‘অনুপ্রবেশকারীদের হঠাবই’, টাইমস নাও-এ বিস্ফোরক নমো
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: 'প্রাণ যায়ে পর, বচন না যায়ে'। নরেন্দ্র মোদীর কাছে এটাই এখন সব থেকে মন্ত্র। আজ 'টাইমস নাও' চ্যানেলে অর্ণব গোস্বামীর সঙ্গে কথপোকথনে ফের একই সুর শোনা গেল নমো-র গলায়। বাংলাদেশি অমুপ্রবেশকারীদের হঠাবই- একথাই জোর গলায় বললেন তিনি।
অর্ণবের প্রশ্নের উত্তরে নমো আজ বলেন, 'গত কাল আমি এ কথাটি সবার বোঝার জন্যই বলেছি। আর এ নিয়ে তো সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কথাও উল্লেখ করা যেতে পারে। আমি শুধু সেটাই বলেছি, যা সুপ্রিম কোর্টে তার রায়ে বলেছিল। আমি সেটাই বলেছি, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০০৫-এর ৪ অগস্ট বলেছিলেন। আমি সেটাই বলেছি, যা ১৯৯৬ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ইন্দ্রজিত্ গুপ্ত বলেছিলেন। আমি ফের বলছি, এ রকম অনেক দেশ রয়েছে, যেমন সুমাত্রা, ফিজি, আফ্রিকার আরও কিছু দেশে। যেখানে ভারতীয়রা গত ১০০-১৫০ বছর ধরে বসবাস করছেন। তাঁরা যদি দেশে ফিরতে চান, এটা কী আমাদের দায়িত্ব নয় যে আমরা তাঁদের গ্রহণ করি? যদি তাঁরা সমস্যায় পড়েন তাহলে কোথায় যাবেন?
বাংলাদেশের কথায় আসি। শুধুমাত্র ধর্মের কারণে সেখান থেকে হিন্দুদের মেরে তাড়ানো হয়েছে। দেশ ভাগের সময় ও দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ হিন্দু ছিলেন। এখন রয়েছেন ৭ শতাংশ। এঁদের কোথাও যাওয়ার যায়গা নেই। দুর্গা পূজা নিয়ে মন্তব্য যদি কাউকে আঘাত করে থাকে তবে আমি ক্ষমা চাইছি। কিন্তু আমার প্রশ্ন, এঁরা যদি ভারতে ফিরতে চান, তবে শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আমরা কী চোখ বন্ধ রেখে তাঁদের মরার জন্য ছেড়ে দেব? ধরে নিচ্ছি, এঁরা শুধু অসম বাং পশ্চিমঙ্গেই এসেছেন। কিন্তু এটা কী গোটা দেশের দায়িত্ব নয়, সামগ্রিকভাবে তাঁদের গ্রহণ করা?
এখানে রাজনীতিটা অন্য। এখানে অনুপ্রবেশের সময়ই একটা রাজনৈতিক এজেন্ডা থাকে। এটা নিয়ে আগে কোনও রাজনৈতিক দল জোর গলায় কথা বলেনি। কয়েকটি দল বিরোধিতা করেছিল। কিছু দল চুপ করে ছিল। এটা এখানেই দেখা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকে রীতিমতো প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। আমি সেই সব রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রশ্ন করতে চাই, তাহলে তসলিমা নাসরিনের প্রতি তাঁদের বিরূপ মনোভাব কেন ছিল? তাঁকেও পশ্চিমবঙ্গে থাকতে দেওয়া উচিত্ ছিল। এখানে হিন্দু-মুসলিমের প্রশ্ন নয়। দেশ ভাগের সময় পাকিস্তান থেকেও হাজার হাজার পরিবার রাজস্থানে এসেছেন। পশ্চিমবঙ্গে ৪০ বছর আগে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা ভারতকে ভালবেসে এসেছিলেন। রাজনীতির সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাঁরা এখনও ভারতের নাগরিকত্ব পাননি। অথচ, যাঁরা এখন অমুপ্রবেশ করছেন, তাঁদের সব কিছু তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। এটা ভোটের রাজনীতি। এর বিরুদ্ধে কী কিছুই বলা উচিত্ নয়?
আমি দেশের জন্য কথা বললে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কথা বললে আমায় সাম্প্রদায়িক বলা হয়। জনসংখ্যা নিয়্ন্ত্রণের কথা বললে আমায় সাম্প্রদায়িক বলা হয়। অনুপ্রবেশের কথা বললেও আমায় সাম্প্রদায়িক বলা হয়। তাহলে আমার দেশের হয়ে কে কথা বলবে?'
অর্ণবের প্রশ্নের উত্তরে নমো আজ বলেন, 'গত কাল আমি এ কথাটি সবার বোঝার জন্যই বলেছি। আর এ নিয়ে তো সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কথাও উল্লেখ করা যেতে পারে। আমি শুধু সেটাই বলেছি, যা সুপ্রিম কোর্টে তার রায়ে বলেছিল। আমি সেটাই বলেছি, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০০৫-এর ৪ অগস্ট বলেছিলেন। আমি সেটাই বলেছি, যা ১৯৯৬ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ইন্দ্রজিত্ গুপ্ত বলেছিলেন। আমি ফের বলছি, এ রকম অনেক দেশ রয়েছে, যেমন সুমাত্রা, ফিজি, আফ্রিকার আরও কিছু দেশে। যেখানে ভারতীয়রা গত ১০০-১৫০ বছর ধরে বসবাস করছেন। তাঁরা যদি দেশে ফিরতে চান, এটা কী আমাদের দায়িত্ব নয় যে আমরা তাঁদের গ্রহণ করি? যদি তাঁরা সমস্যায় পড়েন তাহলে কোথায় যাবেন?
বাংলাদেশের কথায় আসি। শুধুমাত্র ধর্মের কারণে সেখান থেকে হিন্দুদের মেরে তাড়ানো হয়েছে। দেশ ভাগের সময় ও দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ হিন্দু ছিলেন। এখন রয়েছেন ৭ শতাংশ। এঁদের কোথাও যাওয়ার যায়গা নেই। দুর্গা পূজা নিয়ে মন্তব্য যদি কাউকে আঘাত করে থাকে তবে আমি ক্ষমা চাইছি। কিন্তু আমার প্রশ্ন, এঁরা যদি ভারতে ফিরতে চান, তবে শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আমরা কী চোখ বন্ধ রেখে তাঁদের মরার জন্য ছেড়ে দেব? ধরে নিচ্ছি, এঁরা শুধু অসম বাং পশ্চিমঙ্গেই এসেছেন। কিন্তু এটা কী গোটা দেশের দায়িত্ব নয়, সামগ্রিকভাবে তাঁদের গ্রহণ করা?
এখানে রাজনীতিটা অন্য। এখানে অনুপ্রবেশের সময়ই একটা রাজনৈতিক এজেন্ডা থাকে। এটা নিয়ে আগে কোনও রাজনৈতিক দল জোর গলায় কথা বলেনি। কয়েকটি দল বিরোধিতা করেছিল। কিছু দল চুপ করে ছিল। এটা এখানেই দেখা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকে রীতিমতো প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। আমি সেই সব রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রশ্ন করতে চাই, তাহলে তসলিমা নাসরিনের প্রতি তাঁদের বিরূপ মনোভাব কেন ছিল? তাঁকেও পশ্চিমবঙ্গে থাকতে দেওয়া উচিত্ ছিল। এখানে হিন্দু-মুসলিমের প্রশ্ন নয়। দেশ ভাগের সময় পাকিস্তান থেকেও হাজার হাজার পরিবার রাজস্থানে এসেছেন। পশ্চিমবঙ্গে ৪০ বছর আগে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা ভারতকে ভালবেসে এসেছিলেন। রাজনীতির সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাঁরা এখনও ভারতের নাগরিকত্ব পাননি। অথচ, যাঁরা এখন অমুপ্রবেশ করছেন, তাঁদের সব কিছু তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। এটা ভোটের রাজনীতি। এর বিরুদ্ধে কী কিছুই বলা উচিত্ নয়?
আমি দেশের জন্য কথা বললে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কথা বললে আমায় সাম্প্রদায়িক বলা হয়। জনসংখ্যা নিয়্ন্ত্রণের কথা বললে আমায় সাম্প্রদায়িক বলা হয়। অনুপ্রবেশের কথা বললেও আমায় সাম্প্রদায়িক বলা হয়। তাহলে আমার দেশের হয়ে কে কথা বলবে?'
No comments:
Post a Comment