মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে বছরে ৩০০ কোটি ডলারের সহায়তা দিয়ে থাকে। ইসরাইলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য মার্কিন সহায়তাতেই গড়ে তোলা হয়েছে। এ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই হামাস জঙ্গীদের অনবরত ছোড়া রকেটের হাত থেকে ইসরাইলদের রক্ষা করছে। স্টেইনবার্গের মতো শত শত আমেরিকান ‘একাকী সৈন্য’ ইসরাইলের সশস্ত্র বাহিনীতে থেকে যুদ্ধ করছেন।
ইসরাইলী সরকারের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্র এমনই এক ঘনিষ্ঠ মিত্র যে, ওয়াশিংটন যদি ফিলিস্তিনীদের দাবি-দাওয়া মেনে নিতে ইসরাইলের ওপর চাপ দেয় বা দেশটির প্রতি ক্ষতিকর মনে হয় এমন পদক্ষেপ নেয়, তবে সেটিকে ইসরাইলে বিশ্বাসঘাতকতা বলে দেখা হয়। দৃষ্টান্ত স্বরূপ, ইসরাইল অভিমুখে বা ইসরাইল থেকে বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সূচিত পদক্ষেপকে অনেক ইসরাইলীই তাদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর অথচ হামাসের জন্য বিজয়সূচক বলে মনে করছেন। ফিলিস্তিনী জঙ্গীদের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায়ই গাজা এলাকায় ইসরাইলী বোমা ও গোলাবর্ষণ এবং ফিলিস্তিনীদের ক্রমবর্ধিত সংখ্যায় নিহত হওয়ার জন্য সমভাবে দায়ী বলে দেখা হয়। কারণ ইসরাইলের বিমান, ট্যাংক ও কামান বহুলাংশে আমেরিকারই তৈরি। সম্প্রতি একদিন গাজা সিটিতে খলিল নুফল শিক্ষা হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে আসতে থাকা এ্যাম্বুল্যান্সগুলোর বিশৃঙ্খলা অবস্থার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেন। ওই হামাস সমর্থক বলেন, আমি আমেরিকার জনগণের উদ্দেশে, আমেরিকান করদাতাদের উদ্দেশে এক বার্তা পাঠাতে চাই।
আপনাদের অর্থে ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক, এফ-১৬ বিমান, এ্যাদাচে (হেলিকপ্টার) কেনা হয়। এগুলো আপনাদেরই বোমা। গাজা সিটির আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মখাইমার আবুসাদা বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজার জনগণ কেরি ও ওবামাকে ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলে উক্তি করতে শুনেছেন। আমরা সেটি বুঝতে পারি। আমরা আপনাদের আত্মরক্ষার বিষয়টি বুঝতে পারি, কিন্তু এসব শিশুকে হত্যা করা এবং আমাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস করার অর্থ বুঝতে পারি না।
ইসরাইলী সরকারের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্র এমনই এক ঘনিষ্ঠ মিত্র যে, ওয়াশিংটন যদি ফিলিস্তিনীদের দাবি-দাওয়া মেনে নিতে ইসরাইলের ওপর চাপ দেয় বা দেশটির প্রতি ক্ষতিকর মনে হয় এমন পদক্ষেপ নেয়, তবে সেটিকে ইসরাইলে বিশ্বাসঘাতকতা বলে দেখা হয়। দৃষ্টান্ত স্বরূপ, ইসরাইল অভিমুখে বা ইসরাইল থেকে বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সূচিত পদক্ষেপকে অনেক ইসরাইলীই তাদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর অথচ হামাসের জন্য বিজয়সূচক বলে মনে করছেন। ফিলিস্তিনী জঙ্গীদের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায়ই গাজা এলাকায় ইসরাইলী বোমা ও গোলাবর্ষণ এবং ফিলিস্তিনীদের ক্রমবর্ধিত সংখ্যায় নিহত হওয়ার জন্য সমভাবে দায়ী বলে দেখা হয়। কারণ ইসরাইলের বিমান, ট্যাংক ও কামান বহুলাংশে আমেরিকারই তৈরি। সম্প্রতি একদিন গাজা সিটিতে খলিল নুফল শিক্ষা হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে আসতে থাকা এ্যাম্বুল্যান্সগুলোর বিশৃঙ্খলা অবস্থার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেন। ওই হামাস সমর্থক বলেন, আমি আমেরিকার জনগণের উদ্দেশে, আমেরিকান করদাতাদের উদ্দেশে এক বার্তা পাঠাতে চাই।
আপনাদের অর্থে ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক, এফ-১৬ বিমান, এ্যাদাচে (হেলিকপ্টার) কেনা হয়। এগুলো আপনাদেরই বোমা। গাজা সিটির আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মখাইমার আবুসাদা বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজার জনগণ কেরি ও ওবামাকে ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলে উক্তি করতে শুনেছেন। আমরা সেটি বুঝতে পারি। আমরা আপনাদের আত্মরক্ষার বিষয়টি বুঝতে পারি, কিন্তু এসব শিশুকে হত্যা করা এবং আমাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস করার অর্থ বুঝতে পারি না।
No comments:
Post a Comment