আতঙ্ক নয় দমন প্রয়োজন ॥ জায়ান্ট মিলিবাগ
সুবোধ চন্দ্র ঢালী
জায়ান্ট মিলিবাগ একটি পোকার নাম। মূল আবাসভূমি আফ্রিকা হলেও হালে ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ডসহ আশপাশের দেশেও এর দেখা মিলছে। বাংলাদেশেও দেখা দিয়েছে দু-তিন বছর হলো। সপ্তাহখানেক ধরে ঢাকার গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ক্যাম্পাসে হাজার হাজার জায়ান্ট মিলিবাগ পোকার পদচারণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বেইলি স্কোয়ার অফিসার্স কোয়ার্টারসহ কয়েকটি স্পট, সাভার, টাঙ্গাইল, জামালপুরের সরিষাবাড়ি ও ঠাকুরগাঁওয়ে এ পোকা দেখা যাচ্ছে।
এগুলো ফলদ ও কাঠজাতীয় বৃক্ষের জন্য ক্ষতিকর, মানুষের জন্য আতঙ্কের কোন বিষয় নয়। আমাদের দেশের কীটপতঙ্গ বিশেষজ্ঞগণের মধ্যে অনেকেই এ পোকার ওপর দেশ-বিদেশে গবেষণা করেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের আশান্বিত করছে।
ঢাকার আজিমপুর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রচুর জায়ান্ট মিলিবাগ পোকা দেখা যাচ্ছে। সাত-আট তলা ভবনের সমান উঁচু বিশাল এক রেইনট্রি গাছের সবটা দখল করে নিয়েছে তারা। সেখান থেকে তাদের বিচরণক্ষেত্র সম্প্রসারিত করেছে ক্লাসরুম, করিডর, আবাসিক এলাকা, ড্রেনসহ ক্যাম্পাসের প্রায় সব গাছে। একটি নয়, দুটি নয়; হাজার হাজার, লাখ লাখ পোকা। সংখ্যা এদের বাড়বে না কেন! অদ্ভুত প্রজনন ক্ষমতা তাদের। একেকটি পোকা একবারে তিন-চার শ’ ডিম দেয়। ডিম পাড়ার জন্য পোকাগুলোকে মাটিতে আসতে হয়। এক থেকে দেড় সে.মি. গভীরে তারা ডিম পাড়ে। ডিম থেকে বেরিয়ে আবার গাছে চড়ে। পূর্ণবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত গাছেই অবস্থান করে। আম, জাম, নারকেল, কাঁঠাল, পেঁপে, কলা, বেগুন, লেবু, রেইনট্রি ধরনের উদ্ভিদের কচিপাতা, কচি ডগা, ফুলের কুঁড়ি ও ফলের রস এদের প্রিয় খাদ্য।
বহু উদ্ভিদভোজী এ পোকার খাবার পদ্ধতিও অদ্ভুত। এগুলো চোষক পোকা। মুখের দিকটা বেশ শক্ত। গাছের নরম অংশে মুখ ঢুকিয়ে রস খায়। এতে গাছের খুব ক্ষতি হয়। গাছ আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পড়ে। ফুলগুলো শুকিয়ে যায় এবং কুঁড়িগুলো ঝরে পড়ে। কচি ফল নষ্ট হয়। গাছের ডাল শুকিয়ে যায় এবং অনেক সময় পুরো গাছও মরে যায়।
পোকাগুলো যে শুধু গাছেরই ক্ষতি করে তা নয়। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এ পোকার গায়ে অনেক পাউডার জাতীয় পদার্থ আছে। আবার কোনভাবে পোকাগুলো পিষে গেলে হলুদাভ তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে। এ পাউডার বা তরল মানুষের গায়ে লাগলে লাল হয়ে যায়, ফোস্কা পড়ে, চুলকানি হয়, এলার্জি দেখা যায়।
কীট বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শ্বাসকষ্টও হতে পারে এতে। বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা নেয়া যেতে পারে। পাশাপাশি আরও নিবিড় গবেষণা চালানো প্রয়োজন।
পোকাগুলো ডিম্বাকৃতি, এক থেকে তিন সে.মি. লম্বা এবং সাদাটে রঙের। দেখতে ঠিক বাচ্চা তেলাপোকার মতো। অনেকগুলো পা আছে। চলে খুব আস্তে আস্তে। সহজে বোঝা যায় না। জায়ান্ট মিলিবাগের পাখা নেই, তারা উড়তে পারে না।
গত ১৬ এপ্রিল পোকার আক্রমণের বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নজরে আনলে মন্ত্রী তৎক্ষণাৎ কলেজ ক্যাম্পাস সরেজমিন ঘুরে দেখেন। শিক্ষক-ছাত্রীদের সাহস যোগান। তিনি বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনটি বিশেষজ্ঞ টিমকে জরুভিত্তিতে সরেজমিন পর্যবেক্ষনের আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আবুল বাশার ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. মো. রজ্জব আলীর নেতৃত্বে দুটি টিম ১৭ এপ্রিল কাজ শুরু করে। পরের দিন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও নমুনা সংগ্রহ করে। তারা খুব দ্রুত প্রাথমিক মতামত দেন।
দেশের কয়েকটি স্থানে পোকটির উপস্থিতি নজরে এসেছে। তাই বলে এটি যে দেশের আর কোনো স্থানে নেই তা নিশ্চিত করে বলা ঠিক হবে না। কোথায় কোথায় এ পোকার বিস্তার ঘটেছে ও কোন মাত্রায় ছড়িয়েছে এ বিষয়ে কৃষি বিভাগসহ সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন।
সারাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশিরা। অবিরাম যাতায়াত চলছে দেশ-বিদেশে। প্রতিনিয়ত বিদেশিরাও আসছেন এই দেশে। কারও না কারও সঙ্গে এ জায়ান্ট মিলিবাগ আমাদের দেশে এসেছে। হতে পারে কারও লাগেজে বা অন্য কিছুর সঙ্গে। এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার নিজেদের।
বিশেষজ্ঞ টিম জানিয়েছে উষ্ণ আবহাওয়া এই পোকার জন্য অনুকূল। বৃষ্টিতে এদের উপদ্রব কমে যায়। এসব পোকা দমনে বিশেষজ্ঞ টিম বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রথমত পোকা মারতে হবে। পোকা সংগ্রহ করে কমপক্ষে দেড়-দুই ফুট মাটির নিচে পুতে বা পুড়িয়ে মারা। এছাড়া গাছের গোড়ার চারদিকের মাটিতে কীটনাশক ছিটাতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে গাছের গোড়ার চারদিকে এসএস শিট বা প্লাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে ঘিরে দিতে হবে। কীটনাশক হিসেবে ক্লাসিক বা ডার্সব্যান বা ফিপরোপিল প্রতি লিটার পানিতে পাঁচ এমএল মিশিয়ে ছিটাতে হবে।
এ পোকা যেহেতু মানুষের স্বাস্থ্যের চেয়ে ফলজ বৃক্ষ ও অন্যান্য বৃক্ষের ক্ষতি বেশি করে, বিষয়টির প্রতি তাই কৃষি মন্ত্রণালয়ের নজর দেওয়া প্রয়োজন। এদের জন্ম, খাদ্যসহ জীবনচক্র ও আচরণের ওপর আবহাওয়া প্রভাব সম্পর্কে জানতে হবে। কোন কোন কীটনাশক এদের ওপর সবচেয়ে বেশি কার্যকর তাও নির্ধারণ করতে হবে। কাজটি দেশের কীট গবেষকদের।
আশার কথা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েকজন মিলিবাগ গবেষক রয়েছেন। যাদের রয়েছে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা। তাদের অধিকতর গবেষণা এ ধরনের হুমকি থেকে রেহাই দিতে পারবে– এ প্রত্যাশা সকলের।
লেখক: কৃষিবিদ
উপ-প্রধান তথ্য অফিসার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
এগুলো ফলদ ও কাঠজাতীয় বৃক্ষের জন্য ক্ষতিকর, মানুষের জন্য আতঙ্কের কোন বিষয় নয়। আমাদের দেশের কীটপতঙ্গ বিশেষজ্ঞগণের মধ্যে অনেকেই এ পোকার ওপর দেশ-বিদেশে গবেষণা করেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের আশান্বিত করছে।
ঢাকার আজিমপুর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রচুর জায়ান্ট মিলিবাগ পোকা দেখা যাচ্ছে। সাত-আট তলা ভবনের সমান উঁচু বিশাল এক রেইনট্রি গাছের সবটা দখল করে নিয়েছে তারা। সেখান থেকে তাদের বিচরণক্ষেত্র সম্প্রসারিত করেছে ক্লাসরুম, করিডর, আবাসিক এলাকা, ড্রেনসহ ক্যাম্পাসের প্রায় সব গাছে। একটি নয়, দুটি নয়; হাজার হাজার, লাখ লাখ পোকা। সংখ্যা এদের বাড়বে না কেন! অদ্ভুত প্রজনন ক্ষমতা তাদের। একেকটি পোকা একবারে তিন-চার শ’ ডিম দেয়। ডিম পাড়ার জন্য পোকাগুলোকে মাটিতে আসতে হয়। এক থেকে দেড় সে.মি. গভীরে তারা ডিম পাড়ে। ডিম থেকে বেরিয়ে আবার গাছে চড়ে। পূর্ণবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত গাছেই অবস্থান করে। আম, জাম, নারকেল, কাঁঠাল, পেঁপে, কলা, বেগুন, লেবু, রেইনট্রি ধরনের উদ্ভিদের কচিপাতা, কচি ডগা, ফুলের কুঁড়ি ও ফলের রস এদের প্রিয় খাদ্য।
বহু উদ্ভিদভোজী এ পোকার খাবার পদ্ধতিও অদ্ভুত। এগুলো চোষক পোকা। মুখের দিকটা বেশ শক্ত। গাছের নরম অংশে মুখ ঢুকিয়ে রস খায়। এতে গাছের খুব ক্ষতি হয়। গাছ আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পড়ে। ফুলগুলো শুকিয়ে যায় এবং কুঁড়িগুলো ঝরে পড়ে। কচি ফল নষ্ট হয়। গাছের ডাল শুকিয়ে যায় এবং অনেক সময় পুরো গাছও মরে যায়।
পোকাগুলো যে শুধু গাছেরই ক্ষতি করে তা নয়। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এ পোকার গায়ে অনেক পাউডার জাতীয় পদার্থ আছে। আবার কোনভাবে পোকাগুলো পিষে গেলে হলুদাভ তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে। এ পাউডার বা তরল মানুষের গায়ে লাগলে লাল হয়ে যায়, ফোস্কা পড়ে, চুলকানি হয়, এলার্জি দেখা যায়।
কীট বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শ্বাসকষ্টও হতে পারে এতে। বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা নেয়া যেতে পারে। পাশাপাশি আরও নিবিড় গবেষণা চালানো প্রয়োজন।
পোকাগুলো ডিম্বাকৃতি, এক থেকে তিন সে.মি. লম্বা এবং সাদাটে রঙের। দেখতে ঠিক বাচ্চা তেলাপোকার মতো। অনেকগুলো পা আছে। চলে খুব আস্তে আস্তে। সহজে বোঝা যায় না। জায়ান্ট মিলিবাগের পাখা নেই, তারা উড়তে পারে না।
গত ১৬ এপ্রিল পোকার আক্রমণের বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নজরে আনলে মন্ত্রী তৎক্ষণাৎ কলেজ ক্যাম্পাস সরেজমিন ঘুরে দেখেন। শিক্ষক-ছাত্রীদের সাহস যোগান। তিনি বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনটি বিশেষজ্ঞ টিমকে জরুভিত্তিতে সরেজমিন পর্যবেক্ষনের আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আবুল বাশার ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. মো. রজ্জব আলীর নেতৃত্বে দুটি টিম ১৭ এপ্রিল কাজ শুরু করে। পরের দিন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে আরেকটি বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও নমুনা সংগ্রহ করে। তারা খুব দ্রুত প্রাথমিক মতামত দেন।
দেশের কয়েকটি স্থানে পোকটির উপস্থিতি নজরে এসেছে। তাই বলে এটি যে দেশের আর কোনো স্থানে নেই তা নিশ্চিত করে বলা ঠিক হবে না। কোথায় কোথায় এ পোকার বিস্তার ঘটেছে ও কোন মাত্রায় ছড়িয়েছে এ বিষয়ে কৃষি বিভাগসহ সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন।
সারাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশিরা। অবিরাম যাতায়াত চলছে দেশ-বিদেশে। প্রতিনিয়ত বিদেশিরাও আসছেন এই দেশে। কারও না কারও সঙ্গে এ জায়ান্ট মিলিবাগ আমাদের দেশে এসেছে। হতে পারে কারও লাগেজে বা অন্য কিছুর সঙ্গে। এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার নিজেদের।
বিশেষজ্ঞ টিম জানিয়েছে উষ্ণ আবহাওয়া এই পোকার জন্য অনুকূল। বৃষ্টিতে এদের উপদ্রব কমে যায়। এসব পোকা দমনে বিশেষজ্ঞ টিম বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রথমত পোকা মারতে হবে। পোকা সংগ্রহ করে কমপক্ষে দেড়-দুই ফুট মাটির নিচে পুতে বা পুড়িয়ে মারা। এছাড়া গাছের গোড়ার চারদিকের মাটিতে কীটনাশক ছিটাতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে গাছের গোড়ার চারদিকে এসএস শিট বা প্লাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে ঘিরে দিতে হবে। কীটনাশক হিসেবে ক্লাসিক বা ডার্সব্যান বা ফিপরোপিল প্রতি লিটার পানিতে পাঁচ এমএল মিশিয়ে ছিটাতে হবে।
এ পোকা যেহেতু মানুষের স্বাস্থ্যের চেয়ে ফলজ বৃক্ষ ও অন্যান্য বৃক্ষের ক্ষতি বেশি করে, বিষয়টির প্রতি তাই কৃষি মন্ত্রণালয়ের নজর দেওয়া প্রয়োজন। এদের জন্ম, খাদ্যসহ জীবনচক্র ও আচরণের ওপর আবহাওয়া প্রভাব সম্পর্কে জানতে হবে। কোন কোন কীটনাশক এদের ওপর সবচেয়ে বেশি কার্যকর তাও নির্ধারণ করতে হবে। কাজটি দেশের কীট গবেষকদের।
আশার কথা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েকজন মিলিবাগ গবেষক রয়েছেন। যাদের রয়েছে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা। তাদের অধিকতর গবেষণা এ ধরনের হুমকি থেকে রেহাই দিতে পারবে– এ প্রত্যাশা সকলের।
লেখক: কৃষিবিদ
উপ-প্রধান তথ্য অফিসার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
No comments:
Post a Comment