এমন আইন হচ্ছে যাতে মিডিয়ার স্বাধীনতা না থাকে
যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৩ জুলাই, ২০১৪
নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনাসহ সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী বলেছেন, এমন আইন করা হচ্ছে যাতে তাদের কোনো স্বাধীনতাই না থাকে। মঙ্গলবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান ভিক্ষুকমুক্ত করা বিষয়ে ওই সভার শুরুতে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জে খুনের ঘটনার বীভৎস চিত্র ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড করে বারবার দেখিয়েছে। এখনও দেখাচ্ছে। এটা দেখিয়ে মানুষকে তারা উত্তেজিত করছে। তিনি বলেন, ৫ থেকে ৭টি লাশ নিয়ে টেলিভিশনগুলোতে যা ইচ্ছা তাই দেখানো হচ্ছে। আপনারা কিনা করছেন। এটা কি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কাজ? আপনারা সিএনএন, বিবিসি দেখেন! বড় বড় ঘটনার বীভৎসতা কি সেখানে দেখানো হয়? গণমাধ্যমকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, পুলিশ আত্মত্যাগ করে সেটা নিয়ে খবর আসে না, খবর আসে সন্ত্রাসীদের পক্ষে। টাঙ্গাইলের পতিতা পল্লী উচ্ছেদের বিষয়ে সৈয়দ মহসিন আলী বলেন, অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে ফোন এসেছে আমার কাছে। তারা জানতে চেয়েছে- তোমাদের ওখানে কেন ক্রমাগত এগুলো হচ্ছে। আমি কি জবাব দেব। সৌদি আরবে যেমন শিরñেদের আইন আছে, আমাদের এখানেও এটা করা দরকার। যারা এগুলো (পতিতা পল্লী) উচ্ছেদ করেছে, সেখানে শরিয়াহ আইন জারি করে তাদের শিরñেদ করা উচিত।
ভিক্ষুকমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত : বৈঠকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সাতটি স্থান ভিক্ষুকমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত হয়। এ সাতটি স্থান হল বিমানবন্দর, হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল রূপসী বাংলা, হোটেল রেডিসন, বেইলি রোড, কূটনৈতিক জোন ও দূতাবাস এলাকা।
ঢাকাকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে অতীতে চেষ্টা করেও আমরা ব্যর্থ হয়েছি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমি ব্যর্থ হতে চাই না। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিক্ষাবৃত্তি রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। প্রস্তুতি নিয়ে আমরা কাজটি করতে চাই। এ জন্য ঈদের পর আবারও বসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিষয়টি আমরা চূড়ান্ত করব। ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি এক সভায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ভিক্ষুকমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ছিল।
সভায় সমাজকল্যাণ সচিব নাছিমা বেগম বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোয় আমরা ভিক্ষা করতে দেব না। এসব স্থানে ভিক্ষা করতে বসলেই গ্রেফতার করা হবে। ছয় বিভাগে আমাদের ভবঘুরে কেন্দ্রগুলোতে এক হাজার ৯০০ আসন আছে। এসব কেন্দ্রে ভিক্ষুকদের জায়গা দিতেও আমাদের সমস্যা হবে না।
সভায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মহানগর পুলিশ মানবাধিকার কমিশন, এনজিও প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- See more at: http://www.jugantor.com/last-page/2014/07/23/126388#sthash.8ciTJRnJ.dpufভিক্ষুকমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত : বৈঠকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সাতটি স্থান ভিক্ষুকমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত হয়। এ সাতটি স্থান হল বিমানবন্দর, হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল রূপসী বাংলা, হোটেল রেডিসন, বেইলি রোড, কূটনৈতিক জোন ও দূতাবাস এলাকা।
ঢাকাকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে অতীতে চেষ্টা করেও আমরা ব্যর্থ হয়েছি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমি ব্যর্থ হতে চাই না। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিক্ষাবৃত্তি রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। প্রস্তুতি নিয়ে আমরা কাজটি করতে চাই। এ জন্য ঈদের পর আবারও বসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিষয়টি আমরা চূড়ান্ত করব। ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি এক সভায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ভিক্ষুকমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ছিল।
সভায় সমাজকল্যাণ সচিব নাছিমা বেগম বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোয় আমরা ভিক্ষা করতে দেব না। এসব স্থানে ভিক্ষা করতে বসলেই গ্রেফতার করা হবে। ছয় বিভাগে আমাদের ভবঘুরে কেন্দ্রগুলোতে এক হাজার ৯০০ আসন আছে। এসব কেন্দ্রে ভিক্ষুকদের জায়গা দিতেও আমাদের সমস্যা হবে না।
সভায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মহানগর পুলিশ মানবাধিকার কমিশন, এনজিও প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন।
No comments:
Post a Comment