Thursday, July 17, 2014

বর্তমান রাজনীতি ও তরুণ প্রজন্ম

বর্তমান রাজনীতি ও তরুণ প্রজন্ম

ড. শহীদ ইকবাল
জনগণের ঐক্য যদি রাজনীতির শক্তি হয় তাহলে সে শক্তি অর্জনের উপায় কী কিংবা কীভাবে তা কার্যকর করা যায়— অনেকের মনেই এমন প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। কারণ, ঈদের পর আন্দোলন কিংবা আন্দোলন দমানোর জন্য ঈদের আগেই ধরপাকড়— এসব নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন আছে মানুষের মনে। আন্দোলন নিয়েই এ প্রশ্নটা আসছে— তবে কী রাজনীতি আবার সরগরম হচ্ছে! রাজনীতির মাঠে মানুষ কী সত্যিই আবার সক্রিয় হবে! যদি আন্দোলন হয় তবে তার পরিণতি কী? এসব নিয়ে সত্যিকার অর্থে তো একটা জিজ্ঞাসা আছেই— তবে কী মানুষ সম্মুখে এগুচ্ছে। রাজনীতি যদি এভাবেই চলে তাহলে তার ভেতরের শক্তিইবা আছে কতোটুকু? এর কী কোনো সমষ্টিগত শক্তি আছে— যা নিয়ে মানুষ এগুবে বা মানুষকে সম্মুখে নেবে, দেবে ভবিষ্যতের কোনো দিকনির্দেশনা! বিষয়টি নিয়ে ভাববার ব্যাপার যেমন আছে তেমনি এর কার্যকর মূল্যটুকু চিনে নেয়া দরকার। কারণ, আমরা পজেটিভ হয়ে এগুতে চাই। পেছনের কৃষ্ণ দিনগুলোতে আর ফিরতে চাই না। ওয়ান ইলেভেন নিয়ে কম হয়নি। এখনও সে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি চলছে। আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পর কতো সময় পেরিয়ে গেছে! এখন একটি তরুণ প্রজন্ম এদেশে সাবালক হয়ে উঠেছে। তারাই বিভিন্ন সেক্টরে নেতৃত্ব নিয়ে নিয়েছে। তাদের যেমন স্বপ্ন আছে তেমনি আছে চ্যালেঞ্জও। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তারা অনেক ক্ষেত্রেই যুগোপযোগী সাফল্য দেখিয়েছে। তারাই তো দেশটাকে ধরে রেখেছে। রেমিট্যান্স বলি, জিডিপি বলি এসব ক্ষেত্রে পূর্ণ সাফল্য তাদেরই। এই চ্যালেঞ্জের শক্তি তারা কোথায় পেল! কেউ কী তাদের এটা দিয়ে দিয়েছে— অবশ্যই নয়। সমস্ত প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করেই তারা এটা অর্জন করেছে। স্ব-উদ্যোগে, প্রচণ্ড পরিশ্রম করে তারা এ চেলেঞ্জ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সে কারণেই এগিয়ে যাচ্ছে। 

কিন্তু যে প্রশ্নটি প্রথমেই করেছি, আমাদের রাজনীতির শক্তি বাড়ছে কি-না। রাজনীতি নানাভাবে আমাদের চেতনায় কাজ করছে। এখন যে বাণিজ্যের যুগ চলছে, প্রতিযোগিতার যুগ চলছে— তাতে রাজনীতি সবকিছুর ভেতরেই দাপটের সঙ্গে কাজ করছে। আমরা যদি বলি, জনগণই সকল ক্ষমতার উত্স, জনগণই গণতন্ত্রের সার্বিক শক্তি— এবং এ শক্তি ছাড়া কিংবা তাকে এগিয়ে নেয়া ছাড়া উন্নতি নেই— দেশকেও এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয় তাহলে ব্যাপকঅর্থে সেই রাজনীতি কী চলছে বা সেই রাজনীতির শক্তি কী বৃদ্ধি পাচ্ছে? দু'একটা উদাহরণসমেত আমাদের বর্তমান রাজনীতির একটি স্বরূপ তুলে ধরা যেতে পারে। সম্প্রতি আমরা জেনেছি, মিয়ানমারের মতো বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্র বিরোধটিও নিষ্পত্তি হয়েছে। নেদারল্যান্ডের স্থায়ী সালিশী আদালত বঙ্গোপসাগরের বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ছয়শ' দুই বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার চারশ' সাতষট্টি বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশকে দিয়ে দিয়েছে। কার্যত এ রায়টি একটি সাফল্য। কিন্তু এ সাফল্যটি বিরোধীরা কোন চোখে দেখছে? এটিকে অনেকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছেন কেন! এতেও কী কোনো অপ-রাজনীতির ছায়া ফেলা হচ্ছে না! বিরোধীতার রাজনীতি আমাদের যে কোনো সাফল্যকে এভাবে কী কালিমালিপ্ত করেই যাবে। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তরুণদের ব্যাপক সাফল্য আছে, গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি কিংবা প্রবাসীদের কৃতকর্মের সাফল্যে আমরা সর্বদা কী আনন্দিত হই। বিরোধীতার রাজনীতির বিবরণগুলো এদেশের অনেকের কাছেই এখন মুখস্ত। যেমন : পঁচাত্তরে যেভাবে গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে ঠিক একইভাবে আবার গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে, দেশ এখন বাহিনী দিয়ে চালানো হচ্ছে, হত্যা-খুন-গুমের রাজনীতি চলছে, মানুষের জীবনের বিন্দুমাত্র নিরাপত্তা নেই, সরকার বাকশালী কায়দায় দেশ চালাচ্ছে, জুলুম-নিপীড়নের জবাব ঈদের পরে মানুষ দেবে, আলোচনা না হলে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা থেকে টেনে নামানো হবে ইত্যাদি। এ কথাগুলো নতুন কী কিছুর ইঙ্গিত করছে। রাজনীতিতে কী তৈরি করছে নতুন কোনো ভরসা বা আশার ইঙ্গিত। কিংবা গণতন্ত্রই বা কী এতে করে একধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে? প্রশ্নগুলো সচরাচর সবারই। কিন্তু যেটি বলতে চাই তা হলো, দেশের কোটি মানুষকে কীভাবে এগিয়ে নেয়া যাবে— সে লক্ষ্যে আমাদের রাজনীতিকরা কী রাজনীতি তৈরি করছেন! ক্ষমতা যাওয়া আর ক্ষমতা থেকে টেনে নামানো এই রাজনীতির পালাবদল কার্যত কেউই কী পছন্দ করছে? যদি পছন্দ করতো তাহলে মানুষ এতোদিন আন্দোলনের পথে নেমে পড়তো। কিন্তু মৌলিক কোনো নিশানা রাজনীতিতে না থাকায় কেউই কোনো দলের কথায় কর্ণপাত করছে না। সেই পলাশীর প্রান্তরে সিরাজের পরাজয়ের পরের ঘটনার মতো 'রাজা যায় রাজা আসে' তাতে গ্রামের কৃষকের ভাগ্যের কী! আমরা কী এখন সেই চিন্তার গোলকধাঁধার মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছি না! রাজনীতির ময়দানে গদবাঁধা একই রেকর্ড প্রচার করে যাচ্ছেন, চলছে হুমকি, আন্দোলনের কথাবার্তা— কিন্তু কোন ধরনের আন্দোলন! এটা কী ক্ষমতায় যাওয়ার আন্দোলন না ইতিবাচক রাজনীতির ভেতর দিয়ে প্রকৃত গণতন্ত্রের সংস্কৃতির ভিত্তি স্থাপনের আন্দোলন। যে অভিযোগ বিরোধীদল এখন করছে সরকারি দলের বিরুদ্ধে— যখন তারা সরকারি দলে ছিলেন তখন তারা কী করতেন! এখন যে আন্দোলনের কথা বলছেন, ক্ষমতায় গেলে তারা কী করবেন বা কী করতে চান সে প্রতিশ্রুতি কী তারা দিয়েছেন। আজকাল তো মিথ্যা প্রতিশ্রুতিও দেয়াও তারা ভুলে গেছেন। শুধু নির্বাচনের নামে আর ক্ষমতায় আরোহণের মত্ততায় ব্যস্ত। জনগণ এসব নেতাদের মুখ-চোখ-ভাষ্য সবকিছু মুখস্ত করে ফেলেছে। কথায় যে চিড়ে ভেজে না তা দিব্যচোখে স্পষ্ট। কেউ বলছে না যে, সরকার সফলতার সঙ্গে সবকিছু মোকাবেলা করে চলছে। সরকারের ভেতরে-বাইরে প্রচুর ভুল ঘটনা ঘটছে। সরকারের ছাত্র সংগঠন এখনও বেপরোয়া হয়ে ইচ্ছেমাফিক যা খুশি তাই করে চলছে। লোক দেখানো বহিষ্কার ছাড়া তেমন কিছুই করছে না সরকার। ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের রাশ টেনে ধরা এখন খুব জরুরি। তাছাড়া সরকারি দলের মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিও ভালো বলা যাবে না। পুরনো সংগঠন হিসেবে দলের কার্যক্রম, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি, কাউন্সিল অনুষ্ঠান ইত্যকার কাজকর্ম লক্ষণীয় মাপের চোখে পড়ছে না। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি দলের লোকজন নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দলীয়ভাবে এসব দিকে নজর দেয়া অধিকতর জরুরি। সরকার ক্ষমতায় থেকে দল ঢেলে সাজানোর জন্য যে সুবিধা করতে পারবেন, কঠোরহস্তে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন— তা অন্য সময় সম্ভব নয়। কিন্তু তেমনটি নজরে আসছে না। গণতন্ত্র বা রাজনৈতিক ভিত্তিটুকু তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করতে না পারলে জাতিগত উন্নতি সম্ভব নয়। ক্ষমতায় থাকা বা না থাকা অন্য জিনিস কিন্তু রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ভেতর সাধারণ জনতাকে একীভূত করা, নতুন নেতৃত্বের ভেতর দিয়ে দলীয় কার্যক্রম সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া এর বিকল্প কী আছে কিছু। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো বর্ষীয়ান সংগঠনের কার্যক্রম এখন তেমন নজরে আসে কী! গ্রাম-গঞ্জে এর সাংগঠনিক নেতৃত্ব এখন কাদের হাতে! আজকে ভিশন টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ান বাস্তবায়নের কথা বলা হচ্ছে, জেলায় জেলায় আইটি ভিলেজ স্থাপনের কার্যক্রম চালু হচ্ছে কিন্তু দলের নেতৃত্ব সে কার্যক্রম কীভাবে সর্বস্তরের মানুষের ভেতরে বা তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভেতরে ছড়িয়ে দেবেন— তার পরিকল্পনা কী আছে! এগুলো আমলে নেয়া অত্যন্ত জরুরি। সরকার ও রাজনীতি হাত ধরাধরি করে না চললে রাজনীতি দাঁড়াবে কীসের ওপর ভিত্তি করে। 

আজকে সমুদ্র জয়ের সাফল্য নিয়ে বিরোধীরা অপ-রাজনীতি করছে তা কতোটা ভিত্তিহীন, ভূখণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক উস্কানী কী পরিমাণ ক্লেদাক্ত সেটাও তো দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। হয়তো এসব অজানা নয়; কিন্তু জনগণকে নিয়েই তো লক্ষ্যে স্থির রাখতে হবে। পুরনো রাজনীতির কাসুন্দি ঘাটলে তা যে বেশি ফলপ্রসূ হবে না সেটা তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। রাজনীতির মৌলিক পরিবর্তনটুকু আনতে হবে। সেটি যে যেমন রাজনীতিই করুক দেশকে সবকিছু ঊর্ধ্বে যেমন রাখতে হবে তেমনি গণতন্ত্রকেও সততার সঙ্গে সম্মুখে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে। এর জন্য দেশে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক যে তরুণ প্রজন্ম তাদের পজেটিভ করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা-সংস্কৃতি জ্ঞানে উদ্বুদ্ধ করে তুলতে হবে। রাজনীতি সীমিত পরিসরে নয়, বৃহত্ ও ব্যাপক অর্থে পজেটিভ করে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী এমার্জিং অনেক দেশের দিকে তাকালে আমরা কী দেখতে পাই— রাজনীতি কতোভাবে মানুষের সার্বিক মঙ্গলের জন্য গ্রহণীয় হয়ে উঠেছে। অতীতের দিকে না গিয়ে তা সম্মুখের দিকে চলছে, বৃহত্তর স্বার্থে একাগ্র হয়ে কাজ করছে সকলেই। সাংস্কৃতিক শূন্যতা নয়, সংস্কৃতিকে নবায়নের ভেতর দিয়ে সম্মুখদিকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টাটা এখনই করতে হবে। সেখানে স্থূল ব্যক্তিস্বার্থ নয়, সামষ্টিক স্বার্থই মুখ্য করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে যেমনটা বলছিলাম রাজনীতির অভ্যন্তরীণ শক্তি বৃদ্ধির কথা। এটি কীরূপে সম্ভব। কিংবা এসব কথার আসলেই কী কোনো যৌক্তিক ভিত্তি আছে! কথাগুলো কি শুধুই অরণ্য রোদন মাত্র! অবশ্যই না। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জরিপে জানা গেছে যে, মেধাবী মুখগুলো রাজনীতির প্রতি অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। কারণ, রাজনীতির অতীত গৌরব এখন আর চোখে পড়ে না। এ পরিসংখ্যান হতাশাব্যঞ্জক হলেও এর ইতিবাচক দিক যেটি তা হলো, রাজনীতির বিনষ্টিকরণ যেভাবে হয়েছে— সেখানে আর কেউ নিজেকে জড়াতে চায় না। কিন্তু দেশের কাজটুকু তো করবেন। স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্য, দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ার জন্য নিজের পেশা বা বৃত্তির প্রতি মনোযোগী থেকে তারা কাজটুকু করবেন। রাজনীতি সংশ্লিষ্ট না থেকে রাজনীতির বিকল্প পথটুকু ধরে তিনি নিজেকে এগিয়ে নেবেন। এবং তাই তারা চান। এ প্রবণতা বিগত সময়ে হয়েছে। এবং সেভাবেই তরুণরা এগিয়ে চলছে। কিন্তু রাজনীতির স্থবিরত্বের যে ধারা চলছে তা কী এভাবেই অব্যাহত থাকবে? আর তা কী চলতে পারে! এই প্রজন্মই নিশ্চয় তার স্বপ্নকে কাজে লাগিয়ে এক সময় নিজেকে রাজনীতির অনুষঙ্গি করে তুলবেন। কারণ, রাজনীতি ছাড়া জাতি যেমন এগুতে পারে না তেমনি কোনো স্বপ্নই বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পায় না। আমাদের দেশ সেদিকেই এগিয়ে চলছে। যে প্রজন্ম আইটি বিশ্বে ইতিমধ্যেই নিজেকে সম্পৃক্ত করে ফেলেছে, সে একসময় তার প্রয়োজনেই পরিশুদ্ধ রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়বে। আলাদা একটি ধারা তৈরিতে সক্ষম হবে। তার মতো করেই সে ধারাটি জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে সচল হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই সে লক্ষণটুকু বড় বড় শহরগুলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এটিই আমাদের সম্মুখে চলার পথ। এবং তাই অভ্যন্তরীণ গণশক্তি। সেখানে নিছক ক্ষমতায় যাওয়ার নোংরা রাজনীতি নয়, শতভাগ পজেটিভ হয়ে পরিশুদ্ধ ও ইতিবাচক করে এগুবে। এ পরিবর্তনটুকু বাইরে হলেও তার হাওয়া এক সময় রাজনৈতিক দলের ভেতরেও ঢুকে পড়বে। সমুদ্র জয়ের বিষয়টি নিয়ে যে রকমের অপ-রাজনীতি চলছে তা যে রাজনীতি নয়— সেটি কী কারো বুঝতে বাকি আছে! এরকম আরও অনেক ইস্যুতে সরকার বা বিরোধীরা যাই বলুক— জনগণের অবস্থান সেখানে পরিষ্কার। সুতরাং বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক তখনই সফল হতে পারে যখন সেখানে আর্থ-সামাজিক চাহিদা বা ভারসাম্যযুক্ত নীতিবোধকে সম্পৃক্ত করে রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়ন হবে। শুধুই ক্ষমতা বদলের ডাকে কেউই রাস্তার আন্দোলনে সম্পৃক্ত হবেন না— এটাই সত্য।

লেখক: অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় shiqbal70@gmail.com
The Daily Ittefaq

No comments:

Post a Comment