ষষ্ঠ পর্যায়ের ভোটাভুটির পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে লড়াই তুঙ্গে নিল দলটি
ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ছয় ধাপে ৩৪৯টি আসনে ভোট গৃহীত হওয়ার পর কংগ্রেস ভোট পর্ব শুরু হওয়ার সময়ের তুলনায় এখন অনেক কম ভীতিই অনুভব করছে। জনমত সমীক্ষায় ‘মোদি হাওয়ায়’র ভবিষ্যদ্বাণীতে এবং কংগ্রেস ১০০টি আসনও পাবেন না বলে বিজেপি নেতা এলকে আদভানির ব্লগে দেখানোর কারণে কংগ্রেসে ভীতিভাব সঞ্চার হয়। খবর ইকনোমিকটাইমস অনলাইনের।
কংগ্রেসের রাজ্য ইউনিট এবং দলশাসিত রাজ্য সরকারগুলোর কাছ থেকে ভোট হয়ে যাওয়া নির্বাচনী এলাকাগুলো সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব দল ১৪০টিরও বেশি আসন পাবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করার মতো সাহস দেখাচ্ছে (২০০৯ সালে এর আসন সংখ্যা ছিল ২০৬), এটি হবে প্রথম ইউপিএ সরকার গঠনে সহায়ক হয়েছিল এমন আসন সংখ্যারই ১৪৫ প্রায় সমান। দলীয় সূত্রে ইকনোমিক টাইমসকে একথা বলা হয়।
বিজেপি ১৬তম লোকসভায় সবচেয়ে বড় দল হিসাবে আবির্ভূত হতে পারে বলে স্বীকার করলেও কংগ্রেসের মূল্যায়ন হলো, এবি বাজপেয়ীর নেতৃত্বে ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে দলের প্রাপ্ত রেকর্ডসংখ্যক ১৮২টি আসন দলকে এবার পাইয়ে দিতে মোদিকে কঠিন বেগ পেতে হবে। কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন অনুযায়ী, দলটি দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত ৪৩টি আসন, ১২টি উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যে ৫০টি আসন, পশ্চিমাঞ্চলে ২০টি আসন এবং পূর্ব ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলে ২৫টি আসন পাবে।
নতুন সূচনাবোধ করে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি (এআইসিসি) ভোটগ্রহণের বাকি রয়েছে এমন ১৯৪টি আসনে সর্বশক্তি নিয়োজিত করতে প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে। দলটি লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে সামগ্রিকভাবে ১৪০টিরও বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ কংগ্রেস মনে করে, অনেক আসনেই বিজেপির সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে এটি বিজেপির ১৯০-২০০ আসনের জয়ী হওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে পারে। এটিও সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর সন্তানদের কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার অভিযান নতুন করে এখন এত তুঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। ছয়দফার ভোটাভুটির পর অভ্যন্তরীণ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে দলটি এর সামগ্রিক লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব স্বীকার করেন যে, ইউপিএম সরকার দু’মেয়াদে ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার বিশেষত মধ্যবিত্ত শ্রেণীগুলোর মধ্যে কংগ্রেস বিরোধী মনোভাব রয়েছে এবং মোদি ‘সবচেয়ে আক্রমণাত্মক, দৃশ্যমান ও উদ্যমী প্রচার’ চালাতে সফল হয়েছেন। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মোদির অগ্রগতির পথে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
হিন্দু ভোটারদের এক সুসংহত ভোট ব্যাংকে পরিণত করতে গ্রামীণ সমাজে জাতপাত নির্বিচারের সবার সমর্থন পেতে বিজেপির প্রচার ব্যর্থ হচ্ছে। এআইসিসির এক কর্মকর্তা বলেন, মোদির পরিকল্পনার মূল কথা ছিল জাতপাত নির্বিশেষে এক অখন্ড হিন্দু ভোটব্যাংক গড়ে তুলতে আরএসএসয়ের দৃষ্টিকে কাজে লাগানো। কিন্তু দলিত ও অন্য পশ্চাদপদ শ্রেণীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশে এবং হিন্দুদের মধ্যকার প্রথাগত বিজেপি বিরোধী অংশগুলো কোন মোদি হাওয়াতে গা ভাসিয়ে দিতে এখনও পর্যন্ত অস্বীকার করছে। ওই ব্যক্তি বলেন, আমাদের মূল্যায়ন হলো, যাদবদের সংখ্যাগরিষ্ঠ এখনও উত্তর প্রদেশের মোলায়েম এবং বিহারের লালু প্রসাদের পাশে রয়েছে যদিও মোদি এসব রাজ্যের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন।
কংগ্রেসের রাজ্য ইউনিট এবং দলশাসিত রাজ্য সরকারগুলোর কাছ থেকে ভোট হয়ে যাওয়া নির্বাচনী এলাকাগুলো সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব দল ১৪০টিরও বেশি আসন পাবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করার মতো সাহস দেখাচ্ছে (২০০৯ সালে এর আসন সংখ্যা ছিল ২০৬), এটি হবে প্রথম ইউপিএ সরকার গঠনে সহায়ক হয়েছিল এমন আসন সংখ্যারই ১৪৫ প্রায় সমান। দলীয় সূত্রে ইকনোমিক টাইমসকে একথা বলা হয়।
বিজেপি ১৬তম লোকসভায় সবচেয়ে বড় দল হিসাবে আবির্ভূত হতে পারে বলে স্বীকার করলেও কংগ্রেসের মূল্যায়ন হলো, এবি বাজপেয়ীর নেতৃত্বে ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে দলের প্রাপ্ত রেকর্ডসংখ্যক ১৮২টি আসন দলকে এবার পাইয়ে দিতে মোদিকে কঠিন বেগ পেতে হবে। কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন অনুযায়ী, দলটি দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত ৪৩টি আসন, ১২টি উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যে ৫০টি আসন, পশ্চিমাঞ্চলে ২০টি আসন এবং পূর্ব ও উত্তরপূর্ব অঞ্চলে ২৫টি আসন পাবে।
নতুন সূচনাবোধ করে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি (এআইসিসি) ভোটগ্রহণের বাকি রয়েছে এমন ১৯৪টি আসনে সর্বশক্তি নিয়োজিত করতে প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে। দলটি লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে সামগ্রিকভাবে ১৪০টিরও বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ কংগ্রেস মনে করে, অনেক আসনেই বিজেপির সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে এটি বিজেপির ১৯০-২০০ আসনের জয়ী হওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে পারে। এটিও সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর সন্তানদের কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার অভিযান নতুন করে এখন এত তুঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। ছয়দফার ভোটাভুটির পর অভ্যন্তরীণ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে দলটি এর সামগ্রিক লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব স্বীকার করেন যে, ইউপিএম সরকার দু’মেয়াদে ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার বিশেষত মধ্যবিত্ত শ্রেণীগুলোর মধ্যে কংগ্রেস বিরোধী মনোভাব রয়েছে এবং মোদি ‘সবচেয়ে আক্রমণাত্মক, দৃশ্যমান ও উদ্যমী প্রচার’ চালাতে সফল হয়েছেন। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মোদির অগ্রগতির পথে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
হিন্দু ভোটারদের এক সুসংহত ভোট ব্যাংকে পরিণত করতে গ্রামীণ সমাজে জাতপাত নির্বিচারের সবার সমর্থন পেতে বিজেপির প্রচার ব্যর্থ হচ্ছে। এআইসিসির এক কর্মকর্তা বলেন, মোদির পরিকল্পনার মূল কথা ছিল জাতপাত নির্বিশেষে এক অখন্ড হিন্দু ভোটব্যাংক গড়ে তুলতে আরএসএসয়ের দৃষ্টিকে কাজে লাগানো। কিন্তু দলিত ও অন্য পশ্চাদপদ শ্রেণীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশে এবং হিন্দুদের মধ্যকার প্রথাগত বিজেপি বিরোধী অংশগুলো কোন মোদি হাওয়াতে গা ভাসিয়ে দিতে এখনও পর্যন্ত অস্বীকার করছে। ওই ব্যক্তি বলেন, আমাদের মূল্যায়ন হলো, যাদবদের সংখ্যাগরিষ্ঠ এখনও উত্তর প্রদেশের মোলায়েম এবং বিহারের লালু প্রসাদের পাশে রয়েছে যদিও মোদি এসব রাজ্যের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন।
No comments:
Post a Comment