আজকালের প্রতিবেদন: সারদার লুকনো টাকা, সম্পদের হদিশ পেতে আরও ৩০ জনকে জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট৷ সেই সব তথ্য যাচাই করতে এর পর সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং ধৃত তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষকে জেরা করা হতে পারে৷ এদিকে সারদার বিষয় নিয়ে বিষ্ণুপুর কেন্দ্রের সি পি এম-এর বহিষ্কৃত প্রাক্তন বিধায়ক আনন্দ বিশ্বাসের সঙ্গে ফের কথা বললেন বিধাননগর কমিশনারেটের আধিকারিকরা৷ প্রায় ঘণ্টা খানেক তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়৷ ই ডি সূত্রে খবর, এখনও পর্যম্ত সারদার ৩৯০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গেছে৷ সেই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কার কাছে, কবে, কোথায় টাকা গেছে জানতে প্রতিটি ট্রানজাকশন খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ এখনও পর্যম্ত সারদা-কাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত বা তথ্য পাওয়া যেতে পারে এমন ৭০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে ই ডি৷ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে৷ বিশদ জানতে আরও অম্তত ৩০ জনের সঙ্গে কথা বলা হবে৷ সুদীপ্ত সেনের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী পিয়ালি এবং ছেলে শুভজিৎকে জেরা করে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে৷ এগুলি যাচাই করে তারপর ই ডি-র গোয়েন্দারা বসবেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে নিয়ে৷ প্রয়োজনে তাঁকে হেফাজতেও নেওয়া হতে পারে৷ জেরা করা হতে পারে কুণাল ঘোষকেও৷ ই ডি সূত্রে খবর, শুভজিতকে জেরা করে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রাম্তের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে সারদার টাকা সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ এ রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রাজ্যের কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে রয়েছে সেই টাকা৷ তাঁদের বলা হয়েছিল তাঁরা সেই টাকা তাঁদের ব্যবসায় খাটাতে পারেন৷ প্রয়োজনে আবার সেই টাকা চেয়ে নেওয়া হবে৷ যদিও কাকে কাকে সেই টাকা দেওয়া হয়েছিল, তা বলেননি শুভজিৎ৷ ই ডি-র গোয়েন্দারা জানার চেষ্টা করছে কারা সেই ব্যবসায়ী৷ জানা গেছে, কাগজ-কলমে চুক্তি করে নয়, মৌখিক কথার ভিত্তিতে সেই টাকা দেওয়া হয়েছিল৷ জানার চেষ্টা চলছে কাদের মাধ্যমে হুন্ডিতে সারদার টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে৷ এদিকে বাগডোগরা থানায় থাকাকালীন গত ৩ মার্চ তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়কে চিঠি দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ৷ বিভাগীয় ও পুলিসি হয়রানি নিয়ে দলীয় হস্তক্ষেপের দাবি করেছিলেন৷ কেন এই চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে ই ডি.
|
No comments:
Post a Comment