ইস্তফা সময়োচিত নয়, কবুল অরবিন্দের
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সময়োচিত ছিল না। নীতিগত ভাবে তা সঠিক হলেও মানুষের মন বুঝতে ভুল হয়েছিল। এমনই বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি অরবিন্দ কেজরিওয়ালের।
গতস্য শোচনা নাস্তি। বর্তমান অবস্থানে হয়তো এমনটাই মনে হচ্ছে আম আদমি পার্টি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে এক একান্ত সাক্ষাত্কারে তিনি জানিয়েছেন, জনলোকপাল বিল পাশে কংগ্রেস ও বিজেপি-র বাধা দেওয়ার কারণে ঝোঁকের মাথায় দিল্লি বিধানসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে প্রকারান্তরে মানুষের সঙ্গে আম আদমি পার্টির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে তাঁদের সাবধান হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন শীর্ষ আপ নেতা।
সাক্ষাত্কারে তিনি দস্তুরমতো আক্ষেপ করেছেন, নীতিগত ভাবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, জনসমক্ষে তার তাত্পর্য তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে দল। তবে গদি ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি ভুল করেননি বলেই এখনও মনে করেন কেজরিওয়াল। তাঁর কথায়, 'নীতিগতভাবে আমরা সঠিক ছিলাম। কিন্তু মানুষ তা ভুল বুঝেছেন। এই জন্য জনসাধারণের সঙ্গে আপ-এর যোগাযোগ সাময়িক ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে কংগ্রেস ও বিজেপি। তারা মানুষকে বুঝিয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার ভয়ে আমরা সরকার ছেড়েছি। আসলে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত্ ছিল।'
মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের সমর্থন হারিয়েছেন কিনা প্রশ্নে কেজরিওয়ালের বক্তব্য, 'দু' ধরনের মানুষ আমাদের সিদ্ধান্তে অখুশি হয়েছেন। এক, যাঁরা আমাদের গোঁড়া সমর্থক।তাঁরা সব কিছুর পরও আমাদেরই ভোট দেবেন। দুই, সেই সমস্ত মানুষ যাঁরা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দিল্লির মখ্যমন্ত্রী এবং নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান। কিন্তু তা হওয়ার নয়। মোদীর নীতির সমালোচনায় আমি বরাবরই মুখর।এই বিষয়টি এঁরা মেনে নিতে পারেননি। ফলে এঁদের ভোট আমরা হারাব। তবে এঁদের সংখ্যা নগন্য।'
বস্তুত নমো সম্পর্কে তাঁর তিক্ততা সাক্ষাত্কারে উগরে দিয়েছেন আপ সুপ্রিমো। তাঁর মতে, মনমোহন সিং ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বিশেষ ফারাক নেই। তাঁর অভিযোগ, এঁরা দু' জনেই সাধারণের রক্ত পান করার নীতি আঁকড়ে চলেন।কেজরিওয়ালের দৃঢ় বিশ্বাস, ইস্তেহারে এফডিআইয়ের প্রবেশ ঠেকানোর কথা চাউর করলেও ক্ষমতায় এলে মোদি তা চালু করবেন। এ ছাড়া, গোধরা কাণ্ডের প্রেক্ষিতে মোদীকে দেশের সবচেয়ে বিপজ্জনক রাজনীতিক বলেও মনে করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
গতস্য শোচনা নাস্তি। বর্তমান অবস্থানে হয়তো এমনটাই মনে হচ্ছে আম আদমি পার্টি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে এক একান্ত সাক্ষাত্কারে তিনি জানিয়েছেন, জনলোকপাল বিল পাশে কংগ্রেস ও বিজেপি-র বাধা দেওয়ার কারণে ঝোঁকের মাথায় দিল্লি বিধানসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে প্রকারান্তরে মানুষের সঙ্গে আম আদমি পার্টির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে তাঁদের সাবধান হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন শীর্ষ আপ নেতা।
সাক্ষাত্কারে তিনি দস্তুরমতো আক্ষেপ করেছেন, নীতিগত ভাবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, জনসমক্ষে তার তাত্পর্য তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে দল। তবে গদি ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি ভুল করেননি বলেই এখনও মনে করেন কেজরিওয়াল। তাঁর কথায়, 'নীতিগতভাবে আমরা সঠিক ছিলাম। কিন্তু মানুষ তা ভুল বুঝেছেন। এই জন্য জনসাধারণের সঙ্গে আপ-এর যোগাযোগ সাময়িক ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে কংগ্রেস ও বিজেপি। তারা মানুষকে বুঝিয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার ভয়ে আমরা সরকার ছেড়েছি। আসলে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত্ ছিল।'
মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের সমর্থন হারিয়েছেন কিনা প্রশ্নে কেজরিওয়ালের বক্তব্য, 'দু' ধরনের মানুষ আমাদের সিদ্ধান্তে অখুশি হয়েছেন। এক, যাঁরা আমাদের গোঁড়া সমর্থক।তাঁরা সব কিছুর পরও আমাদেরই ভোট দেবেন। দুই, সেই সমস্ত মানুষ যাঁরা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দিল্লির মখ্যমন্ত্রী এবং নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান। কিন্তু তা হওয়ার নয়। মোদীর নীতির সমালোচনায় আমি বরাবরই মুখর।এই বিষয়টি এঁরা মেনে নিতে পারেননি। ফলে এঁদের ভোট আমরা হারাব। তবে এঁদের সংখ্যা নগন্য।'
বস্তুত নমো সম্পর্কে তাঁর তিক্ততা সাক্ষাত্কারে উগরে দিয়েছেন আপ সুপ্রিমো। তাঁর মতে, মনমোহন সিং ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বিশেষ ফারাক নেই। তাঁর অভিযোগ, এঁরা দু' জনেই সাধারণের রক্ত পান করার নীতি আঁকড়ে চলেন।কেজরিওয়ালের দৃঢ় বিশ্বাস, ইস্তেহারে এফডিআইয়ের প্রবেশ ঠেকানোর কথা চাউর করলেও ক্ষমতায় এলে মোদি তা চালু করবেন। এ ছাড়া, গোধরা কাণ্ডের প্রেক্ষিতে মোদীকে দেশের সবচেয়ে বিপজ্জনক রাজনীতিক বলেও মনে করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
No comments:
Post a Comment