ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি ফরিদপুরের (বর্তমানে বাংলাদেশে) সফলাডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর ‘গার্হস্হ্য শাম্তি ও সামাজিক ন্যায়’-এর প্রতিষ্ঠা দাবি করে যে আন্দোলন শুরু করেন, তাঁর মৃত্যুর (১৮৭৮ খ্রিঃ) ১৩৬ বছর পর সেই আন্দোলনই আজ এক গৃহযুদ্ধের মুখে৷ এই গৃহযুদ্ধের প্রাঙ্গণ বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্র৷ এই কেন্দ্রে আজ যে ৪ জন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পরস্পরের মুখোমুখি, তাঁদের দু’জন– কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর ও কৃষ্ণদাস বিশ্বাস– হরিচাঁদ প্রতিষ্ঠিত ‘মতুয়া’ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের দুই প্রধান নেতা৷ কপিলকৃষ্ণের পতাকা ঘাসফুল, কৃষ্ণদাসের পদ্মফুল৷ এই দুই ফুলের লড়াইয়ের ফাঁক দিয়ে মার্কসীয় তত্ত্বে বিশ্বাসী ইলেকট্রনিক্সের পিএইচ ডি দেবেশ দাস সম্ভবত সুযোগ পাচ্ছেন প্রমাণের যে, জাতপাত নয়, শ্রেণীই ঠিক করে সামাজিক ন্যায় ও সাম্য৷ এই দৌড়ে ‘হাত’কে সম্বল করে যে গেরস্ত বধূ ইলা মণ্ডল সামিল, তাঁর পক্ষে ফিনিশিং টেপ ছোঁয়া প্রায় দুঃসাধ্য৷
গোড়াতেই বলে রাখি, ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বনগাঁ বলে কোনও লোকসভা কেন্দ্র ছিল না৷ ২০০৪-এর নির্বাচনে বনগাঁ ছিল বারাসত কেন্দ্রের ভেতর৷ ২০০৯-এর আসন পুনর্বিন্যাসের পর ৭টি তফসিলি জাতিভুক্ত বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে বনগাঁ গঠিত হয়৷ রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে বেশ কয়েকটি তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত হলেও বনগাঁর মতো কোনওটি নয়৷ কারণ, এই লোকসভা কেন্দ্রের ৭টি বিধানসভার প্রতিটি তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত৷ এই ৭টি বিধানসভা হল কল্যাণী, হরিণঘাটা, বাগদা, বনগাঁ (উত্তর), বনগাঁ (দক্ষিণ), গাইঘাটা ও স্বরূপনগর৷ প্রায় সওয়া পনেরো লাখ ভোটারের এই কেন্দ্রে ৫২ থেকে ৫৩ শতাংশই সেই হরিচাঁদ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত ‘মতুয়া’ সম্প্রদায়ের৷
হরিচাঁদ এই ধর্মমত প্রচার করতে গিয়ে সেকালে স্হানীয় জমিদারের বিরাগভাজন হন৷ ফলে সফলাডাঙা ছেড়ে ফরিদপুরের ওড়াকান্দি গ্রামে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন৷ শিখধর্মের দশম গুরু গোবিন্দ সিংহের মতো মতুয়াদের মধ্যে একাত্মবোধ গড়ে তোলার জন্য তিনি শিষ্যদের হাতে তুলে দেন লাল নিশান, শিঙা, জয়ডঙ্কা ও কাঁসি৷ হরিচাঁদের প্রয়াণের পর তাঁর ছেলে ঠাকুর গুরুচাঁদ মতুয়াদের হিন্দুসমাজের অগ্রসর শ্রেণীর সমকক্ষ করার জন্য শিক্ষার ওপর জোর দেন৷ অনেক চেষ্টার পর ওড়াকান্দিতে একটি স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেন৷ শুধু তাই নয়, নানা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯০৭ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের গভর্নর জেনারেলের হাতে একটি দাবিপত্র তুলে দিতে সক্ষম হন৷ সেই দাবিপত্রকে মান্যতা দিয়ে ১৯১১ সালের জনগণনায় নমঃশূদ্ররা তফসিলভুক্ত জাতির মর্যাদা পান৷ গুরুচাঁদ মারা যান ১৯৩৭ সালে৷ তাঁর ছেলে শশীভূষণ যিনি সাব-রেজিস্ট্রারের চাকরি করতেন, মান্যতা পান গুরুপদের৷ মাত্র ৫০ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়৷ তাঁর মৃত্যুতে মতুয়াদের গুরুপদ বর্তায় তাঁরই ছেলে প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের ওপর৷ পেশায় ব্যারিস্টার প্রমথরঞ্জন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের চতুর্থ মন্ত্রিসভায় (১৯৬২ খ্রিঃ) উপজাতি কল্যাণ বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন৷ ডাঃ রায়ের মৃত্যুর পর প্রফুল্লচন্দ্র সেন তাঁর প্রথম ও শেষ যে মন্ত্রিসভা গঠন করেন ১৯৬২ সালের ৯ জুলাই, তাতেও প্রমথরঞ্জন ছিলেন ওই একই দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী৷ তবে দেড় বছরের মধ্যে কামরাজ প্ল্যানে অজয় মুখার্জি, শঙ্কর দাস ব্যানার্জির মতো তাঁরও চাকরি যায়৷ তারপর আর কোনও মন্ত্রিসভায় তাঁর ডাক পড়েনি৷ মতুয়া সম্প্রদায় ও রাজ্য-রাজনীতিতে পি আর ঠাকুর নামে এই মানুষটিই কিন্তু দেশবিভাগের পর ফরিদপুর, খুলনা, যশোর, বরিশাল ইত্যাদি জেলার লাখ লাখ উদ্বাস্তু মতুয়াদের নিয়ে এ বঙ্গে আসেন৷ মতুয়া মহাসঙেঘর হিসাবে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশে মতুয়াদের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি৷ তাঁর মধ্যে ৭ থেকে ৮ লাখের বাস উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমায়৷
পি আর ঠাকুর মারা যান ১৯৯০ সালে৷ তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী বীণাপাণিদেবী, যিনি ‘বড়মা’ নামে পরিচিত, তিনি আজ মতুয়াদের গার্জেন অ্যাঞ্জেলের মর্যাদাধন্য৷ বড়মার বয়স আজ ৯৪৷ তাঁর তিন ছেলে– কপিলকৃষ্ণ, বয়স ৭৪, মেজো মৃদুলকৃষ্ণ অকালপ্রয়াত, ছোট মঞ্জুলকৃষ্ণ মমতা ব্যানার্জির মন্ত্রিসভার সদস্য৷
বনগাঁ মহকুমায় মতুয়াদের প্রাধান্য বর্ণহিন্দু রাজনীতিকদের মধ্যে প্রথম যাঁর চোখে পড়ে, তিনি হলেন মমতার স্নেহধন্য ‘বালু’ অর্থাৎ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ সংরক্ষিত হওয়ার আগে বালু পর পর দু’বার গাইঘাটা থেকে বিধানসভায় নির্বাচিত হন৷ গোড়া থেকেই বালু বনগাঁর অদূরে ঠাকুরনগরের দেবী, বড়মার শরণাগত৷ এবং মঞ্জুলকৃষ্ণ এই যোগাযোগের সেতু৷ এম এল এ হওয়ার আগে মঞ্জুলকৃষ্ণ ছিলেন এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের কর্মী৷
বনগাঁ এলাকা ছাড়াও দেশের নানা প্রাম্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন মতুয়ারা৷ একটা বড় অংশ আছে মহারাষ্ট্রের মাও-অধ্যুষিত গড়চিরৌলি জেলায়৷ এবং পাশের চন্দ্রপুরে৷ এঁরা সেই পঞ্চাশের দশকের উদ্বাস্তু, যাঁরা পূর্ববঙ্গে ছিলেন কৃষিজীবী৷ এ রাজ্যে স্হানাভাবের জন্য ডাঃ রায় সে-সময় আন্দামান, দণ্ডকারণ্যে তাঁদের পাঠান৷ সেই সময় একটি দলকে পাঠান মহারাষ্ট্রের ওই অঞ্চলে৷ মতুয়াদের একত্ববোধ বজায় রাখার জন্য পি আর ঠাকুরের দুই ছেলে তাঁদের কাজ ভাগাভাগি করে নেন৷ ঠাকুরনগর-সহ পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব নেন মঞ্জুলকৃষ্ণ, কপিলকৃষ্ণ মহারাষ্ট্রের৷ বছরের বারো আনা সময়ই কপিলের কাটে মহারাষ্ট্রে৷ কিন্তু সম্প্রতি মতুয়া মহাসঙেঘর আয়-ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে কপিলকৃষ্ণ চলে আসেন ঠাকুরনগরে৷
ফি-বছর চৈত্রের মধুকৃষ্ণা চতুর্দশীতে বারুনীর স্নান উপলক্ষে সারা দেশ থেকে লাখ লাখ মতুয়া আসেন ঠাকুরনগরে৷ দুধপুকুরে স্নান করে, বড়মাকে দর্শন করে যে যাঁর সাধ্যমতো নগদ টাকা, সোনাদানা, অর্ঘ্য নিবেদন করেন৷ এত বছর পর প্রশ্ন উঠেছে, ওই কোটি কোটি টাকার হিসাব কোথায়?
এই সব জাগতিক প্রশ্নের মীমাংসা না করে, মহাসঙেঘ মঞ্জুল-বিরোধীদের কথায়, মন্ত্রিমশাই চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে সুব্রতকে লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁর টিকিট দেওয়া হোক৷ এবার যেটা বলছি তা শোনা কথা৷ তবে যা রটে তার কিছু তো বটে৷ বাধা আসে বালু থুড়ি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র পক্ষ থেকে৷ কেন? কারণ সুবোধ্য৷ বালু চান না বনগাঁ বা উত্তর ২৪ পরগনা পরিচিত হোক আর একটা কাঁথি বা পূর্ব মেদিনীপুর হিসেবে, যেখানে অধিকারীদের ছাড়া আর কারও আদেশ বা নির্দেশ গ্রাহ্য হয় না৷ তাই মঞ্জুল কলকাতায় মন্ত্রী, ছেলে সুব্রত দিল্লিতে সাংসদ হলে জেলার বর্তমান ব্যালান্স যে নষ্ট হবে৷ তাই মতুয়া মহাসঙঘ সুব্রতর নাম সুপারিশ করা সত্ত্বেও বড়মাকে ধরে জ্যোতিপ্রিয় খোদ তৃণমূল কর্ত্রীর কাছে কপিলকৃষ্ণের নাম তুলে ধরেন৷ বড়মা যখন চান তখন কর্ত্রীর কোনও আপত্তি নেই৷ কপিল পেলেন ঘাসফুলের বনগাঁর ইজারা৷ আর তখনই দেখা গেল মতুয়া মহাসঙেঘর সম্পাদক কৃষ্ণদাস বিশ্বাস পেলেন পদ্মফুলের সিলমোহর৷ মঞ্জুল-বিরোধীরা বলেন, কৃষ্ণদাসের প্রার্থিপদের অন্যতম ‘গুপ্ত সমর্থক মঞ্জুলই’৷
৬৪ বছর বয়সী কৃষ্ণদাস ১৯৭৪ সালে দৈনিক সাড়ে ৫ টাকার হোমগার্ডের কাজে বহাল হন৷ শুধু শ্রম, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের জোরে ২০১১-তে যখন অবসর নেন, তখন তিনি একটি ইউনিটের কমান্ডান্ট৷ পদমর্যাদায় জেলার পুলিস সুপারের সমতুল৷ শেষ বেতন পেয়েছেন ৩৬ হাজার টাকা৷ হোমগার্ডের পাশাপাশি ২৬ বছর ধরে কৃষ্ণদাস মতুয়া মহাসঙেঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য৷ গোড়ায় ছিলেন সদস্য, পরে সহ-সম্পাদক, আরও পরে যুগ্ম্মসম্পাদক, বর্তমানে সম্পাদক৷ জন্ম বনগাঁ শহরেই৷ বাবা ভুবনমোহন বিশ্বাস ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী ও কৃষ্ণদাসের কথায় ‘পি আর ঠাকুরের পদাশ্রিত’৷ পি আর ঠাকুরই তাঁকে মতুয়া মহাসঙেঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য করেন৷ এর বাইরে যে কথাটি কৃষ্ণদাস প্রকাশ্যে কবুল করেন না, তা হল মহাসঙেঘ তিনি মঞ্জুলকৃষ্ণের অনুগামী৷
রবিবার, ২০ এপ্রিল দুপুর ২টো নাগাদ কৃষ্ণদাসকে পেলাম বনগাঁ শহর থেকে প্রায় বিশ কিলোমিটার দূরে কোদালে নদীর পাড়ে ভুলোট গ্রামের এক ধানীপানী পদ্মফুলে বিশ্বাসী গেরস্হের অঙ্গনে৷ সকাল ৮টা থেকে ১০ ম্যাটাডোরের কনভয়ে জনা ষাটেক দলীয় কর্মী ও নেতাদের নিয়ে রোড শো করতে করতে রোদে পুড়ে ঘেমে-নেয়ে অস্হির৷ কর্মী ও নেতারা দেখলাম কলাইকরা বাটিতে, গামলায় মুড়ি খাচ্ছেন, প্রার্থী পাঞ্জাবি ছেড়ে নিম্নাঙ্গ পাজামায় ঢেকে সারা গায়ে বালতি করে জল ছিটোচ্ছেন৷ বললেন, দারুণ সাড়া পাচ্ছেন৷
একই বক্তব্য কপিলকৃষ্ণেরও৷ গোটা দশেক স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্ল ও দুটি ম্যাটাডরে ওই দিনই রোড শো করেছেন৷ সকালে শুধু এক গ্লাস হরলি‘ ছিল পথ্য৷ পাজামা-পাঞ্জাবির আড়ালে শীর্ণ দেহটি যথেষ্ট ক্লাম্ত৷ ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ ওঠায় বললেন, বি এ পাস সেই ১৯৭৪-এ, যে বছর কৃষ্ণদাস হোমগার্ডে ঢোকেন৷ প্রথম স্ত্রী অমলা তাঁকে ছেড়ে সুইডেনে চিরকালের মতো চলে গেলেও তাঁদের মেয়ে সিলভিয়া আছেন ঠাকুরনগরে৷ বয়স ৪৯, বিবাহিত৷ দ্বিতীয় শ্রী মমতার কল্যাণে আরও তিনটি কন্যা আছে কপিলকৃষ্ণের৷ যথেষ্ট পাওয়ার দেখলাম চশমার৷ দু’চোখে ক্লাম্তি, সম্ভবত এই ভয়াবহ গ্রীষ্মের দাপট আর সহ্য হচ্ছে না৷ সকালের রোড শো শেষ, বিকেলের প্রস্তুতি চলছে৷ তাঁকে সর্বদা ঘিরে ধরে পরামর্শ দিচ্ছেন তৃণমূলের স্হানীয় নামী নেতারা, যাঁদের মধ্যে ওই দিন ছিলেন বনগাঁ (দক্ষিণ)-র এম এল এ সুরজিৎ বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা তৃণমূল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ দাস, সভাধিপতি রহিমা মণ্ডল এবং ধ্যানেশনারায়ণ গুহ৷
আমফুল ও পদ্মফুলের মালির সংখ্যা প্রচুর, পরিচর্যার কোনও ত্রুটি নেই৷ পাশে ‘হাত’-এর ইলা মণ্ডল একটি অটোরিকশা সামনে রেখে দু’টি ম্যাটাডরে কর্মীদের নিয়ে একটি ঠান্ডা মাহিন্দ্রা জাইলোয় নেতাদের সঙ্গী করে ঠা-ঠা পোড়া রোদে ঝাউডাঙা রোড ধরে মাইকে আবেদন জানাচ্ছেন দেখলাম ভোট চেয়ে৷ স্বামী বসিরহাটে সোলাডাঙা গ্রামে একটি ইটভাটার মালিক৷ ব্যস্ত৷ তাই ইলা শিক্ষক-ভ্রাতা মোহনলাল সরকারকে পাশে নিয়ে প্রচার সারছেন৷ একমাত্র মেয়ে তানিয়া বি এ পড়ে৷ মা-ও বি এ পাস৷
প্রচারে সব থেকে নিরুচ্চার এই কেন্দ্রে কাস্তে-হাতুড়ি-তারার প্রার্থী দেবেশ দাস৷ বনগাঁ কেন্দ্রে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেছি দেওয়াল লেখায় পয়লা নম্বরে কপিলকৃষ্ণ, দু’নম্বরে কৃষ্ণদাস৷ তিনে ইলাদেবী৷ ব্যানারেও তাই৷ ইলেকট্রনিক্সের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক কিন্তু জনসংযোগের আসল কাজটি, আমার ধারণায় ইতিমধ্যে করে ফেলেছেন৷ আর তাঁর পক্ষে শাপে বর হয়েছে (যদিও নিরক্ষরবাদী এই মার্কসীয় বস্তুবাদী এসব প্রবচনে আস্হা রাখেন কি না জানি না) মতুয়া মহাসঙেঘর দুই মহারথী দ্বৈরথে অবতীর্ণ হওয়ায়৷ কাটাকুটির খেলায় মতুয়া ভোটাররা শ্যাম ও কুল রাখতে যখন দিশেহারা, তখন গোলাভরা বাম ভোট এই কৃষিপ্রধান কেন্দ্রে হয়ে উঠেছে সব থেকে ডিসাইডিং ফ্যা’র৷
|
No comments:
Post a Comment