যয়ের ঘটনায় ১৩ মে থেকে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই তিনদিন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী এরদোগান বলেন, ২৩৮ শ্রমিক নিহত হয়েছে। আমার মনে হয় খনির অভ্যন্তরে এখনও ১২০ শ্রমিক আটকা পড়ে আছে। তবে আমরা শতভাগ নিশ্চিত নই।
জ্বালানিমন্ত্রী তানার ইলদিজ বলেছেন, এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর পরই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব। যারা ভেতরে আটকা পড়ে আছেন তাদের বাঁচিয়ে রাখতে খনির ভেতরে অক্সিজেন পাম্প করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পর বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় খনির লিফটটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ভেতরে আটকে পড়ারা ভূগর্ভের ২ কিলোমিটার ভেতরে ও খনির প্রবেশ পথ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছেন।
তুরস্কের খনি উইনিয়নের প্রধান নুরেতিন একুয়াল বলেছেন, এখনও ঠিক কতজন আটক পড়ে আছে তা পরিষ্কার নয়। আমার মনে হয় খনিটির ভূগর্ভে এখনও দেড় শ’ লোক আটক পড়ে আছে। উদ্ধারকরা লাশ এবং জীবিত উদ্ধারকৃতদের সোমা শহরের এক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে এক বৃদ্ধা অঝোর ধারায় কাঁদছিলেন। আর বলছিলেন আমার ছেলে এই খনিতে কাজ করত। আর কয়দিন পর ওর অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ কী হল?
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন খনিটির মালিক কোমুর ইসলেটমেলিরা। তিনি বলেন, আমি আসলে কারণটি বুঝতে পারছি না। তবে খনির অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। তবে আগে আমাদের প্রধান কাজ হবে জীবিতদের উদ্ধার করা। ওদিকে সোমার এ ঘটনার পর সরকারের চরম সমালোচনা করেছে দেশটির বিরোধী দল সিএইচপি পার্টি। তবে ওকতে বেরিন নামে এক খনি শ্রমিক বলেছেন, খনিটির অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না। আমাদের খনি ইউনিয়ন এ ক্ষেত্রে সরকারের পুতুলের মতো কাজ করছে।
এর আগে ১৯৯২ সালে তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ খনি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৬৩ খনি শ্রমিক নিহত হয়।
No comments:
Post a Comment