দলিত ও সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের প্রতি বৈষম্য, রিপোর্টে প্রকাশ
নয়াদিল্লি: ভারতের অনেক স্কুলেই শিক্ষকরা দলিত ও মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করেন৷ মঙ্গলবার রীতিমতো রিপোর্ট পেশ করে এই দাবিই করল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা 'হিউম্যান রাইট্স ওয়াচ' (এইচআরডব্লিউ)৷
মোট ৭৭ পাতার ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বহু ক্ষেত্রেই ওই সব ছাত্রছাত্রীকে ক্লাসরুমে আলাদা হয়ে বসতে বাধ্য করা হয়৷ বিদ্যালয়ের জঞ্জাল তোলা বা বাথরুম পরিষ্কার তাদের দিয়েই করানো হয় - এমন কী মাস্টারমশাইদের হাত-পা টিপে দেওয়ার মতো কাজের জন্যও তাদের ডাক পড়ে৷ অন্য দিকে, মিড-ডে মিল খাওয়ানোর সময়, ওই ছাত্রছাত্রীদের পাতে খাবার দেওয়া হয় সবার শেষে৷ এইচআরডব্লিউ-র দাবি, এই সমস্ত কারণেই তফসিলি জাতি-উপজাতি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের মধ্যে স্কুলছুটের সংখ্যা বাড়ছে৷ রোজ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে অপমানিত হওয়ার চেয়ে শিশুশ্রমিক হিসেবে কাজ করাকেই তারা বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে৷
দেশের ছয় থেকে চোদ্দ বছর বয়সি প্রত্যেক শিশুকে শিক্ষার আওতায় আনতে ২০০৯ সালে 'শিক্ষার অধিকার আইন' (আরটিই) পাশ করেছিল কেন্দ্র৷ কিন্ত্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পড়ুয়াদের প্রতি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশের বিভেদমূলক ব্যবহারের জন্য সেই লক্ষ্যের গোড়াতেই আঘাত পড়ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংগঠন৷ অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ আর দিল্লির বিভিন্ন স্কুলে সমীক্ষা চালানোর পাশাপাশি ১৬০ জনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেই রিপোর্টটি তৈরি করেছে এইচআরডব্লিউ৷ তারা জানিয়েছে, বহু শিক্ষক সংখ্যালঘু ছাত্রদের ব্যঙ্গ করে 'মোল্লা' বলে ডাকেন, এবং স্কুলের অন্যান্য পড়ুয়ারাও একই ভাবে ওই সহপাঠীদের প্রতি ঠাট্টা ছুড়ে দেয়৷ অনেক ক্ষেত্রে শৌচাগার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও দলিত ও সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীর উপর বিধিনিষেধ চাপানো হয়, এবং তা মানায় মেরে হাত ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে৷
এইচআরডব্লিউ-র সুপারিশ, এ ধরনের বিভেদমূলক আচরণ যাতে না ঘটে, তা দেখভালের জন্য সরকারের শিক্ষাদপ্তর একটি মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করুক৷ পাশাপাশি, এ ব্যাপারে শিক্ষকদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং তাঁদের মধ্যে সচেতনতা ছড়.ানোর ব্যবস্থা করা হোক৷ কিন্ত্ত রাজ্য, জেলা বা স্থানীয় স্তরের শিক্ষা বিভাদের আধিকারিকরা এই ঘটনা স্বীকার করতে পর্যন্ত রাজি নন, প্রতিকার করা তো দূরের কথা! প্রসঙ্গত, সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার হিসেব বলছে, বর্তমানে ভারতের তফশিলি জাতির (এসসি) পড়ুয়াদের মধ্যে স্কুলছুটের সংখ্যা প্রায় ৫১ শতাংশ৷ উপজাতিভুক্ত (এসটি) পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে অঙ্ক ৫৮ শতাংশ৷ অসংরক্ষিত শ্রেণীর (জেনারেল) ছাত্রছাত্রীদের (স্কুলছুট - ৩৭ শতাংশ) থেকে যা অনেকটাই বেশি৷
মোট ৭৭ পাতার ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বহু ক্ষেত্রেই ওই সব ছাত্রছাত্রীকে ক্লাসরুমে আলাদা হয়ে বসতে বাধ্য করা হয়৷ বিদ্যালয়ের জঞ্জাল তোলা বা বাথরুম পরিষ্কার তাদের দিয়েই করানো হয় - এমন কী মাস্টারমশাইদের হাত-পা টিপে দেওয়ার মতো কাজের জন্যও তাদের ডাক পড়ে৷ অন্য দিকে, মিড-ডে মিল খাওয়ানোর সময়, ওই ছাত্রছাত্রীদের পাতে খাবার দেওয়া হয় সবার শেষে৷ এইচআরডব্লিউ-র দাবি, এই সমস্ত কারণেই তফসিলি জাতি-উপজাতি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের মধ্যে স্কুলছুটের সংখ্যা বাড়ছে৷ রোজ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে অপমানিত হওয়ার চেয়ে শিশুশ্রমিক হিসেবে কাজ করাকেই তারা বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে৷
দেশের ছয় থেকে চোদ্দ বছর বয়সি প্রত্যেক শিশুকে শিক্ষার আওতায় আনতে ২০০৯ সালে 'শিক্ষার অধিকার আইন' (আরটিই) পাশ করেছিল কেন্দ্র৷ কিন্ত্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পড়ুয়াদের প্রতি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশের বিভেদমূলক ব্যবহারের জন্য সেই লক্ষ্যের গোড়াতেই আঘাত পড়ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংগঠন৷ অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ আর দিল্লির বিভিন্ন স্কুলে সমীক্ষা চালানোর পাশাপাশি ১৬০ জনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেই রিপোর্টটি তৈরি করেছে এইচআরডব্লিউ৷ তারা জানিয়েছে, বহু শিক্ষক সংখ্যালঘু ছাত্রদের ব্যঙ্গ করে 'মোল্লা' বলে ডাকেন, এবং স্কুলের অন্যান্য পড়ুয়ারাও একই ভাবে ওই সহপাঠীদের প্রতি ঠাট্টা ছুড়ে দেয়৷ অনেক ক্ষেত্রে শৌচাগার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও দলিত ও সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীর উপর বিধিনিষেধ চাপানো হয়, এবং তা মানায় মেরে হাত ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে৷
এইচআরডব্লিউ-র সুপারিশ, এ ধরনের বিভেদমূলক আচরণ যাতে না ঘটে, তা দেখভালের জন্য সরকারের শিক্ষাদপ্তর একটি মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করুক৷ পাশাপাশি, এ ব্যাপারে শিক্ষকদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং তাঁদের মধ্যে সচেতনতা ছড়.ানোর ব্যবস্থা করা হোক৷ কিন্ত্ত রাজ্য, জেলা বা স্থানীয় স্তরের শিক্ষা বিভাদের আধিকারিকরা এই ঘটনা স্বীকার করতে পর্যন্ত রাজি নন, প্রতিকার করা তো দূরের কথা! প্রসঙ্গত, সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার হিসেব বলছে, বর্তমানে ভারতের তফশিলি জাতির (এসসি) পড়ুয়াদের মধ্যে স্কুলছুটের সংখ্যা প্রায় ৫১ শতাংশ৷ উপজাতিভুক্ত (এসটি) পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে অঙ্ক ৫৮ শতাংশ৷ অসংরক্ষিত শ্রেণীর (জেনারেল) ছাত্রছাত্রীদের (স্কুলছুট - ৩৭ শতাংশ) থেকে যা অনেকটাই বেশি৷
No comments:
Post a Comment