Monday, May 12, 2014

তাহলে কিসের গণতন্ত্র, কিসের উত্সব?পিএফ, বেতনের সঙ্গে আধার প্রকল্পকে যুক্ত করা হচ্ছে কোন আইনে, বাঙ্গালির কোনও বিতর্ক সভায় এই প্রশ্ন কি আদৌ উঠবে? নগদ সাবসিডির জন্য আধার কার্ড কোন আইনে, এ কথা জিজ্ঞেস করার ক্ষমতা হবে তৃণমুলী সিপিএম বাঙ্গালির?

Friday, January 25, 2013


আজ অঘোষিত আপাতকালে সবচাইতে বেশী করে লঙ্ঘিত হচ্ছে াগরিক ও মানবাধিকার।ইউনিক আইডেন্টিটি কার্ড প্রকল্প ন্যাটোর প্রকল্প, যা গ্রহন করতে অস্বীকার করে আমেরিকা, ব্রিটেন , জার্মানি প্রভৃতি ন্যাটো দেশ সমূহই।অর্দ্ধেক প্রকল্প রুপায়নের পর নাকরিকের গোপনীয়তা ও সম্প্রভুতার প্রশ্নে উত্তাল হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড।সরকার উলটে যায়।বাতিল হয় সেই আত্মঘাতী প্রকল্প। অথচ সম্পূর্ম বেআইনি ভাবে এই অসংবৈধানিক প্রকল্পকে নাগরিক ও মানব অধিকারের সঙ্গে যুক্ত করে জোর জবরদস্তী নসবন্দীর মত আধার কার্ড প্রকল্প চলেছে।তাহলে কিসের গণতন্ত্র, কিসের উত্সব?পিএফ, বেতনের সঙ্গে আধার প্রকল্পকে যুক্ত করা হচ্ছে কোন আইনে, বাঙ্গালির কোনও বিতর্ক সভায় এই প্রশ্ন কি আদৌ উঠবে? নগদ সাবসিডির জন্য আধার কার্ড কোন আইনে, এ কথা জিজ্ঞেস করার ক্ষমতা হবে তৃণমুলী সিপিএম বাঙ্গালির?

পলাশ বিশ্বাস
ভারতে ২০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে গেল ইউনিক আইডেন্টিটি কার্ড বা একক পরিচয়পত্র 

('আধার')। নন্দন নিলেকানির 


নেতৃত্বে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া এই 

পরিচয়পত্র তৈরির কাজ করছে। এই প্রকল্পে দেশের নাগরিকদের একটি বিরাট ডেটাবেস তৈরি 

করা হচ্ছে, যেখানে প্রত্যেকের সব রকম 'বায়োমেট্রিক' তথ্য, অর্থাৎ আঙুলের ছাপ, চোখের মণির 

ছবি করপোরেটের হাতে তুলে নিয়ে সুনিশ্চিত করতে হবে আমাদের নাগরিকত্ব, নাগরিক অধিকার 

ও মানবাধিকার !...েই প্রসঙ্গে আমাদের ভাবনা চিন্তা কোন খাতে বইছে?

কালো টাকায় ভারত বিশ্বে অষ্টম


 ১৮ডিসেম্বর,NTWEB:  ২০০১ থেকে ২০১০। এই দশ বছরে ১২৩ বিলিয়ন ডলার বা ৬ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি কালো টাকা হিসেবে দেশের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি বা জিএফআই নামে একটি মার্কিন সংস্থার এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে আসার পর কপালে ভাঁজ পড়েছে ভারতীয় প্রশাসনের। অবৈধ উপায়ে টাকা দেশের বাইরে চলে যাওয়ার তালিকায় ভারতের স্থান বিশ্বে অষ্টম। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন।  

 রাজনৈতিক জীব পৃথীবীতে বাঙ্গালির চাইতে বড় কিছু াছে কিনা, সন্দেহের বিষয় গম্ভীর
। 
অপ্রাসঙ্গিক রাজনীতিতে বাঙ্গালির মাতামাতি সবচাইতে বেশী।আগামীকাল সকালেই গণতন্ত্র দিবস  উদযাপনে শীতের আমেজ পুরোটাই উপভোগ করার সুযোগ। আজ ছিল সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় পরব।আগামী দিন গণতন্ত্র উত্সব।তার পর দিন রবিবার।নেহাত পয়সায কমজোরি,নাহলে ইউরোপ আমেরিকা বেড়িয়ে াসতে বাঙ্গালিকে ঠেকায় কে?এই মুহুর্তে বাঙ্গালি গণতন্ত্রের সবচাইতে উজ্জ্বল মুখ রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং ভাঙ্গড়ের তাজা নেতা অরাবুল ইসলাম।যাবতীয খবর, যাবতীয় বিতর্ক এদের নিয়েইনবাঙ্গালির দুই শ্রেষ্ঠ মনীষী স্বামী বিবেকানন্দ ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের জন্মদিন অবলীলায় অতিক্রমিত হল এই আত্মঘাতী ঘৃণা, সন্ত্রাস ও হিংসার রাজনীতি দ্বারা।সুস্থ অসুস্থ, এটা নিয়েও এখন রাজনীতি।বাঙ্গালি আজ ন্যাংটা খেলায় মেতেছে, সবাইকে ন্যাংটো হতেই হবে।রাজ্যের কোষাগার শুন্য, বেতন দেওয়াই মুশকিল। লগ্নির হদিস নেই।মুখ্যমন্ত্রীই বলছেন এক কোটি বেকার। এ নিয়ে বাঙ্গালির মাথা ব্যথা নেই। মরিচঝাঁপির তিন দশক পরেও ঔ গণহত্যার বিচার হল না।তফশিলী বহুসংখ্য বাঙ্গালি আজ উদ্বাস্তু, তাঁদের শেষ করে দেবার জন্যই দেশভাগ। তাই কালো নাগরিকত্ব আইনে যখন দেশে সর্বত্র বাঙ্গালির নাগরিকত্ব পরিচিতি বিপর্যস্ত, বাঙ্গালি কিন্তু সিপিএম তৃণমুলের গন্ডী ছেঢ়ে বোরোয় নি। উদ্বাস্তু উত্খাতের বিরুদ্ধে বাংলার কন্ঠস্বর সোচ্চার হয় নি।স্বাভাবিক। শাসকশ্রেনীর নাগরিকত্ব নিযে ত কোনও সংশয় নেই।বাংলার জেলায় জেলায় হাজারো মানুষ ভিনদেশী পরিচয়ে কারারুদ্ধ।তাংদের আদালতেও তোলা হয় না । তাঁদের নিয়ে কোথাও কোন খবর হয় না। কিন্তু ডিজিটল নাগরিকত্বই যে বিশ্বাযন ও আর্থিক সংস্কারের আধার, অতিবোদ্ধা বাঙ্গালিকে বোঝানো মুশকিল।এখনও অনেক শিক্ষিত বাঙ্গালি াছেন, যারা জানেনই না যে নাগরিকত্ব আইন বদলে তাঁদের নাগরিকত্বই সন্দিগ্ধ।দলবদ্ধ রাজনীতির শিকার লাখো লাখো মানুষের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া হল স্থানীয় দলাদলির জন্যই। সংবিধান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানুষের নাগরিকত্বের অধিকার খারিজ করা যায় না। নাগরিক অধিকার, মানবঅধিকার থেকে কেউ গণতন্ত্রে বন্চিত হওয়ার কথা নয়।ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে আপাতকাল ঘোষণা করেছিলেন, তখন নাগরিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছিল। আজ অঘোষিত আপাতকালে সবচাইতে বেশী করে লঙ্ঘিত হচ্ছে াগরিক ও মানবাধিকার।ইউনিক আইডেন্টিটি কার্ড প্রকল্প ন্যাটোর প্রকল্প, যা গ্রহন করতে অস্বীকার করে আমেরিকা, ব্রিটেন , জার্মানি প্রভৃতি ন্যাটো দেশ সমূহই।অর্দ্ধেক প্রকল্প রুপায়নের পর নাকরিকের গোপনীয়তা ও সম্প্রভুতার প্রশ্নে উত্তাল হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড।সরকার উলটে যায়।বাতিল হয় সেই আত্মঘাতী প্রকল্প। অথচ সম্পূর্ম বেআইনি ভাবে এই অসংবৈধানিক প্রকল্পকে নাগরিক ও মানব অধিকারের সঙ্গে যুক্ত করে জোর জবরদস্তী নসবন্দীর মত আধার কার্ড প্রকল্প চলেছে।তাহলে কিসের গণতন্ত্র, কিসের উত্সব?পিএফ, বেতনের সঙ্গে আধার প্রকল্পকে যুক্ত করা হচ্ছে কোন আইনে, বাঙ্গালির কোনও বিতর্ক সভায় এই প্রশ্ন কি আদৌ উঠবে? নগদ সাবসিডির জন্য আধার কার্ড কোন আইনে, এ কথা জিজ্ঞেস করার ক্ষমতা হবে তৃণমুলী সিপিএম বাঙ্গালির?

A number of state government employees may not get salaries on time next month as they have not yet got their Unique Identification (UID) cards due to slow working by firms given the task of making these cards. 
 
While a total of 3,315 machines were supposed to be installed for preparing cards, only 2,434 machines have been put up for the job so far. The less number of machines is affecting the process of making cards, thus many employees run the risk of not getting salaries on time as from next month, the government employees would be paid their salary in their bank accounts on the basis of Aadhaar cards.
 
According to the data provided by Ramesh Chand Gupta, Officer on Special Duty (OSD) at UID project, about 900 machines are still to be installed in the state.
 
The case of Jaipur district is even worse. Arun Garg, additional district magistrate, Jaipur says, "As many as 186 machines should had been installed by now by the private company, but half of that is also not done. It is really worrying and strict action will be taken against the company."
The UID administrators are going to take strict action against the organisations that have not performed as per public need.


আধার কার্ডই এখন বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে ভোটার আই-কার্ড থেকে। একটি আধার কার্ড দিয়ে একজন ব্যক্তি পাঁচটি ব্যাঙ্কে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। আধার কার্ড দিয়ে যে সমস্ত ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে তা হল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ও ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক। নয়াদিল্লিতে 'সরল মানি' প্রকল্পের উদ্বোধনে এ কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রকল্পের উদ্বোধনে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শিখা শর্মা বলেছেন, 'আধার কেন্দ্রিক কেওয়াইসি-র মাধ্যমে যে পরিষেবা আমরা দিচ্ছি তাতে অ্যাকাউন্টের খরচ অনেক কম হবে এবং এটি আরও আকর্ষণীয় হবে।'
তবে শুধু ব্যাঙ্ক নয়, এই পাঁচটি ব্যাঙ্কের বিজনেস করেসপন্ডেন্ট আউটলেটেও একই সঙ্গে পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে আধার কার্ড গ্রাহ্য হবে। এছাড়াও গ্রাহকদের জন্য রয়েছে আরও সুযোগসুবিধা। 'সরল মানি' অ্যাকাউন্টে যে ভিসা-পেমেন্ট সেটেলমেন্ট রয়েছে তাতে গ্রাহকরা কেনাকাটা করতে পারবেন, টাকা পাঠাতে ও কারুর পাঠানো টাকা গ্রহণ করতে পারবেন এবং এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন।
'সরল মানি' প্রকল্প শুধুমাত্র রাজধানী দিল্লিতেই রয়েছে। ইউনিক আইডেন্টিটি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া চাইছে ২০১৫ সালের মধ্যে ৬০ কোটি নাগরিককে আধার কার্ডের আওতায় আনা। আগামী বছরের মধ্যে পুরো দেশেই 'সরল মানি' প্রকল্প চালু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক আধার কার্ডে খাতা খোলা যাবে পাঁচ ব্যাঙ্কে
এক আধার কার্ডে খাতা খোলা যাবে পাঁচ ব্যাঙ্কে।
নয়াদিল্লি: স্রেফ আধার কার্ড থাকলেই অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক ও ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্কে৷ বুধবার নয়াদিল্লিতে সরল মানি প্রকল্পের উদ্বোধনে এ কথা ঘোষণা করা হয়েছে৷

আধার কার্ডে যে ঠিকানা রয়েছে যদি সেই ঠিকানাতেই কেউ ব্যাঙ্ক অ্যকাউন্ট খুলতে চান তা হলে আধার 'লেটার'কে একই সঙ্গে পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসাবে গণ্য করতে সব ব্যাঙ্কে নির্দেশ পাঠিয়েছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক৷

সরল মানি প্রকল্পের উদ্বোধনে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শিখা শর্মা বলেছেন, 'আধার-কেন্দ্রিক কেওয়াইসি-র (নো ইওর কাস্টমার) মাধ্যমে যে পরিষেবা আমরা দিচ্ছি তাতে অ্যাকাউন্টের খরচ অনেক কম হবে এবং এটি আরও আকর্ষণীয় হবে৷ এই প্রকল্প নিশ্চিত ভাবেই সামগ্রিক বৃদ্ধির সহায়ক হবে৷' শুধু ব্যাঙ্ক নয়, এই পাঁচটি ব্যাঙ্কের বিজনেস করেসপন্ডেন্ট (বিসি) আউটলেটেও একই সঙ্গে পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে আধার কার্ড গ্রাহ্য হবে৷ সরল মানি অ্যাকাউন্টে যে ভিসা পেমেন্ট সেটলমেন্ট রয়েছে তাতে গ্রাহক কেনাকাটা করতে পারবেন, টাকা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারবেন এবং এটিএম থেকে টাকাও তুলতে পারবেন৷

এই মুহূর্তে ২১ কোটি আধার গ্রাহকই প্রকল্পের লক্ষ্য৷ ইউনিক আইডেন্টিটি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (উদাই) চায় ২০১৫ সালের মধ্যে ৬০ কোটি নাগরিককে আধারের আওতায় আনা৷

সরল মানি আপাতত রাজধানী দিল্লিতেই শুদু হচ্ছে৷ আগামী বছরের শেষের দিকে পুরো দেশেই প্রকল্প চালু হয়ে যাবে বলে আশা৷ উদাই-এর চেয়ারম্যার নন্দন নিলেকানি বলেছেন, 'এই প্রকল্প শুধু আর্থক ভাবে পিছিয়ে থাকাদের ব্যাঙ্ক ব্যবস্থায় ঢুকতেই সাহায্য করবে না, আধার কার্ডের সামগ্রিক প্রয়োগের পথও খুলে দেবে৷


ভিসা গ্রুপের কান্ট্রি ম্যানেজার অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়া উত্তম নায়ক বলেছেন ভারতের যে অংশের মানুষ আর্থিক ভাবে পিছিয়ে রয়েছেন তাঁদের ভর্তুকি দেওয়া, বৃত্তি দেওয়ার মতো বিষয়ে এই প্রকল্প সহায়তা করবে৷

The Employees Provident Fund has followed up on  its attack on bulk payments of provident fund by companies  by demanding UID details for all new PF accounts.
An order issued by the new Central PF commissioner Anil Swaroop has made it compulsory for all new members opening a PF account to provide Aadhaar details as their identification criterion.
The circular says that a deadline for other members to provide their UID details would also be issued soon.
"UID linkage would ensure that money meant for workers actually reaches the worker, even if he is a casual worker who has worked in a place only for a few days," Swaroop said.

The previous Commissioner R C Mishra had before his retirement issued a circular to end payment of PF funds in an arbitrary manner by employers.

In a circular in November last year, the EPFO had openly admitted that the organisation has been accepting bulk PF payments of workers from companies, that is payments of workers that were bundled together and hence not specifically linked to a particular worker. These funds were decided arbitrarily on the basis of negotiations between the EPFO officials and employers, according to top EPFO officials.

The order had condemned this practice and had asked for making payments against specific individual accounts only.

Swaroop's order takes this one step forward by asking for UID linkage to each account.

The circular has asked  all the new members of the  EPFO  to provide their Aadhaar details. The employer will be responsible for providing Aadhar card details of new members. Aadhar would now function as the main identification criterion for workers, the circular indicated.

The circular directs all the regional offices to contact their local UIDAI officials to request for setting up of Aadhaar enrollment camps.   According to the circular, members joining the EPFO on or after 1st March 2013 will be required to provide their Aadhaar number.

The circular also directs that Aadhaar details of the present members should be collected by 30th June 2013. The central government has already taken the decision to link provident fund, pension scheme and other benefits covered by EPFO with the direct cash transfer scheme.
Under this Aadhaar number will be necessary to take out PF and pension money. The Aadhaar number has been made optional for the present members but can later be made mandatory in future, the circular said.

No comments:

Post a Comment