মানিকচকে আক্রান্ত কমিশন, রিপোর্ট তলব দিল্লির
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মানিকচকে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মীর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল মুখ্য নির্বাচন কমিশন। আজ সকালে তৃণমূল কর্মীদের হাতে কমিশনের আধিকারিক অজিত দাস আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিল্লির গোচরে আসতেই বিকেলে এ নিয়ে রিপোর্ট তলব করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে মালদার মানিকচকে আক্রান্ত হন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক অজিত দাস। অভিযোগ, বাইক মিছিল থামাতে গেলে তাঁর উপর চড়াও হয় তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু সমর্থক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মালদা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন স্বয়ং। ঘটনায় বিডিওর রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন মালদার জেলাশাসক।
লোকসভা নির্বাচনের প্রচার পর্বে রাজ্যে বাইক মিছিল নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ এমনই একটি মিছিলের খবর পান নির্বাচন কমিশনের কর্মিরা। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থালে পৌঁছে যান তাঁরা। তৃণমূল সমর্থকদের বাইক র্যালি থামানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। পাশাপাশি, প্রমাণ হিসাবে মিছিলের ছবি তোলার ব্বস্থাও করা হয়। কিন্তু তাতে ফল হয় উল্টো। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক অজিত দাসের সঙ্গে বচসা বাধে মালদা দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেনের। এই সময়েই কমিশন আধিকারিকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক। শুরু হয় মারধর। ভেঙে ফেলা হয় ক্যামেরা।
কমিশন কর্মিকে নিগ্রহের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট বিডিওর কাছে ইতিমধ্যে তলব করেছেন মালদার জেলাশাসক। এদিকে, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে ইতিমধ্যে দাবি জানিয়েছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। মিছিলে নয়, তিনি গাড়িতে ছিলেন বলে তাঁর দাবি।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচার ঘিরে এর আগেই হাওড়া ও হাবরায় কমিশন কর্মিদের উপর তৃণমূল সমর্থকদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী, মানিকচেই কিছুদিন আগে দেওয়াল লিখন কেন্দ্র করে গন্ডগোল হয়। সেই ঘটনাতেও জড়ায় তৃণমূলের নাম। ঘটনার জেরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সম্প্রতি বদলি হয়েছেন মালদার এসপি রাজেশ যাদব। তবে ওই ঘটনায় অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি রাজ্য প্রশাসন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বেশ কিছু প্রশাসনিক কর্তাকে বদলি করা নিয়ে ফের কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিক ভাবে কমিশনের নির্দেশ মেনে আধিকারিকদের বদলি কার্যকর করা হবে না বললেও শেষ পর্যন্ত পিছু হঠেন মমতা। কিন্তু বুধবার ফের কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। স্পষ্ট জানান, কংগ্রেসের ইন্ধনে রাজ্যের শাসকদলকে বিব্রত করার কৌশল গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
অন্য দিকে, সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য রবীন দেব এদিনের ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, "মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে অরাজকতা চলেছে।"
বৃহস্পতিবার সকালে মালদার মানিকচকে আক্রান্ত হন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক অজিত দাস। অভিযোগ, বাইক মিছিল থামাতে গেলে তাঁর উপর চড়াও হয় তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু সমর্থক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মালদা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন স্বয়ং। ঘটনায় বিডিওর রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন মালদার জেলাশাসক।
লোকসভা নির্বাচনের প্রচার পর্বে রাজ্যে বাইক মিছিল নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ এমনই একটি মিছিলের খবর পান নির্বাচন কমিশনের কর্মিরা। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থালে পৌঁছে যান তাঁরা। তৃণমূল সমর্থকদের বাইক র্যালি থামানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। পাশাপাশি, প্রমাণ হিসাবে মিছিলের ছবি তোলার ব্বস্থাও করা হয়। কিন্তু তাতে ফল হয় উল্টো। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক অজিত দাসের সঙ্গে বচসা বাধে মালদা দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেনের। এই সময়েই কমিশন আধিকারিকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক। শুরু হয় মারধর। ভেঙে ফেলা হয় ক্যামেরা।
কমিশন কর্মিকে নিগ্রহের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট বিডিওর কাছে ইতিমধ্যে তলব করেছেন মালদার জেলাশাসক। এদিকে, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে ইতিমধ্যে দাবি জানিয়েছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। মিছিলে নয়, তিনি গাড়িতে ছিলেন বলে তাঁর দাবি।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচার ঘিরে এর আগেই হাওড়া ও হাবরায় কমিশন কর্মিদের উপর তৃণমূল সমর্থকদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী, মানিকচেই কিছুদিন আগে দেওয়াল লিখন কেন্দ্র করে গন্ডগোল হয়। সেই ঘটনাতেও জড়ায় তৃণমূলের নাম। ঘটনার জেরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সম্প্রতি বদলি হয়েছেন মালদার এসপি রাজেশ যাদব। তবে ওই ঘটনায় অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি রাজ্য প্রশাসন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বেশ কিছু প্রশাসনিক কর্তাকে বদলি করা নিয়ে ফের কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিক ভাবে কমিশনের নির্দেশ মেনে আধিকারিকদের বদলি কার্যকর করা হবে না বললেও শেষ পর্যন্ত পিছু হঠেন মমতা। কিন্তু বুধবার ফের কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। স্পষ্ট জানান, কংগ্রেসের ইন্ধনে রাজ্যের শাসকদলকে বিব্রত করার কৌশল গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
অন্য দিকে, সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য রবীন দেব এদিনের ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, "মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে অরাজকতা চলেছে।"
No comments:
Post a Comment