ভারত থেকেও অনেকে শরণার্থী হয়ে গেছেন বাংলাদেশে---এ গল্প সেরকমই এক উত্তর প্রজন্মের গল্প......আমি রিফিউজির সন্তান । আমি দেশ দেখি নি । মায়ের কাছ থেকে শুনে শুনে নিজ শিকড় সম্পর্কে জেনেছি ;ধারণা নিয়েছি । সেই কবে পঞ্চাশের দশকে মা তাঁর জন্মভূমি চিরতরে ছেড়ে-ছুঁড়ে পূর্ব পাকিস্তানের মফস্বল এক শহরে স্বামীর কর্মস্থলে চলে এসেছিলেন,তারপর আর ফিরে যাওয়া হয় নি ।
উধারবন্দ,বাঁশকান্দি,বেরেঙ্গা, দুধপাতিল,মধুরামুখ কত সব আদুরে নাম । সব নমই মায়ের কল্যাণে মুখস্থ হয়ে গেছে । একজন লোক ,কোন এক জায়গায় না গিয়েও সে জায়গা সম্পর্কে যে মোটামুটি ভাল ধারণা রাখতে পারে,আমিই তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ ।
আমার বাবা-মা দুজনেই ওপার থেকে এসেছেন । নরাধম ইংরেজরা (চক্রান্ত করে দেশটা ভাগ করল । নরাধম ছাড়া আর কীইবা বলার আছে ।) ভারত বর্ষ ত্যাগ করার বছর দুয়েক আগে জি.সি.কলেজ থেকে পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে বাবা সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন । বাড়ি থেকে আপিসে যেতেন । মধুরার পার ঘেষে তিন-চারশ গজ হেটে জুড়িন্দা নৌকায় বরাক পেরিয়ে তারপর মালুগ্রাম হয়ে আপিসে যেতেন ।
হায়রে কী শান্তি ।
উধারবন্দ,বাঁশকান্দি,বেরেঙ্গা,
আমার বাবা-মা দুজনেই ওপার থেকে এসেছেন । নরাধম ইংরেজরা (চক্রান্ত করে দেশটা ভাগ করল । নরাধম ছাড়া আর কীইবা বলার আছে ।) ভারত বর্ষ ত্যাগ করার বছর দুয়েক আগে জি.সি.কলেজ থেকে পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে বাবা সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন । বাড়ি থেকে আপিসে যেতেন । মধুরার পার ঘেষে তিন-চারশ গজ হেটে জুড়িন্দা নৌকায় বরাক পেরিয়ে তারপর মালুগ্রাম হয়ে আপিসে যেতেন ।
হায়রে কী শান্তি ।
![]() | ॥ গল্প ॥ দেশের গল্প // ইকবাল তাজওলী | জলভূমি
|

No comments:
Post a Comment