কক্সবাজারের ডিসিকে তলব
যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৩ জুলাই, ২০১৪
কক্সবাজারের জিলংজা মৌজা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আদেশ পালন না করায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোঃ আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। বেলার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইকবাল কবির লিটন। আদালত সূত্র জানায়, কক্সবাজারের জিলংজা মৌজায় ৫৪ একর জমি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০০৬ সালে বরাদ্দ নেয়া হয়। পরবর্তীতে ওই বরাদ্দ বাতিল করা হয়। কিন্তু সেখানে কিছু নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) হাইকোর্টে রিট করে।
এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের ৮ জুন হাইকোর্ট এক মাসের মধ্যে সেখানকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলেন। এই নির্দেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে ১২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আবেদন করে বেলা। ৪ এপ্রিল হাইকোর্ট ওই ১২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়। কিন্তু দুই সপ্তাহ সময় পার হওয়ার পরও রুলের জবাব না দেয়ায় ডিসির ব্যক্তিগত হাজিরা চেয়ে বেলা আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আদালত ওই আদেশ দেন।
- See more at: http://www.jugantor.com/last-page/2014/07/23/126391#sthash.9Wi3wYRT.dpufএই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের ৮ জুন হাইকোর্ট এক মাসের মধ্যে সেখানকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলেন। এই নির্দেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে ১২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আবেদন করে বেলা। ৪ এপ্রিল হাইকোর্ট ওই ১২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়। কিন্তু দুই সপ্তাহ সময় পার হওয়ার পরও রুলের জবাব না দেয়ায় ডিসির ব্যক্তিগত হাজিরা চেয়ে বেলা আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আদালত ওই আদেশ দেন।
No comments:
Post a Comment