বুথ দখলে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক ফেরার, ধৃত ১০
এই সময়, বাঁকুড়া: তৃণমূলের যে বিধায়কের বিরুদ্ধে বুধবার ভোট গ্রহণে বাধা, প্রিসাইডিং অফিসার-সহ ভোটকর্মীদের মারধর ও জোর করে বাঁকুড়ার সোনামুখীর ২৭ নম্বর বুথ দখলের অভিযোগ উঠেছিল, সেই দীপালি সাহার কোনও হদিস পাচ্ছে না পুলিশ৷ ঘটনার পর থেকে ফেরার বিধায়ক৷ ঘটনায় ১০ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ ধৃতদের বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তাদের ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক৷ দীপালি সাহার খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ রাজ্য নির্বাচন কমিশন এর পরেই পুরোনো নির্দেশ নতুন করে জারি করেছে৷ রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের কর্তা অমিত রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, সেই নির্দেশে বলা হয়েছে, বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া এবং প্রিসাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কেউ বুথে ঢুকতে পারবে না৷ এমনকি, সাংসদ বা বিধায়ক তো দূরস্থান, কেন্দ্রীয় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও ওই বুথের ভোটার না-হলে তিনি সেখানে ঢুকতে পারবেন না৷ দীপালি সাহাকে নিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে৷
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টা নাগাদ দীপালি দেবী দলবল নিয়ে হাজির হন সোনামুখীর সাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৭ নম্বর বুথে৷ অভিযোগ, বিধায়ক ও তাঁর সঙ্গে থাকা ২০ জন যুবক বুথে ঢুকে ভোটকর্মীদের কাছ থেকে ক্যামেরা ও মোবাইল কেড়ে নেয়৷ বের করে দেওয়া হয় বিরোধী দলের এজেন্টদের৷ মারধর করা হয় প্রিসাইডিং অফিসার-সহ অন্যান্য ভোটকর্মীদের৷ এর পর দরজা বন্ধ করে বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ প্রায় মিনিট চল্লিশ পর বুথ থেকে দলবল নিয়ে দীপালিদেবী বেরিয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়৷ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সোনামুখীর বিডিও৷ ঘটনার কথা জানানো হয় জেলাশাসককে৷ এর পরই জেলা প্রশাসনের নির্দেশমত সোনামুখী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ২৭ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসার সুখেন্দু রজক৷ অভিযোগ জানানো হয় বিধায়ক-সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে৷
রাতেই সাহাপুর গ্রাম থেকে ১০ জন যুবককে গ্রেপ্তার করে সোনামুখী থানার পুলিশ৷ জেলা পুলিশ সুপার মুকেশ কুমার বলেন, 'ভোটদানে বাধা ও বুথ দখলের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ মূল অভিযুক্ত বিধায়ক দীপালি সাহাকে পাওয়া যাচ্ছে না৷' বুধবার যে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, তারা হল, হারু বাগদি, বুবাই বাগদি, সূর্য বাগদি, অমিত বাগদি, রাজু বাগদি, রাহুল বাগদি, দীপক বাগদি, রঞ্জিত বাগদি, রাজু বাগদি ও বাপন বাগদি৷ ধৃতদের বয়স ১৯ থেকে ২২ বছর৷ বৃহস্পতিবার ধৃতদের বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়৷ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়৷ ১০ জনকেই তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, 'ভোট চলাকালীন দলবল নিয়ে বুথে ঢোকা ও কাজে বাধা দেওয়া-সহ মারধরের অভিযোগ রয়েছে৷ জোর করে বুথ দখলের জন্যই প্রিসাইডিং অফিসার থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন৷ ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে৷ বাকিদেরও পুলিশ খুঁজছে৷'
গোটা ঘটনায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি অরূপ খাঁর প্রতিক্রিয়া, 'খতিয়ে দেখা হচ্ছে বিষয়টি'৷ যদিও দলের কো-চেয়ারম্যান ও জেলা সভাধিপতি অরূপ চক্রবর্ত্তীর দাবি, 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই বিধায়কের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে৷ আর এটা করেছেন যাঁরা বুথের দায়িত্বে ছিলেন৷ আসলে তাঁরা কো-অর্ডিনেশন কমিটির লোক৷ দিপালী সাহা কি এই ধরণের কাজ করতে পারে?'
বৃহস্পতিবার বিধায়ক দিপালী সাহার বাড়ি গিয়ে দেখা গেল দরজা তালা লাগানো রয়েছে৷
এই সময়, বাঁকুড়া: তৃণমূলের যে বিধায়কের বিরুদ্ধে বুধবার ভোট গ্রহণে বাধা, প্রিসাইডিং অফিসার-সহ ভোটকর্মীদের মারধর ও জোর করে বাঁকুড়ার সোনামুখীর ২৭ নম্বর বুথ দখলের অভিযোগ উঠেছিল, সেই দীপালি সাহার কোনও হদিস পাচ্ছে না পুলিশ৷ ঘটনার পর থেকে ফেরার বিধায়ক৷ ঘটনায় ১০ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ ধৃতদের বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তাদের ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক৷ দীপালি সাহার খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ রাজ্য নির্বাচন কমিশন এর পরেই পুরোনো নির্দেশ নতুন করে জারি করেছে৷ রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের কর্তা অমিত রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, সেই নির্দেশে বলা হয়েছে, বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া এবং প্রিসাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কেউ বুথে ঢুকতে পারবে না৷ এমনকি, সাংসদ বা বিধায়ক তো দূরস্থান, কেন্দ্রীয় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও ওই বুথের ভোটার না-হলে তিনি সেখানে ঢুকতে পারবেন না৷ দীপালি সাহাকে নিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে৷
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টা নাগাদ দীপালি দেবী দলবল নিয়ে হাজির হন সোনামুখীর সাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৭ নম্বর বুথে৷ অভিযোগ, বিধায়ক ও তাঁর সঙ্গে থাকা ২০ জন যুবক বুথে ঢুকে ভোটকর্মীদের কাছ থেকে ক্যামেরা ও মোবাইল কেড়ে নেয়৷ বের করে দেওয়া হয় বিরোধী দলের এজেন্টদের৷ মারধর করা হয় প্রিসাইডিং অফিসার-সহ অন্যান্য ভোটকর্মীদের৷ এর পর দরজা বন্ধ করে বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ প্রায় মিনিট চল্লিশ পর বুথ থেকে দলবল নিয়ে দীপালিদেবী বেরিয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়৷ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সোনামুখীর বিডিও৷ ঘটনার কথা জানানো হয় জেলাশাসককে৷ এর পরই জেলা প্রশাসনের নির্দেশমত সোনামুখী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ২৭ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসার সুখেন্দু রজক৷ অভিযোগ জানানো হয় বিধায়ক-সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে৷
রাতেই সাহাপুর গ্রাম থেকে ১০ জন যুবককে গ্রেপ্তার করে সোনামুখী থানার পুলিশ৷ জেলা পুলিশ সুপার মুকেশ কুমার বলেন, 'ভোটদানে বাধা ও বুথ দখলের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ মূল অভিযুক্ত বিধায়ক দীপালি সাহাকে পাওয়া যাচ্ছে না৷' বুধবার যে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, তারা হল, হারু বাগদি, বুবাই বাগদি, সূর্য বাগদি, অমিত বাগদি, রাজু বাগদি, রাহুল বাগদি, দীপক বাগদি, রঞ্জিত বাগদি, রাজু বাগদি ও বাপন বাগদি৷ ধৃতদের বয়স ১৯ থেকে ২২ বছর৷ বৃহস্পতিবার ধৃতদের বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়৷ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়৷ ১০ জনকেই তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, 'ভোট চলাকালীন দলবল নিয়ে বুথে ঢোকা ও কাজে বাধা দেওয়া-সহ মারধরের অভিযোগ রয়েছে৷ জোর করে বুথ দখলের জন্যই প্রিসাইডিং অফিসার থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন৷ ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে৷ বাকিদেরও পুলিশ খুঁজছে৷'
গোটা ঘটনায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি অরূপ খাঁর প্রতিক্রিয়া, 'খতিয়ে দেখা হচ্ছে বিষয়টি'৷ যদিও দলের কো-চেয়ারম্যান ও জেলা সভাধিপতি অরূপ চক্রবর্ত্তীর দাবি, 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই বিধায়কের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে৷ আর এটা করেছেন যাঁরা বুথের দায়িত্বে ছিলেন৷ আসলে তাঁরা কো-অর্ডিনেশন কমিটির লোক৷ দিপালী সাহা কি এই ধরণের কাজ করতে পারে?'
বৃহস্পতিবার বিধায়ক দিপালী সাহার বাড়ি গিয়ে দেখা গেল দরজা তালা লাগানো রয়েছে৷
No comments:
Post a Comment