সুবহানের বিরুদ্ধে সাক্ষী শহিদ অসুস্থ, জেরা পিছিয়ে রবিবার
যুদ্ধাপরাধী বিচার
স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ২১তম সাক্ষী মোঃ শহিদুল্লাহ ওরফে শহিদের জেরা পিছিয়েছে। সাক্ষী অসুস্থ থাকায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার জেরার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দু সদস্য ছিলেন বিচারপতি মোঃ মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ শাহিনুর ইসলাম। একই ট্রাইব্যুনালে রবিবার জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সারের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোযারা বেগমকে আসামি পক্ষের আইনজীবী জেরা করবেন।
বৃহস্পতিবার জামায়াত নেতা আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে ২১তম সাক্ষী মোঃ শাহিদুল্লাহ ওরফে শহিদের জেরার দিন নির্ধারিত ছিল। এ সময় প্রসিকিউটর সুলতান মোহাম্মদ সিমন ট্রাইব্যুনাল জানান, সাক্ষী অসুস্থ। পাশাপশি তিনি সময়ের আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের কক্তব্য শোনার পর জেরার জন্য রবিবার দিন নির্ধারণ করেন। এ সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী মজানুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ২০ সাক্ষী জবানবন্দী প্রদান করেছেন। তাঁরা হলেন, মানবাধিকার কর্মী আ ত ম শাহিদুজ্জামান নাসিম, শহীদপুত্র মুক্তিযোদ্ধা তহুরুল আলম মোল্লা, মোঃ আবু আসাদ, রুস্তম আলী, মোঃ ইসরাইল, কোরবান আলী, শহীদ জায়া জাহানারা বেগম, আশরাফ উদ্দিন মিয়া, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন মন্ডল, সানোয়ারা খাতুন, মোঃ ফজলুর রহমান ফান্টু, আব্দুর রহমান সরদার, শহীদ পরিবারের সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন, মোঃ আজিজুল সরদার, মমতাজ উদ্দিন মন্টু, আক্কাছ শেখ, শহীদপুত্র আলী রানা শেখ, আব্দুল আজিজ, নিজাম উদ্দিন খান এবং হোসেন সরদার।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের ৯টি মানবতাবিরোধী অপরাধে সুবহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে সুবহানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন তদন্ত সংস্থা। ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে সুবহানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই রাতেই তাকে পাবনা কারাগারে নেয়া হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আবদুস সুবহানকে আটক দেখানোর আদেশ চান আদালতের কাছে। ২৬ সেপ্টেম্বর পাবনা কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
সৈয়দ মোঃ কায়সার ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবাতবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেকমন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সারের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোযারা বেগমের জেরা রবিবার। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জেরা অনুষ্ঠিত হবে।
৯ মার্চ শুরুর পর এ পর্যন্ত কায়সারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশনের ৩১ জন সাক্ষী। গত ৪ মার্চ কায়সারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। ২ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। কায়সারকে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে এবং ২৬ ডিসেম্বর ও গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন না করার পক্ষে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আব্দুস সোবহান তরফদার। গত বছরের ২১ মে বিকেল পৌনে চারটায় সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে গ্র্রেফতার করে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। পরদিন ২২ মে কায়সারের জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। বর্তমানে তিনি শর্ত সাপেক্ষে তাঁর ছেলের বাসায় জামিনে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার জামায়াত নেতা আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে ২১তম সাক্ষী মোঃ শাহিদুল্লাহ ওরফে শহিদের জেরার দিন নির্ধারিত ছিল। এ সময় প্রসিকিউটর সুলতান মোহাম্মদ সিমন ট্রাইব্যুনাল জানান, সাক্ষী অসুস্থ। পাশাপশি তিনি সময়ের আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের কক্তব্য শোনার পর জেরার জন্য রবিবার দিন নির্ধারণ করেন। এ সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী মজানুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ২০ সাক্ষী জবানবন্দী প্রদান করেছেন। তাঁরা হলেন, মানবাধিকার কর্মী আ ত ম শাহিদুজ্জামান নাসিম, শহীদপুত্র মুক্তিযোদ্ধা তহুরুল আলম মোল্লা, মোঃ আবু আসাদ, রুস্তম আলী, মোঃ ইসরাইল, কোরবান আলী, শহীদ জায়া জাহানারা বেগম, আশরাফ উদ্দিন মিয়া, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন মন্ডল, সানোয়ারা খাতুন, মোঃ ফজলুর রহমান ফান্টু, আব্দুর রহমান সরদার, শহীদ পরিবারের সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন, মোঃ আজিজুল সরদার, মমতাজ উদ্দিন মন্টু, আক্কাছ শেখ, শহীদপুত্র আলী রানা শেখ, আব্দুল আজিজ, নিজাম উদ্দিন খান এবং হোসেন সরদার।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের ৯টি মানবতাবিরোধী অপরাধে সুবহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে সুবহানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন তদন্ত সংস্থা। ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে সুবহানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই রাতেই তাকে পাবনা কারাগারে নেয়া হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আবদুস সুবহানকে আটক দেখানোর আদেশ চান আদালতের কাছে। ২৬ সেপ্টেম্বর পাবনা কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
সৈয়দ মোঃ কায়সার ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবাতবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেকমন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সারের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোযারা বেগমের জেরা রবিবার। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জেরা অনুষ্ঠিত হবে।
৯ মার্চ শুরুর পর এ পর্যন্ত কায়সারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশনের ৩১ জন সাক্ষী। গত ৪ মার্চ কায়সারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। ২ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। কায়সারকে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে এবং ২৬ ডিসেম্বর ও গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন না করার পক্ষে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আব্দুস সোবহান তরফদার। গত বছরের ২১ মে বিকেল পৌনে চারটায় সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে গ্র্রেফতার করে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। পরদিন ২২ মে কায়সারের জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। বর্তমানে তিনি শর্ত সাপেক্ষে তাঁর ছেলের বাসায় জামিনে রয়েছেন।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment