মমতা-কমিশন সংঘাতই সিপিএমের ভোটের ইস্যু
বিশ্বজিত্ বসু এবং কৌশিক প্রধান
'নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং মুখ্যমন্ত্রী পিছিয়ে আসায় শুধু ওঁরই মুখ পোড়েনি, মুখ পুড়েছে বাংলা মায়েরও৷ সারা দেশ জানল, বাংলা মায়ের দামাল মেয়ে ভাষণ জানেন, সংবিধান জানেন না৷'
সিপিএমের রাজ্য কমিটির এক নেতা বৃহস্পতিবার তাঁর ফেসবুকে এই মন্তব্য পোস্ট করেছেন৷ তার ২৪ ঘণ্টা আগেই অবশ্য আলিমুদ্দিনের শীর্ষকর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ বার মমতা-কমিশন সংঘাতই হবে তাদের অন্যতম ইস্যু৷ ময়দানে নেমেও পড়েছেন নেতা-কর্মীরা৷ তবে রাজ্য পার্টির এই নির্দেশ ঘিরে দলের একাংশে বিতর্ক শুরু হয়েছে৷ তাদের বক্তব্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মীরা পান্ডে-মমতা সংঘাত নিয়ে একই কায়দায় প্রচারে নেমেছিল সিপিএম৷ কিন্ত্ত বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে সাড়া না-ফেলায় মুখ পুড়েছিল পার্টির৷ ভোটের ফল ঘোষণার পর সে কথা দলের অন্দরে স্বীকারও করেছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব৷ সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দেব অবশ্য এখন বলছেন, 'শুধু ভোটের ফল দেখে চললে হবে না৷ মানুষ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেটাও দেখতে হবে৷' এদিকে বৃহস্পতিবারই কমিশনের বিরুদ্ধে মমতার আক্রমণাত্মক ভাষণের সিডি দিল্লিতে নির্বাচন সদনে পাঠিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর৷ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে উপ নির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুত্সি বলেন, 'আমরা সমস্ত কিছু দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব৷'
পঞ্চায়েত নির্বাচনে এহেন কৌশল ব্যুমেরাং হলেও, এ বার লোকসভা ভোটের আগে সে পথেই হাঁটতে চলেছে আলিমুদ্দিন৷ সিইও দপ্তরে গিয়ে প্রায়ই শাসকদলের বিরুদ্ধে নালিশ জানাচ্ছেন রবীন দেবের মতো নেতারা৷ বৃহস্পতিবারও তাঁরা কমিশনে অভিযোগ জমা দিয়ে বলেন, 'কমিশনের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণাত্মক মন্তব্য এবং পারুই-কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে যে ভাবে মুখ্যমন্ত্রী সার্টিফিকেট দিচ্ছেন, তা শান্তিপূর্ণ ভোটের পথে অন্তরায় হবে৷' এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর যাবতীয় বক্তব্যের সিডি-ও কমিশনে জমা দিয়েছে বামফ্রন্ট৷ পরে রবীনবাবু বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী কমিশনকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন তা সংবিধান বিরোধী৷ অন্য দিকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি এবং ওই দলেরই এক বিধায়কের সমালোচনা করলেও মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের প্রশংসা করে মঞ্চে তুলে সভা করেছেন৷ এ ব্যাপারে আমরা অবিলম্বে কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করছি৷'
শুধু অভিযোগ নয়, তাঁরা যে এ বারও মমতা-কমিশন সংঘাত নিয়ে প্রচারের ময়দানে নামবেন, তা বুধবার দলের রাজ্য কমিটির বৈঠকে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু৷ তিনি বলেছেন, 'কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও সংবিধানের নিয়ম ও আইন মেনে চলতে হবে৷ নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতি না মানার প্রবণতাকেই স্পষ্ট করছে৷' এই প্রসঙ্গে গৌতমবাবু বলছেন, 'এটা প্রচারে অবশ্যই ইস্যু হবে৷ তবে মূল বিষয়গুলি তাতে ঢাকা পড়বে না৷'
'নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং মুখ্যমন্ত্রী পিছিয়ে আসায় শুধু ওঁরই মুখ পোড়েনি, মুখ পুড়েছে বাংলা মায়েরও৷ সারা দেশ জানল, বাংলা মায়ের দামাল মেয়ে ভাষণ জানেন, সংবিধান জানেন না৷'
সিপিএমের রাজ্য কমিটির এক নেতা বৃহস্পতিবার তাঁর ফেসবুকে এই মন্তব্য পোস্ট করেছেন৷ তার ২৪ ঘণ্টা আগেই অবশ্য আলিমুদ্দিনের শীর্ষকর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ বার মমতা-কমিশন সংঘাতই হবে তাদের অন্যতম ইস্যু৷ ময়দানে নেমেও পড়েছেন নেতা-কর্মীরা৷ তবে রাজ্য পার্টির এই নির্দেশ ঘিরে দলের একাংশে বিতর্ক শুরু হয়েছে৷ তাদের বক্তব্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মীরা পান্ডে-মমতা সংঘাত নিয়ে একই কায়দায় প্রচারে নেমেছিল সিপিএম৷ কিন্ত্ত বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে সাড়া না-ফেলায় মুখ পুড়েছিল পার্টির৷ ভোটের ফল ঘোষণার পর সে কথা দলের অন্দরে স্বীকারও করেছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব৷ সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দেব অবশ্য এখন বলছেন, 'শুধু ভোটের ফল দেখে চললে হবে না৷ মানুষ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেটাও দেখতে হবে৷' এদিকে বৃহস্পতিবারই কমিশনের বিরুদ্ধে মমতার আক্রমণাত্মক ভাষণের সিডি দিল্লিতে নির্বাচন সদনে পাঠিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর৷ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে উপ নির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুত্সি বলেন, 'আমরা সমস্ত কিছু দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব৷'
পঞ্চায়েত নির্বাচনে এহেন কৌশল ব্যুমেরাং হলেও, এ বার লোকসভা ভোটের আগে সে পথেই হাঁটতে চলেছে আলিমুদ্দিন৷ সিইও দপ্তরে গিয়ে প্রায়ই শাসকদলের বিরুদ্ধে নালিশ জানাচ্ছেন রবীন দেবের মতো নেতারা৷ বৃহস্পতিবারও তাঁরা কমিশনে অভিযোগ জমা দিয়ে বলেন, 'কমিশনের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণাত্মক মন্তব্য এবং পারুই-কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে যে ভাবে মুখ্যমন্ত্রী সার্টিফিকেট দিচ্ছেন, তা শান্তিপূর্ণ ভোটের পথে অন্তরায় হবে৷' এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর যাবতীয় বক্তব্যের সিডি-ও কমিশনে জমা দিয়েছে বামফ্রন্ট৷ পরে রবীনবাবু বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী কমিশনকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন তা সংবিধান বিরোধী৷ অন্য দিকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি এবং ওই দলেরই এক বিধায়কের সমালোচনা করলেও মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের প্রশংসা করে মঞ্চে তুলে সভা করেছেন৷ এ ব্যাপারে আমরা অবিলম্বে কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করছি৷'
শুধু অভিযোগ নয়, তাঁরা যে এ বারও মমতা-কমিশন সংঘাত নিয়ে প্রচারের ময়দানে নামবেন, তা বুধবার দলের রাজ্য কমিটির বৈঠকে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু৷ তিনি বলেছেন, 'কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও সংবিধানের নিয়ম ও আইন মেনে চলতে হবে৷ নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতি না মানার প্রবণতাকেই স্পষ্ট করছে৷' এই প্রসঙ্গে গৌতমবাবু বলছেন, 'এটা প্রচারে অবশ্যই ইস্যু হবে৷ তবে মূল বিষয়গুলি তাতে ঢাকা পড়বে না৷'
No comments:
Post a Comment