অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি নামল ঢাকায়
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
স্টাফ রিপোর্টার ॥ কাঠফাটা গরমে অতিষ্ঠ রাজধানীতে অবশেষে নামল স্বস্তির বৃষ্টি। বিকেলে মিরপুর, গুলশান অঞ্চল আঁধার করে কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। এরপর ফোঁটা ফোঁটা থেকে নামল আকাশভাঙ্গা বৃষ্টি। প্রশান্তি ফিরে পেল রাজধানীবাসী। দীর্ঘ দাবদাহের পর বৃষ্টি ও ঠা-া বাতাসে স্বস্তি ফিরে পেল ঢাকাবাসী। শনিবার রাজধানীসহ দেশের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীতে মগবাজার, মিরপুর ও গুলশান এলাকায় হালকা ধরনের বৃষ্টি হয়। কেউ কেউ বৃষ্টিতে ভিজে আনন্দ-উল্লাস করতে থাকে। শনিবার রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র তাপমাত্রা হ্রাস পায়। আজ রবিবারও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। আর আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আজ রবিবার কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। যদিও রাজশাহী ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র এবং রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মাইজদীকোর্ট ও ফেনী অঞ্চলসহ ঢাকা, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বাকি অংশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
শনিবার বিকেলে রাজধানীতে ডাকল মেঘ, নামল বৃষ্টি। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে এ অবস্থা চলতে থাকে। বইতে শুরু করে ঠা-া বাতাস। প্রশান্তির বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিল রাজধানীবাসী। নগরবাসীকে একেবারে হতাশ করেনি। গুলশান ও মিরপুরসহ কিছু এলাকায় নেমে আসে বৃষ্টি। রাজধানীর মিরপুরে শনিবার বিকেলে এক পশলা বৃষ্টি নেমে আসে। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মিরপুরের উত্তর-পশ্চিম আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে। এই মেঘ দ্রতই অন্যান্য দিকে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়। এর কিছু সময় পরই বজ্রবিদ্যুতসহ বৃষ্টি হয়। রাত সোয়া আটটার দিকে বৃষ্টি নেমে আসে মগবাজার এলাকায়। ধুলো ভিজে রূপ নেয় কাদা মাটিতে। পাশাপাশি চলতে থাকে মেঘের গর্জন।
এদিকে রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র অনুভূত হয় তীব্র গরম। তপ্ত দহনে অতিষ্ঠ দেশবাসী। পথচারীরা আগুনের হল্কা ছুঁয়ে চলাফেরা করে। ঘন ঘন লোডশেডিং ও পানির সঙ্কটে শনিবারও খরতাপের তীব্রতা টের পায় শহরবাসী। অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়মিত জেনারেটর চালানোর ব্যবস্থা না থাকাতে চিকিৎসাধীন রোগীরা দুর্ভোগে পড়ে। এতে ফ্যান বিক্রেতাদের মুখে ফোটে হাসি। সব ধরনের ফ্যান বিক্রি হয় চড়া দামে। রাস্তার ধারে সাজানো লেবুর শরবতের দোকানগুলোতে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আজ রবিবার কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। যদিও রাজশাহী ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র এবং রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মাইজদীকোর্ট ও ফেনী অঞ্চলসহ ঢাকা, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বাকি অংশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
শনিবার বিকেলে রাজধানীতে ডাকল মেঘ, নামল বৃষ্টি। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে এ অবস্থা চলতে থাকে। বইতে শুরু করে ঠা-া বাতাস। প্রশান্তির বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিল রাজধানীবাসী। নগরবাসীকে একেবারে হতাশ করেনি। গুলশান ও মিরপুরসহ কিছু এলাকায় নেমে আসে বৃষ্টি। রাজধানীর মিরপুরে শনিবার বিকেলে এক পশলা বৃষ্টি নেমে আসে। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মিরপুরের উত্তর-পশ্চিম আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে। এই মেঘ দ্রতই অন্যান্য দিকে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়। এর কিছু সময় পরই বজ্রবিদ্যুতসহ বৃষ্টি হয়। রাত সোয়া আটটার দিকে বৃষ্টি নেমে আসে মগবাজার এলাকায়। ধুলো ভিজে রূপ নেয় কাদা মাটিতে। পাশাপাশি চলতে থাকে মেঘের গর্জন।
এদিকে রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র অনুভূত হয় তীব্র গরম। তপ্ত দহনে অতিষ্ঠ দেশবাসী। পথচারীরা আগুনের হল্কা ছুঁয়ে চলাফেরা করে। ঘন ঘন লোডশেডিং ও পানির সঙ্কটে শনিবারও খরতাপের তীব্রতা টের পায় শহরবাসী। অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়মিত জেনারেটর চালানোর ব্যবস্থা না থাকাতে চিকিৎসাধীন রোগীরা দুর্ভোগে পড়ে। এতে ফ্যান বিক্রেতাদের মুখে ফোটে হাসি। সব ধরনের ফ্যান বিক্রি হয় চড়া দামে। রাস্তার ধারে সাজানো লেবুর শরবতের দোকানগুলোতে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
No comments:
Post a Comment