“ ওর টাকা চাই।”
“টাকা নেই ওর? বস্তিতে ওর মতো জিনিস পত্রে ঠাসা পাকা ঘর আর কার আছে?”
“ওর ব্যবসাতে মন্দা চলছে। বিছানাতে তুলবার জন্যেও মানুষ পায় না। মদও আগের মতো বিক্রি হয় না।”
মিনতি যখন কথা বলছিল, নবীন মাথা নুইয়ে বসে পড়ল। হঠাৎ সে বলে উঠল, “আবার একটা লাগবে। টাকার জন্যে মহিলাটি নিজের বাড়িতে লাশ দু’টো পুঁততে দেয়া ঠিক হয় নি।”
“ মানুষ দু’টো কি অসমিয়া বলে মনে হলো?”
“ এখনই ভোর হবে। দু’-দু’টো মানুষ পুঁতে ফেলতে পারবে? পুলিশে যদি খবর পায়...আর্মি আসবে...।”
সবার চোখে ভেসে উঠল পুলিশ মিলিটারিতে গিজগিজিয়ে থাতা সেই আগেকার বস্তি। পুরুষেরা রিজার্ভে গিয়েছিল, দোষ থাক না থাক ধরে নিয়ে গিয়েছিল। আবার হবে, সব কিছু আবার হবে।
“আমি শুনেছি, আসবার সময় ওরা ড্রাইভারণীর ভাষাতে কথা বলছিল। লাশগুলো পায়খানার টেংকিতে রাখবে। কাপড় চোপড় আর চুড়ি বালা মাটিতে পুঁতে ফেলবে।” মিনতির গলা বসে বসে গেছে। ...বাকিটা পড়ুন...
No comments:
Post a Comment