অনুব্রতকে পাশে রেখে কী বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, প্রশ্ন হাইকোর্টের
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অভিযুক্তর সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে কী বার্তা দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী? রাজ্যে কি আমরা নিরাপদ? বৃহস্পতিবার পাড়ুই হত্যামামলার শুনানিতে এমনই প্রশ্ন তুলে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।
এদিন হাইকোর্টে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পাড়ুই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে কী কারণে গ্রেপ্তার করা হয়নি? তিনি জানতে চান, ডিজি কি আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন? একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, অভিযুক্তর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে মঞ্চ ভাগ করে নিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল কি মমতার আশীর্বাদপুষ্ট? তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী যাকে সঙ্গে রাখছেন, সেই নেতাকে গ্রেপ্তার করার সাহস ডিজির থাকার কথা নয়। প্রশাসনের উপর দৃশ্যত বিরক্ত বিচারপতি ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিরক্ত বিচারপতি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর মতো তিনিও প্রশাসনিক পদে আসীন। এই কারণে তাঁদের পারস্পরিক সম্মান রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি দত্ত।
উল্লেখ্য, গতকালই পাড়ুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুব্রতকে পাশে নিয়ে মঙ্গলকোটে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের আগে খুনের মামলায় অভিযুক্তর সঙ্গে একই মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে বিতর্কে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। হত্যামামলায় অভিযুক্তকে সভামঞ্চে পাশে রেখে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দিতে চাইছেন, সেই প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা।
গত বছর ২১ জুলাই বীরভূমে পঞ্চায়েত ভোটের আগের রাতে খুন হন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল প্রার্থী হৃদয় ঘোষের বাবা সাগর ঘোষ। এফআইআর-এ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম ছিল। তবু বীরভূমের জেলা সভাধিপতিকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। পাড়ুই কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হওয়া ছাড়াও বিভিন্ন সময় প্রকাশ্য সভায় আপত্তিজনক বক্তব্য রেখেছেন অনুব্রত। বীরভূমের কসবা গ্রামে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে পুলিশকে বোমা মারার আহ্বানও জানান তিনি।
এদিন হাইকোর্টে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পাড়ুই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে কী কারণে গ্রেপ্তার করা হয়নি? তিনি জানতে চান, ডিজি কি আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন? একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, অভিযুক্তর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে মঞ্চ ভাগ করে নিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল কি মমতার আশীর্বাদপুষ্ট? তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী যাকে সঙ্গে রাখছেন, সেই নেতাকে গ্রেপ্তার করার সাহস ডিজির থাকার কথা নয়। প্রশাসনের উপর দৃশ্যত বিরক্ত বিচারপতি ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিরক্ত বিচারপতি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর মতো তিনিও প্রশাসনিক পদে আসীন। এই কারণে তাঁদের পারস্পরিক সম্মান রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি দত্ত।
উল্লেখ্য, গতকালই পাড়ুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুব্রতকে পাশে নিয়ে মঙ্গলকোটে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের আগে খুনের মামলায় অভিযুক্তর সঙ্গে একই মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে বিতর্কে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। হত্যামামলায় অভিযুক্তকে সভামঞ্চে পাশে রেখে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দিতে চাইছেন, সেই প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা।
গত বছর ২১ জুলাই বীরভূমে পঞ্চায়েত ভোটের আগের রাতে খুন হন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল প্রার্থী হৃদয় ঘোষের বাবা সাগর ঘোষ। এফআইআর-এ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম ছিল। তবু বীরভূমের জেলা সভাধিপতিকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। পাড়ুই কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হওয়া ছাড়াও বিভিন্ন সময় প্রকাশ্য সভায় আপত্তিজনক বক্তব্য রেখেছেন অনুব্রত। বীরভূমের কসবা গ্রামে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে পুলিশকে বোমা মারার আহ্বানও জানান তিনি।
No comments:
Post a Comment