কোর্টের নির্দেশে তালা পুর-চেয়ারম্যানের ঘরে
এই সময়, বৈদ্যবাটি: আদালতের নির্দেশে বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিল প্রশাসন৷ বুধবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ শ্রীরামপুরের মহকুমাশাসক মৃণালকান্তি হালদার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পুরসভায় হাজির হন৷ চেয়ারম্যানের ঘরের জিনিসপত্রের সিজার লিস্ট তৈরি করে ঘরে তালা দিয়ে ঘর সিল করে দেন৷ চেয়ারম্যান অজয়প্রতাপ সিং সে সময় দপ্তরে ছিলেন না৷ ভাইস চেয়ারম্যান পিন্টু মাহাতোর সঙ্গে কথা বলেই মৃণালবাবু ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন৷
কিন্ত্ত কেন এ রকম নির্দেশ? পুরসভা সূত্রের খবর, ২০০৬ সালে পুরসভার অস্থায়ী কর্মী এবং বৈদ্যবাটির বাসিন্দা পুতুল দেবনাথ কর্মক্ষেত্রে বেনিয়মের জেরে সাসপেন্ড হয়েছিলেন৷ ২০০৯ সালে মুচলেকা দিয়ে তিনি কাজে যোগ দেন৷ সাসপেন্ড থাকাকালীন বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ২০০৭ সালে একটি মামলা করেন পুতুলদেবী৷ গোটা ঘটনাটি বাম জমানায় ঘটলেও সম্প্রতি সেই মামলায় আদালত পুতুলদেবীর বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাকে৷ কিন্ত্ত পুরসভা সেই টাকা না-দেওয়ায় পুরপ্রধানের ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয় প্রশাসন৷ চেয়ারম্যান অজয় প্রতাপ সিংয়ের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'পুতুল দেবনাথ পুরসভার অস্থায়ী কর্মী৷ স্বীকৃত নন৷ তিনি পুরসভার পে স্কেল অনুযায়ীই বেতন পেয়েছেন৷ কোনও বকেয়া নেই৷ তিনি আদালতকে বিভ্রান্ত করছেন৷ আমরা ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করব৷'
কিন্ত্ত চেয়ারম্যানের ঘর বন্ধ থাকলে পুর-পরিষেবার কাজ চলবে কী করে? অজয়বাবুর জবাব, 'বৈদ্যবাটি পুর এলাকার মানুষের কাছে আমি দায়বদ্ধ৷ প্রয়োজন হলে চাতালে বসেই কাজ করব৷' পুতুলদেবীর বক্তব্য, 'আমি কুড়ি বছর ধরে পুরসভায় কাজ করছি৷ সাসপেন্ড থাকাকালীন তিন বছরের বকেয়া টাকা চেয়ে মামলা করেছি৷ সেটা আমার প্রাপ্য৷' মহকুমাশাসক মৃণালকান্তি হালদার ফোন ধরেননি৷
এই সময়, বৈদ্যবাটি: আদালতের নির্দেশে বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিল প্রশাসন৷ বুধবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ শ্রীরামপুরের মহকুমাশাসক মৃণালকান্তি হালদার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পুরসভায় হাজির হন৷ চেয়ারম্যানের ঘরের জিনিসপত্রের সিজার লিস্ট তৈরি করে ঘরে তালা দিয়ে ঘর সিল করে দেন৷ চেয়ারম্যান অজয়প্রতাপ সিং সে সময় দপ্তরে ছিলেন না৷ ভাইস চেয়ারম্যান পিন্টু মাহাতোর সঙ্গে কথা বলেই মৃণালবাবু ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন৷
কিন্ত্ত কেন এ রকম নির্দেশ? পুরসভা সূত্রের খবর, ২০০৬ সালে পুরসভার অস্থায়ী কর্মী এবং বৈদ্যবাটির বাসিন্দা পুতুল দেবনাথ কর্মক্ষেত্রে বেনিয়মের জেরে সাসপেন্ড হয়েছিলেন৷ ২০০৯ সালে মুচলেকা দিয়ে তিনি কাজে যোগ দেন৷ সাসপেন্ড থাকাকালীন বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ২০০৭ সালে একটি মামলা করেন পুতুলদেবী৷ গোটা ঘটনাটি বাম জমানায় ঘটলেও সম্প্রতি সেই মামলায় আদালত পুতুলদেবীর বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাকে৷ কিন্ত্ত পুরসভা সেই টাকা না-দেওয়ায় পুরপ্রধানের ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয় প্রশাসন৷ চেয়ারম্যান অজয় প্রতাপ সিংয়ের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'পুতুল দেবনাথ পুরসভার অস্থায়ী কর্মী৷ স্বীকৃত নন৷ তিনি পুরসভার পে স্কেল অনুযায়ীই বেতন পেয়েছেন৷ কোনও বকেয়া নেই৷ তিনি আদালতকে বিভ্রান্ত করছেন৷ আমরা ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করব৷'
কিন্ত্ত চেয়ারম্যানের ঘর বন্ধ থাকলে পুর-পরিষেবার কাজ চলবে কী করে? অজয়বাবুর জবাব, 'বৈদ্যবাটি পুর এলাকার মানুষের কাছে আমি দায়বদ্ধ৷ প্রয়োজন হলে চাতালে বসেই কাজ করব৷' পুতুলদেবীর বক্তব্য, 'আমি কুড়ি বছর ধরে পুরসভায় কাজ করছি৷ সাসপেন্ড থাকাকালীন তিন বছরের বকেয়া টাকা চেয়ে মামলা করেছি৷ সেটা আমার প্রাপ্য৷' মহকুমাশাসক মৃণালকান্তি হালদার ফোন ধরেননি৷
No comments:
Post a Comment