ইরানের ওপর চার মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইইউর
ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে টানা আলোচনার পর পরমাণু বিষয়ে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত দু’পক্ষই আগামী ২৪ নবেম্বর পর্যন্ত আলোচনার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়। গত আলোচনায় ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নেয়া এবং বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। খবর ওয়েবসাইট।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিষদ সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ওপর থেকে আংশিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার যে ঘোষণা ইউরোপ দিয়েছিল তা ফের আগামী ২৪ নবেম্বর পর্যন্ত নবায়ন করা হলো।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইউরোপের এ সিদ্ধান্তের ফলে ইরানের তেলবাহী জাহাজের বিমা সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি দেশটির আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ও পেট্রোকেমিক্যাল জাত পণ্য, স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতব পদার্থ রফতানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ সিদ্ধান্তের ফলে আগামী চার মাস পর্যন্ত বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের আর্থিক লেনদেন বহাল থাকবে। ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের চূড়ান্ত পরমাণু চুক্তি সইয়ের জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে পর্যায়ক্রমে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র গত এক দশক ধরে ইরানের ওপর অযৌক্তিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিয়ে আসলে শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে ইরানকে বিরত রাখার পাশাপাশি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতির ধারা থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যাত্রীবাহী বিমানের যন্ত্রাংশ, নির্মাণ সামগ্রী, গাড়ি ও জরুরী ওষুধ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এমনকি আমেরিকা ইউরোপীয় দেশগুলোকেও ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞায় শামিল হতে চাপ দিয়ে যাচ্ছে। অথচ এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিষদ সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ওপর থেকে আংশিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার যে ঘোষণা ইউরোপ দিয়েছিল তা ফের আগামী ২৪ নবেম্বর পর্যন্ত নবায়ন করা হলো।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইউরোপের এ সিদ্ধান্তের ফলে ইরানের তেলবাহী জাহাজের বিমা সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি দেশটির আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ও পেট্রোকেমিক্যাল জাত পণ্য, স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতব পদার্থ রফতানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ সিদ্ধান্তের ফলে আগামী চার মাস পর্যন্ত বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের আর্থিক লেনদেন বহাল থাকবে। ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের চূড়ান্ত পরমাণু চুক্তি সইয়ের জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে পর্যায়ক্রমে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র গত এক দশক ধরে ইরানের ওপর অযৌক্তিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিয়ে আসলে শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে ইরানকে বিরত রাখার পাশাপাশি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতির ধারা থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যাত্রীবাহী বিমানের যন্ত্রাংশ, নির্মাণ সামগ্রী, গাড়ি ও জরুরী ওষুধ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এমনকি আমেরিকা ইউরোপীয় দেশগুলোকেও ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞায় শামিল হতে চাপ দিয়ে যাচ্ছে। অথচ এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
No comments:
Post a Comment