দলিত উন্নয়নে ৩৬৮৯ কোটি রুপী ব্যবহার করেননি মোদি
গত মার্চ মাসে ভারতের বিহার রাজ্যের মোজাফফরপুরে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী পদে বিজেপির প্রার্থী নরেন্দ্র মোদি দলিত নেতা লোক জনশক্তি দলের রাম বিলাস পসোয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখানে মোদি আগামী দশক হবে দেশের দলিত ও দুর্বলতর শ্রেণীগুলোর দশক বলে শোষণ করেছিলেন। কিন্তু তার গুজরাটে গত দশকে দলিত এবং আর্থ-সামাজিক দিক দিয়ে পশ্চাদপদ শ্রেণীগুলোর উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত কর্মসূচীর জন্য বরাদ্দ করা প্রায় ৩,৬৮৯ কোটি রুপীর তহবিল অব্যবহৃত থেকে যায়। দলিতদের গ্রুপ নবসরজন এ তথ্য জানায়। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের।
লক্ষ্যণীয় যে, তফসিলী জাতি ও পশ্চাদপদ সম্প্রদায়গুলোর জন্য গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রধান হলেন মোদি। অথচ তিনি গত দশকে মাত্র দুইবার এর বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন। শুক্রবার তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় নবসরজনের পেশ করা এক আবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। আহমদাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে নবসরজনের সদস্য কিরাট রাঠোর বলেন, তফসিলী জাতি সাব প্ল্যানের আওতায় তহবিল বরাদ্দ দেখাশোনা করছে এমন উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রধান ছিলেন মোদি। তিনি গত দশকে দুইবার একবার ২০০৩-এর আগস্ট মাসে কমিটি গঠিত হওয়ার সময় এবং আরেকবার ২০০৪-এর জুন মাসে পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন।
আবেদনের জবাব থেকেও জানা যায় যে, ২০০৭ থেকে ২০১৪-এর মধ্যে সরকার বছরের জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছিল তার চেয়ে কম ব্যয় করেছিল, কারণ রাজ্য সরকারের কাছ থেকে তহবিল ছাড় করতে দেরি হয়েছিল। রাঠোর বলেন, যদি ২০০৭ সালে সরকারের ১,০৯৭ কোটি রুপী খরচ করার কথা থেকে থাকে, তা হলে সরকার ৫৫৪ দশমিক ১৬ কোটি রুপী খরচ করেছিল। ২০১৩ সালে যদি সরকারের ৪,০৯৫ কোটি রুপী ব্যয় করার কথা থেকে থাকে, তবে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ছিল ২,৮৫০ কোটি রুপী।
লক্ষ্যণীয় যে, তফসিলী জাতি ও পশ্চাদপদ সম্প্রদায়গুলোর জন্য গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রধান হলেন মোদি। অথচ তিনি গত দশকে মাত্র দুইবার এর বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন। শুক্রবার তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় নবসরজনের পেশ করা এক আবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। আহমদাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে নবসরজনের সদস্য কিরাট রাঠোর বলেন, তফসিলী জাতি সাব প্ল্যানের আওতায় তহবিল বরাদ্দ দেখাশোনা করছে এমন উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রধান ছিলেন মোদি। তিনি গত দশকে দুইবার একবার ২০০৩-এর আগস্ট মাসে কমিটি গঠিত হওয়ার সময় এবং আরেকবার ২০০৪-এর জুন মাসে পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন।
আবেদনের জবাব থেকেও জানা যায় যে, ২০০৭ থেকে ২০১৪-এর মধ্যে সরকার বছরের জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছিল তার চেয়ে কম ব্যয় করেছিল, কারণ রাজ্য সরকারের কাছ থেকে তহবিল ছাড় করতে দেরি হয়েছিল। রাঠোর বলেন, যদি ২০০৭ সালে সরকারের ১,০৯৭ কোটি রুপী খরচ করার কথা থেকে থাকে, তা হলে সরকার ৫৫৪ দশমিক ১৬ কোটি রুপী খরচ করেছিল। ২০১৩ সালে যদি সরকারের ৪,০৯৫ কোটি রুপী ব্যয় করার কথা থেকে থাকে, তবে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ছিল ২,৮৫০ কোটি রুপী।
No comments:
Post a Comment