Saturday, May 10, 2014

ডাক্তারদরে নানা অনুযোগ ॥ গ্রামে যতেে অনীহা! নপেথ্যে ৭ কারণ ০ পড়াশোনার সুযোগ নইে তাই ডগ্রিী র্অজনে বাধা ০ ডগ্রিী ছাড়া পদোন্নতি হয় না ০ প্রাইভটে প্র্যাকটসিে র্অথ নইে ০ দক্ষতা র্অজনরে সুযোগ নইে ০ রাজনতৈকি র্কমীদরে হস্তক্ষপে ০ আবাসকি ব্যবস্থা র্পযাপ্ত নয় ০ সন্তানদরে লখোপড়ার সুযোগ নইে

ডাক্তারদরে নানা অনুযোগ ॥ গ্রামে যতেে অনীহা!
নপেথ্যে ৭ কারণ
০ পড়াশোনার সুযোগ নইে তাই ডগ্রিী র্অজনে বাধা
০ ডগ্রিী ছাড়া পদোন্নতি হয় না
০ প্রাইভটে প্র্যাকটসিে র্অথ নইে
০ দক্ষতা র্অজনরে সুযোগ নইে
০ রাজনতৈকি র্কমীদরে হস্তক্ষপে
০ আবাসকি ব্যবস্থা র্পযাপ্ত নয়
০ সন্তানদরে লখোপড়ার সুযোগ নইে
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
নখিলি মানখনি ॥ পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিী লাভরে জন্য পড়াশোনার পরবিশে ও সুযোগ-সুবধিা নাই। ডগ্রিী র্অজন না করলে পদোন্নতি লাভরে সুযোগ কম থাক।ে প্রাইভটে প্র্যাকটসিরে মাধ্যমে র্অথ উর্পাজনরে সুযোগও কম। দক্ষতা র্অজনরে জন্য প্রয়োজনীয় চকিৎিসা অবকাঠামো নইে। গ্রামে অবস্থান করলে বড় চকিৎিসক হসিবেে পরচিতিি লাভরে সুযোগ থাকে না। রাজনতৈকি নতোর্কমীদরে অহতেুক হস্তক্ষপে। চকিৎিসকদরে আবাসকি সুযোগ-সুবধিা র্পযাপ্ত নয়। গ্রামরে মানুষদরে সঙ্গে তাল মলিয়িে চলতে পারনে না। সন্তানদরে লখোপড়া করানোর জন্য থানা র্পযায়ে ভাল স্কুল থাকে না। থানা ও গ্রাম র্পযায়ে যতেে আগ্রহ না থাকার পছেনে এসব কারণ তুলে ধরছেনে সরকারী চকিৎিসকরা। জনকণ্ঠরে সরজেমনি প্রতবিদেনে এ তথ্য বরেয়িে এসছে।ে
স্বাস্থ্য অধদিফতর জানায়, ঢাকার বাইরে সারাদশেে সরকারী চকিৎিসকরে পদ প্রায় ২৪ হাজার ৩০০ট।ি এগুলোর মধ্যে ৮ হাজাররে বশেি (৩৩ শতাংশ) পদ শূন্য। সারাদশেে ৪৮১টি উপজলো স্বাস্থ্যকন্দ্রেে চকিৎিসকরে পদ আছে ৯ হাজার ১৫০ট।ি ২ হাজার ২৯৪টি পদে চকিৎিসক নইে। র্অথাৎ উপজলো র্পযায়ে চকিৎিসকরে ২৫ শতাংশ পদ শূন্য। গ্রামে চকিৎিসক রাখার কথা বলে গত মহাজোট সরকার এ্যাডহকভত্তিতিে প্রথমে ৪ হাজার ১৩৩ চকিৎিসককে নয়িোগ দয়ে। এর পর স্বাস্থ্যসবো তৃণমূলে পৗেঁছে দতিে জরুরীভাবে এ্যাডহকভত্তিতিে আরও সাড়ে ৩ হাজার সহকারী র্সাজন, র্পযায়ক্রমে আরও ৫৮২ সহকারী র্সাজনকে নয়িোগ দয়ে সরকার। মহাজোট সরকাররে আমলে প্রায় দড়ে হাজার চকিৎিসক বসিএিসরে মাধ্যমে সরকারী চাকরি লাভ করনে। তবে অভযিোগ উঠ,ে নয়িোগ পাওয়ার পরই চকিৎিসকরা ঢাকার আশপাশ,ে বভিাগীয় ও জলো শহরগুলোয় থাকতে তদবরি শুরু করনে। অনকেরে জন্য বাংলাদশে মডেক্যিাল এ্যাসোসয়িশেন (বএিমএ) এবং সরকারপন্থী চকিৎিসকদরে সংগঠন ‘স্বাধীনতা চকিৎিসক পরষিদ (স্বাচপি)’ নতোরা সুপারশি, তদবরি করনে বলে ব্যাপক অভযিোগ আছ।ে এ্যাডহক চকিৎিসকদরে মধ্যে কতজন এখন গ্রামে আছনে, এ তথ্য স্বাস্থ্য অধদিফতর ও মন্ত্রণালয়রে কাছে নইে। প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিাও চকিৎিসকদরে গ্রামরে র্কমস্থলে উপস্থতি থাকতে একাধকিবার অনুরোধ করছেনে। এ বষিয়ে তনিি নর্দিশেও দয়িছেনে। চকিৎিসকদরে আচরণ নয়িে জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেনে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সর্ম্পকতি সংসদীয় স্থায়ী কমটিি বষিয়টি নয়িে আলোচনা করছে।ে সাবকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আফম রুহুল হক এ ব্যাপারে জনসমক্ষে অসহায়ত্ব প্রকাশ করছেনে। কন্তিু সমস্যার সমাধান হয়ন।ি কন্তিু দায়ত্বি নয়োর পর থকেইে র্কমজীবনরে শুরুতে দু’বছর গ্রামে না থাকলে চকিৎিসকদরে চাকরি হারাতে হবে বলে হুঁশয়িার করে আসছনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসমি। তনিি সাংবাদকিদরে বলনে, ডাক্তারদরে কমপক্ষে ২ বছর গ্রামে থাকতে হব।ে যে পারবে না, তার চাকরওি থাকবে না। নতুন সরকারে দায়ত্বি নয়োর পর জনগণরে চকিৎিসা সবো নশ্চিতি করতে সরকারী চকিৎিসকরে র্কমস্থলে রাখার বষিয়টকিে অগ্রাধকিার দচ্ছিনে আওয়ামী লীগরে এ নতো। চকিৎিসকদরে চাকরি জীবনরে শুরুতে পল্লী অঞ্চলে থাকার ওপর জোর দয়িে আসা হচ্ছে কছিুদনি ধর।ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলনে, প্রয়োজনে তাদরে বাধ্য করা হব।ে প্রয়োজনে আইন করতে হবে য,ে যারা থাকতে পারবে না, তাদরে চাকরি চলে যাব।ে চকিৎিসকদরে গ্রামে রাখতে দুটি পন্থা কাজে লাগানো হব।ে বশিষে প্রণোদনা দয়ো হবে যারা গ্রামে থাকব।ে র্আথকি সুবধিা বৃদ্ধরি সঙ্গে পদোন্নতরি ক্ষত্রেওে অগ্রাধকিার দয়ো হব।ে এ ছাড়া বভিন্নি ভাতা বৃদ্ধি করওে প্রণোদনা দয়ো হব।ে তবে যদি কউে নর্দিশেনা না মান,ে সক্ষেত্রেে শাস্তরি বষিয়টি অব্যাহত থাকবে বলে জানান মোহাম্মদ নাসমি। দশেরে বভিন্নি সরকারী স্বাস্থ্যকন্দ্রেে সাড়ে ৬ হাজার চকিৎিসক নয়িোগরে প্রস্তুতি নচ্ছিে স্বাস্থ্য ও পরবিার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আগামী তনি মাসরে মধ্যে এ নয়িোগ প্রক্রয়িা শষে করতে চাচ্ছে মন্ত্রণালয়। দশেরে বভিন্নি জলো ও উপজলো থকেে শুরু করে ইউনয়িন এবং ওর্য়াড র্পযায় র্পযন্ত সরকারী স্বাস্থ্যকন্দ্রেে বদ্যিমান চকিৎিসক সঙ্কট দূর করতে নতুন এ উদ্যোগ নয়ো হয়ছেে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসমি।
সরজেমনি প্রতবিদেন ॥ র্দীঘ ১৮ বছর ধরে গ্রামে অবস্থান করে চকিৎিসাসবো প্রদান করে আসছনে ডা. মোঃ আব্দুল কাদরে। ১৯৯৫ সালে তনিি বসিএিস পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে মডেক্যিাল অফসিার হসিবেে কাজে যোগদান করনে। এখন তাঁর বয়স ৫০ বছর পরেয়িে গছে। চাকরি জীবনরে গত ১৮ বছরে তাঁর পদোন্নতি হয়ন।ি মডেক্যিাল অফসিার হসিবেইে রয়ে গছেনে তনি।ি র্বতমানে তনিি ময়মনসংিহরে হালুয়াঘাট থানা স্বাস্থ্যকমপ্লক্সেে আছনে। গ্রামে থাকার কারণইে তাঁর এমন অবস্থা বলে আক্ষপে করছেনে ডা. মোঃ আবদুল কাদরে। তনিি জনকণ্ঠকে জানান, চকিৎিসকদরে গ্রামে আসতে না চাওয়ার পছেনে অনকে কারণ রয়ছে।ে গ্রামে থাকার কারণে তনিি ঠকিমতো পড়াশোনা করতে পারনেন।ি পদোন্নতরি পরীক্ষাগুলোতে সন্তোষজনক ফল আসনে।ি অনকে সময় পাবলকি র্সাভসি কমশিনরে বভিন্নি বজ্ঞিপ্তি ও তথ্য যথাসময়ে পানন।ি ফলে পদোন্নতরি অনকে পরীক্ষায় তাঁর অংশগ্রহণ করা হয়ন।ি এমনকি ডপর্িাটমন্টোল পরীক্ষা দতিে না পারায় তাঁর চাকরি এখন র্পযন্ত নয়িমতিকরণ হয়ন।ি মানসকিভাবে ভঙ্গেে পড়নে তনি।ি ১৮ বছর ধরে মডেক্যিাল অফসিার হয়ইে আছনে। তনিি আরও জানান, থানা র্পযায়ে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ-সুবধিা নইে। গাইনরি ওপর এক বছররে প্রশক্ষিণ নয়িছেলিনে তনি।ি অনুশীলনরে চকিৎিসা অবকাঠামো না থাকায় প্রশক্ষিণে র্অজতি অভজ্ঞিতা তনিি ভুলে যতেে বসছেনে। গ্রামে থাকলে শহররে তুলনায় বশেি সময় সবো দতিে হয়। গ্রামে থাকলে প্রাইভটে প্র্যাকটসি করে র্অথ উর্পাজনরে সুযোগও কম। আর উচ্চ ডগ্রিী গ্রহণরে বষিয়টি চন্তিাই করা যায় না। র্দীঘ ১৮ বছর গ্রামে সবো দলিাম, বনিমিয়ে কী পলোম? ডা. মোঃ আবদুল কাদরেরে চোখে মুখে ফুটে উঠে তাঁর র্কমজীবনরে কষ্ট ও আক্ষপে। গ্রামে থাকলে চকিৎিসকদরে পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিী এবং দক্ষতা র্অজনরে ক্ষত্রেে সমস্যা হয় বলে মনে করনে ময়মনসংিহরে হালুয়াঘাট থানা স্বাস্থ্যকমপ্লক্সেে র্কমরত মডেক্যিাল অফসিার ডা. প্রসদ্ধি নকরকে। তনিি জনকণ্ঠকে জানান, থানা র্পযায়ে অবস্থান করে পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিী নয়োর কোন সুযোগ থাকে না। ডপেুটশেনে গয়িে জলো ও বভিাগীয় র্পযায়রে মডেক্যিাল কলজেগুলো থকেে পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিী র্অজন করতে হয়। বছররে পর বছর ধরে গ্রামে অবস্থান করলে লখোপড়ার প্রতি আর মনোযোগ থাকে না। তা ছাড়া গ্রামে অবস্থা করে মডেক্যিালরে মতো জটলি বষিয়ে লখোপড়া সম্ভব না। এতে জলো ও বভিাগীয় র্পযায়ে র্কমরত চকিৎিসকরা অনকে দূর এগয়িে থাক।ে পদোন্নতরি ক্ষত্রেে সব ধরনরে সুযোগ-সুবধিার থকেে পছিয়িে পড়নে গ্রামরে চকিৎিসকরা। তনিি আক্ষপে করে বলনে, থানা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে আধুনকি মডেক্যিাল উপকরণ থাকে না। জটলি রোগী চকিৎিসা দয়োর ব্যবস্থা না থাকায় অভজ্ঞিতা র্অজনরে সুযোগও নইে। বশিষেজ্ঞ চকিৎিসকরা থাকলে তাঁদরে কাছ থকেে অনকে কছিু শখোর সুযোগ হতো বলে আক্ষপে প্রকাশ করনে ডা. প্রসদ্ধি নকরকে। একই অবস্থা বরিাজ করছে ময়মনসংিহরে থানা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে।ে গত সাড়ে ৭ বছর ধরে এ থানা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে আছনে ডা. অনুপম ভট্টর্চায্য। র্বতমানে তনিি আবাসকি চকিৎিসক হসিবেে দায়ত্বি পালন করছনে। তনিি অনকেটা গ্রামীণ পরবিশেে নজিকেে মলিয়িে নয়িছেনে। কন্তিু পদোন্নতি ও পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিীর কথা উঠতইে তনিওি র্দীঘশ্বাস টানলনে। তনিি জনকণ্ঠকে জানান, পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিী না থাকলে পদোন্নতি ঘটে না। থানা র্পযায়ে লখোপড়ার পরবিশে নাই। জলো ও বভিাগীয় র্পযায়ে থাকলে বভিন্নি বসেরকারী মডেক্যিাল কলজে, ক্লনিকি ও ডায়াগনস্টকি সন্টোরগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা যায়। এসব জায়গায় সম্পৃক্ত থাকলে খুব দ্রুত পরচিতিি ঘট।ে দক্ষতা প্রমাণ করা এবং শখোর সুযোগও বশেি থাক।ে তনিি আরও জানান, থানা র্পযায়ে আবাসকি সমস্যা রয়ইে যায়। নরিাপত্তা জোরদার থাকে না। যথাযথভাবে দায়ত্বি পালন করওে গ্রামরে মানুষরে মন জয় করা যায় না। অনকেইে ভুল বুঝে চকিৎিসকদরে কষ্ট দয়িে থাকনে বলে জানান ডা. অনুপম ভট্টর্চায্য। গ্রামে থাকার ব্যাপারে মানসকিতা পরর্বিতন করার ওপর জোর দয়িছেনে ধোবাউড়া থানা স্বাস্থ্য র্কমর্কতা ডা. আতাউল জললি। তনিি জনকণ্ঠকে জানান, অনকেইে শহুরে জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তাঁরা গ্রামীণ পরবিশেে খাপ খাওয়াতে পারনে না। এখানে শহুরে জীবনরে সুযোগ-সুবধিা থাকে না। যসেব চকিৎিসক শহুরে ও গ্রামীণ জীবনরে মধ্যে তুলনা করনে, তাদরে পক্ষে গ্রামে অবস্থান করা কঠনি হয়ে পড়।ে ডা. আতাউল জললি স্বীকার করনে, থানা র্পযায়ে দক্ষতা র্অজনরে জন্য বই পুস্তক, গাউড ও রোগী নাই। জটলি রোগী চকিৎিসা দয়োর সুযোগ নাই। বশিষেজ্ঞ শ্রণেীর কউে থাকনে না। বশিষেজ্ঞ হওয়ার পরই গ্রামে ফরিে যান না। বড় ধরনরে র্সাজারি করানো হয় না। এ্যানস্থেসেয়িার ব্যবস্থা নাই। পোস্ট গ্র্যাজুয়শেন ডগ্রিী র্অজনরে প্রস্তুততিে সমস্যা হয় বলে স্বীকার করনে ডা. আতাউল জললি।
বাংলাদশে প্রাইভটে প্র্যাক্টশির্নাস ডক্টরস এ্যাসোসয়িশেনরে মহাসচবি ডা. মোঃ জামাল উদ্দনি চৌধুরী বলনে, চকিৎিসকদরে শহরে ও গ্রামে একই বতেন। কন্তিু সুযোগ-সুবধিার ক্ষত্রেে রয়ছেে অনকে র্পাথক্য। গ্রামে র্কমরত চকিৎিসকদরে বদিশে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। পদোন্নতি পাওয়ার ক্ষত্রেে পছিয়িে পড়নে। প্রাইভটে চম্বোরে রোগী দখেে র্অথ আয়রে সুযোগ কম। রোগীপ্রতি পাওয়া যায় মাত্র ৩০ টাকা থকেে ১শ টাকা। প্রথম শ্রণেীর অফসিার হসিবেে র্মযাদা পাওয়া যায় না। শুধু মুখে নয়, গ্রামে অবস্থানরত চকিৎিসকদরে জন্য কাগজ-েকলমে বশিষে প্রণোদনার ব্যবস্থা করার দরকার বলে মনে করনে ডা. মোঃ জামাল উদ্দনি চৌধুরী।
বাংলাদশে পোস্ট গ্র্যাজুয়টে ডক্টরস এ্যাসোসয়িশেনরে মহাসচবি ডা. রাকবিুল ইসলাম লটিু জনকণ্ঠকে জানান, ঢাকার বাইররে চকিৎিসকদরে দায়ত্বিে অবহলোর জন্য শুধু সাময়কি বরখাস্ত করইে র্বতমান অবস্থার সমাধান মলিবে না। এ চকিৎিসকদরে পশোয় উৎসাহতি এবং গ্রামে থাকায় আগ্রহী করতে হলে চকিৎিসকদরে জন্য প্রমোটভি টায়ার তরৈি করতে হব।ে তাদরে কয়কে ধাপে সাইক্লকি র্অডারে পদোন্নতরি ব্যবস্থা করতে হব।ে রোগীদরে আস্থা ফরোতে চালু করতে হবে ‘রফোরন্সে সস্টিমে।’ বন্ধ করতে হবে গ্রামীণ কোয়াক চকিৎিসকদরে ব্যবসা। উপজলো হাসপাতালগুলোয় আধুনকি যন্ত্রপাতরি সমন্বয়ে এ চকিৎিসকদরে দক্ষতা বাড়াতে হব।ে চকিৎিসকদরে দক্ষতা বৃদ্ধতিে বসিএিস পরীক্ষায় মডেক্যিাল সায়ন্সেবষিয়ক শক্ষিা অর্ন্তভুক্ত করতে হব।ে সে সঙ্গে চকিৎিসকদরে দলবাজওি বন্ধ করতে হব।ে উত্তরা আধুনকি মডেক্যিাল কলজেরে ইন্টারভনেশনাল র্কাডওিলজরি বভিাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাকবিুল ইসলাম লটিু এসব সুপারশি করনে। রাজধানীর বাইররে চকিৎিসকদরে দায়ত্বিে অবহলোর কারণ জানতে চাইলে এ হৃদরোগ বশিষেজ্ঞ বলনে, এ কথাও ঠকি যে কছিু চকিৎিসক আছনে যাঁরা তাদরে দায়ত্বিে অবহলো করনে। তনিি বলনে, সরকারী চকিৎিসকরা গ্রামে তমেন কাজ পান না। কন্তিু কাজ করার পরবিশে তরৈি করতে হব।ে এজন্য উপজলো হাসপাতালগুলোয় আধুনকি যন্ত্রপাতরি ব্যবস্থা করতে হব।ে এ হাসপাতালগুলোকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে হব।ে কারণ আধুনকি চকিৎিসা যন্ত্রপাতি ব্যবহাররে মাধ্যমইে স্থানীয় চকিৎিসকরা আরও অভজ্ঞি হয়ে গড়ে উঠবনে। একই সঙ্গে গ্রাম্য চকিৎিসকদরে প্রসারও বন্ধ করতে হব।ে ডা. রাকবিুল ইসলাম বলনে, ঢাকার বাইরে বভিন্নি জলো ও বভিাগে র্কমরত চকিৎিসকদরে মধ্যে ৯৫ শতাংশই এমববিএিস ডগ্রিীধারী। তাদরে মধ্যে উল্লখেযোগ্যসংখ্যকই বসিএিস পরীক্ষা দয়িে মডেক্যিাল অফসিাররে দায়ত্বি পালন করনে। উচ্চতর ডগ্রিী না থাকায় এবং বশিষোয়তি চকিৎিসক না হওয়ায় রোগীরাও তাদরে কাছ থকেে চকিৎিসা গ্রহণরে ব্যাপারে আগ্রহী নন। ঢাকার বাইররে চকিৎিসকদরে পশোয় উৎসাহতি এবং রোগীদরে নয়িমতি র্কমক্ষত্রেে যাওয়ার জন্য কয়কেটি সুপারশি করনে ডা. রাকবি। এর মধ্যে প্রথমইে চকিৎিসকদরে জন্য ‘প্রমোটভি টায়ার’ সৃষ্টি করার ওপর জোর দনে তনি।ি এজন্য মডেক্যিাল অফসিারদরে কয়কেধাপে পদোন্নতি দয়োর বষিয়টি তুলে ধরনে। মডেক্যিাল অফসিারদরে উৎসাহতি করতে জুনয়ির মডেক্যিাল অফসিার থকেে সনিয়ির মডেক্যিাল অফসিার, ডপেুটি অফসিার ও চীফ অফসিার হসিবেে দায়ত্বি দয়োর বষিয়ে গুরুত্ব দনে। আর এ কাজটি নর্দিষ্টি সময় পর পর করা যতেে পার।ে রাকবিুল ইসলাম লটিু বলনে, একজন মডেক্যিাল অফসিাররে পদোন্নতি দয়ো হলে তাঁর অভজ্ঞিতা, সুনাম ও পদবি বৃদ্ধি পাব।ে এর ফলে রোগীদরেও এ চকিৎিসকদরে ওপর ভরসা বাড়ব।ে এ ছাড়া গ্রামরে চকিৎিসকদরে উৎসাহী করতে তনিি ‘রফোরন্সে সস্টিমে’ চালু করা উচতি বলে মনে করনে। তনিি বলনে, সাধারণ ডায়রয়িা হলইে রোগীকে কোন বশিষোয়তি চকিৎিসকরে কাছে যতেে হবে এর কোন কারণ নইে। রোগীদরে এটি বুঝতে হবে যে এক্ষত্রেে স্থানীয় চকিৎিসকই তার চকিৎিসা করার যোগ্যতা রাখনে। কোন কারণে যদি তনিি তা না পারনে তবে সইে চকিৎিসক রোগীকে সংশ্লষ্টি চকিৎিসকরে কাছে যাওয়ার সুপারশি করতে পারনে। ডা. রাকবিুল ইসলাম বলনে, আমি মনকের,ি সাইক্লকি র্অডারইে চকিৎিসকরা জলো থকেে বভিন্নি বভিাগে পদোন্নতি পয়েে শহর র্পযায়ে পোস্টংি পলেে তাদরে চকিৎিসাবষিয়ক জ্ঞান আরও সমৃদ্ধ হব।ে কন্তিু বাস্তবচত্রি এই যে র্বতমানে চকিৎিসকদরে গ্রামে পোস্টংি দয়োর পর তাদরে আর খােঁজ-খবর নয়ো বা পদোন্নতি হয় না। এর ফলে তাঁরা পশোর প্রতি নরিুৎসাহতি হন। এক হৃদরোগ বশিষেজ্ঞ বলনে, এজন্য বসিএিস পরীক্ষা পদ্ধতি পরর্বিতন করতে হব।ে পরীক্ষায় ইমারজন্সেি মডেক্যিালবষিয়ক জ্ঞান এবং মডেক্যিাল সায়ন্সে বষিয়ে জোর দতিে হব।ে এ ছাড়া বসিএিস পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হওয়ার পর শক্ষর্িাথীদরে ইমারজন্সেি মডেক্যিাল বষিয়ে প্রশক্ষিণ দতিে হব।ে সবশষেে এ চকিৎিসকদরে নজিদেরে মধ্যে দলবাজি বন্ধ করার পরার্মশ দনে তনি।ি স্বাচপি-ড্যাব সর্মথকরাই যে সব সময় সুযোগ-সুবধিা নবেনে আর যাঁরা কোন দলকে সর্মথন করনে না তাঁরা পদোন্নতি বা পোস্টংি পাবনে না এটা ঠকি নয়। চকিৎিসাব্যবস্থায় রাজনীতি বন্ধ করতে হব।ে সে সঙ্গে সম্ভব হলে চকিৎিসকদরে নর্দিষ্টি সময় পর বশিষে প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যতেে পারে বলে জানান ডা. রাকবিুল ইসলাম লটিু। গ্রামে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারী চকিৎিসকরা আগরে তুলনায় আগ্রহী হয়ে উঠছনে বলে মনে করনে বাংলাদশে মডেক্যিাল এ্যাসোসয়িশেনরে (বএিমএ) যুগ্মমহাসচবি অধ্যাপক ডা. এমএ আজজি। তনিি জনকণ্ঠকে জানান, গ্রামে থাকা ব্যাপারে সরকারী চকিৎিসকদরে মনে ব্যাপক পরর্বিতন এসছে।ে তাঁদরে কউে কউে সদচ্ছিায় গ্রামে অবস্থান করছনে। তবে গ্রামে অবস্থানরত চকিৎিসকদরে জন্য বশিষে সুবধিা থাকা দরকার বলে মনে করনে অধ্যাপক ডা. এমএ আজজি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন চকিৎিসকদরে প্রথমে মফস্বলরে র্কমস্থলে দুই বছর থাকতে বাধ্য করে পদায়নরে নীতমিালার কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া নতুনদরে নজি জলোর কাছাকাছি পদায়ন করা হব।ে স্বামী ও স্ত্রী হলে একই জলোয় পদায়নরে বষিয়ে অগ্রাধকিার দয়োর সদ্ধিান্ত নয়িছেে মন্ত্রণালয়। পদায়নরে প্রথম দুই বছর মফস্বলরে র্কমস্থলে কোন চকিৎিসক থাকলে তাকে পুরস্কার দয়োর কথাও ভাবা হচ্ছ। যসেব মফস্বল এলাকায় চকিৎিসকরে পদ শূন্য পড়ে আছ,ে সসেব এলাকায় নতুন চকিৎিসকদরে পদায়ন করা হব। এর মধ্যে মন্ত্রণালয়রে অধীন প্রতষ্ঠিান স্বাস্থ্য অধদিফতর থকেে পদ শূন্য পড়ে থাকা এলাকার সরকারী হাসপাতালরে তালকিাও নয়িছেে মন্ত্রণালয়। সূত্রমত,ে সরকারী চাকরতিে নতুন পদ সৃষ্টি ও নয়িোগ প্রক্রয়িা দ্রুত করতে সম্প্রতি মন্ত্রপিরষিদে কমটিি গঠনরে সদ্ধিান্ত হচ্ছে এবং শীঘ্রই এ কমটিি গঠন হব। মন্ত্রপিরষিদরে কমটিি গঠন হলে এরসঙ্গওে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়রে র্শীষর্কমর্কতারা আলোচনায় বসবনে।

No comments:

Post a Comment