আমি জানতে চাই আমি কখন মরব
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জুলাই, ২০১৪
ধ্বংসযজ্ঞ আর মৃত্যুর মহড়া দেখতে দেখতে আরও একটি রাত পার হল আমার। এখন ল্যাপটপে ঘটনাটি লিখি। আমি ভেতরে ভেতরে কতটা ভেঙে পড়ছি, সেই হিসাবের প্রয়োজন নেই।
এই মুহূর্তে ঘুমিয়ে থাকাও কোনো ভালো কাজ হবে না। যদি আমি মরেই যাই (আমি তা চাই না), তবে জেগে থেকেই মরতে চাই। যাতে আমি জানতে পারি, আমি কখন মরব। আমি এটাও জানতে চাই কারা আমাকে মারছে আর কীভাবে আমার মৃত্যু হচ্ছে। গতকাল কী দেখেছিলাম এখন সেগুলো বলি।
জাবালিয়া ফুটবল মাঠে ইসরাইল যে বোমা নিক্ষেপ করে, তাতে চারজন শিশু নিহত হয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে বেঁচে যায় আরও দুজন। আমি সেই দুজন শিশুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাই। দেখি, একজনের পায়ে কোনো মাংস নেই। শরীরের সব অংশই পুড়ে গেছে। আমি শিশুটিকে জিজ্ঞেস করি, ওই দিন বিকালে কী ঘটেছিল? নয় বছর বয়সী ছেলেটি চিৎকার করে কেঁদে ওঠে। সে বলে আমরা সবাই একসঙ্গে ফুটবল খেলছিলাম। হঠাৎ বিকট আওয়াজে বোমা।
আমি তাকিয়ে দেখি আমার চাচাতো ভাইয়ের মাথাটা অনেক দূরে উড়ে গেছে। তার হাত-পা একেকটা একেদিকে ছিটকে গেছে। শিশুটির মা জানান, তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তখন বিদ্যুৎ ছিল না। ছেলেটি ঘটনা বলে যাচ্ছে কিন্তু তার কান্না থামছে না। মানসিক ব্যথার চেয়ে তার চোখের জল তাকে আরও কষ্ট দিচ্ছে।
এই মুহূর্তে ঘুমিয়ে থাকাও কোনো ভালো কাজ হবে না। যদি আমি মরেই যাই (আমি তা চাই না), তবে জেগে থেকেই মরতে চাই। যাতে আমি জানতে পারি, আমি কখন মরব। আমি এটাও জানতে চাই কারা আমাকে মারছে আর কীভাবে আমার মৃত্যু হচ্ছে। গতকাল কী দেখেছিলাম এখন সেগুলো বলি।
জাবালিয়া ফুটবল মাঠে ইসরাইল যে বোমা নিক্ষেপ করে, তাতে চারজন শিশু নিহত হয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে বেঁচে যায় আরও দুজন। আমি সেই দুজন শিশুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাই। দেখি, একজনের পায়ে কোনো মাংস নেই। শরীরের সব অংশই পুড়ে গেছে। আমি শিশুটিকে জিজ্ঞেস করি, ওই দিন বিকালে কী ঘটেছিল? নয় বছর বয়সী ছেলেটি চিৎকার করে কেঁদে ওঠে। সে বলে আমরা সবাই একসঙ্গে ফুটবল খেলছিলাম। হঠাৎ বিকট আওয়াজে বোমা।
আমি তাকিয়ে দেখি আমার চাচাতো ভাইয়ের মাথাটা অনেক দূরে উড়ে গেছে। তার হাত-পা একেকটা একেদিকে ছিটকে গেছে। শিশুটির মা জানান, তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তখন বিদ্যুৎ ছিল না। ছেলেটি ঘটনা বলে যাচ্ছে কিন্তু তার কান্না থামছে না। মানসিক ব্যথার চেয়ে তার চোখের জল তাকে আরও কষ্ট দিচ্ছে।
No comments:
Post a Comment