Thursday, July 17, 2014

রিয়া রাইমাকে নিয়ে পাবনায় আসছেন মুনমুন সেন

রিয়া রাইমাকে নিয়ে পাবনায় আসছেন মুনমুন সেন
কলকাতা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৮ জুলাই, ২০১৪

দুই মেয়ে রিয়া সেন ও রাইমা সেনকে নিয়ে পাবনায় মা কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িতে আসবেন মুনমুন সেন। বৃহস্পতিবার লোকসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন তিনি।
পাবনায় সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িটি বুধবার দখলদারদের কাছ থেকে বুঝে নেয় জেলা প্রশাসন। এখানে একটি সংগ্রহশালা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মায়ের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে যাবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মুনমুন সেন উল্লিখিত কথা বলেন। পৈতৃক বাড়িটি সরকার বুঝে নেয়ায় আনন্দও প্রকাশ করেন তিনি। সেই সঙ্গে এ বাড়িতে সংগ্রহশালা তৈরির সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানান। মুনমুন সেন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব তিনি বাংলাদেশ সফরে এসে মায়ের বাড়িতে যাবেন।
সুচিত্রা সেনের বাড়ির দখল বুঝে নিল পাবনা জেলা প্রশাসন : পাবনা প্রতিনিধি জানান, বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িটি জামায়াত পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দখলমুক্ত হওয়ার পর জেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর দখল বুঝে নিয়েছে। এখন যত দ্রুত সম্ভব বাড়িটিকে মহানায়িকার স্মৃতিকেন্দ্র বা আর্কাইভ করা হোক- এমন দাবি পাবনার রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের। এদিকে বাড়িটি দীর্ঘদিন পর দখলমুক্ত হওয়ার ঘটনায় পাবনায় সবার মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।
পাবনার মেয়ে উপমহাদেশের বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেন ওরফে কৃষ্ণা বা রমা দি পাবনা তথা গোটা বাংলা ভাষাভাষীদের কাছে স্মৃতি হয়ে আছেন। শহরের গোপালপুরের হেমসাগর লেনে অবস্থিত রমা দি’দের অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত বাড়িটি পাবনাবাসীর স্মৃতিতে প্রতিদিন যেন শান দেয়। নষ্টালজিতে আক্রান্ত হয় পাবনার মানুষ। সুচিত্রা সেনকে নিয়ে পাবনাবাসীর আবেগ এবং গর্বের যেন শেষ নেই। সুচিত্রার ডাক নাম রমা। তবে স্কুলে তার নাম ছিল কৃষ্ণা। পড়তেন পাবনা বালিকা বিদ্যালয়ে। দশম শ্রেণীতে পড়াকালীন রমা দি’র বিয়ে হলে ভারতে চলে যান। এর কিছুদিন পরে তার বাবার সঙ্গে পুরোপরিবার চলে যান ভারতে। এই বাড়িতে রমা দি’র শৈশব ও কৈশোরের অনেকটা সময় কেটেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, রমা দি বা সুচিত্রা সেন পাবনাকে এবং তার বাড়িটিকে মনে রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়েকজন বাঙালিকে রমা দি বলেছিলেন, পাবনায় তার অনেক স্মৃতি রয়েছে। তিনি পাবনায় আসবেন। ২০০১ সালে বাড়িটি দেখতে এসেছিলেন রমা দি’র পিসতাতো ভাই-বোন সুজাতা সেনগুপ্ত, পরমা সেনগুপ্ত, অলক সেনগুপ্ত, দিলিপ সেনগুপ্ত। তারা সে দিন বলেছিলেন রমা দি’র জন্মগৃহে এসে তারাও ধন্য। একইভাবে পাবনায় সুচিত্রা সেনের বাড়িটি দেখতে এসে অথবা বাড়িটিতে প্রবেশ করে যে কেউ নষ্টালজিতে আক্রান্ত হতে বাধ্য। তাইতো পাবনাবাসী সুচিত্রা সেনের বাড়িটি স্মৃতির মণিকোঠায় আগলে রাখতে চায়- যেভাবে ছবিতে সুচিত্রা উত্তমকে অনেকবারই আগলে রাখতে চেয়েছেন। এই বাড়িটিই পাবনাবাসীকে প্রতিনিয়ত সুচিত্রাকে যেন স্মরণ করিয়ে দেয়।
- See more at: http://www.jugantor.com/first-page/2014/07/18/124170#sthash.gVaigwZu.dpuf

No comments:

Post a Comment