বিশ্ব সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগ উপেক্ষা করে গাজায় হামলা অব্যাহত
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির কূটনৈতিক পদক্ষেপ উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনীর গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। গাজায় চলা প্রায় তিন সপ্তাহের এই অভিযানে মঙ্গলবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৬০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে একই ঘটনায় ২৯ ইসরাইলী নিহত হয়েছে। ইসরাইল বলেছে, গাজায় একটি সুড়ঙ্গ পথ অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত হামলা চলবে। মঙ্গলবারও এক ইসরাইলী নিহত হয়েছে বলে ইসরাইলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। খবর বিবিসি, এএফপি ও সিএনএন অনলাইন।
এদিকে মঙ্গলবার তেলআবিব হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছে, গাজায় একটা সুড়ঙ্গ পথ অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত এই হামলা চলবে। ইসরাইলী আইনমন্ত্রী জিপি লিভনি বলেছেন, গাজায় চলমান অভিযান বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের এই পদক্ষেপ কোন কাজেই আসবে না যদি না হামাস ইসরাইলের মাটিতে রকেট হামলা বন্ধ না করে। সোমবার রাতেই গাজার অন্তত ৭০টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর বোমা হামলা করে ইসরাইল। এই হামলা থেকে বাদ যায়নি মসজিদ এবং একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সও। জাতিসংঘ ত্রাণ দফতর জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতিকে বেসামরিক মানুষজনের অবস্থাকে বিপর্যয়কর বলে বর্ণনা করেছে। জাতিসংঘ মানবিক বিষয়ক দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, গাজার জনবসতি এতটাই ঘন যে গোলার হাত থেকে পালানোর কোন জায়গা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ইসরাইলী গোলার আঘাতে গাজায় এ পর্যন্ত ১৮টি হাসপাতাল এবং কয়েকটি ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অপরদিকে এক ফিলিস্তিনী বিশ্লেষক বলেছেন, হামাসের দাবি মেনে নিলে ইসরাইলী ভূখ-ে রকেট হামলা বন্ধ করতে রাজি হবে হামাস। তবে এ বিষয়ে হামাসের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অবশ্য এ বিষয়ে ইসরাইলী আইনমন্ত্রী জিপি লিভনি বলেছেন, এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে হামাস বলছে তাদের সকল দাবি-দাওয়া না মানলে ইসরাইলে হামলা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু তাদের সকল দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, হামাস জোর দিয়ে বলেছে তারা তাদের প্রতিশ্রুত দাবি থেকে সরে আসবে না।
সোমবার গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় কায়রোর বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্র্রমন্ত্রী জন কেরি এবং জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামাহ শুকরিও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন জন কেরি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি মঙ্গলবার সিসির সঙ্গে বৈঠক করে জাতিসংঘ মহাসচিব। বৈঠক শেষে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে তেলআবিবের উদ্দেশে রওনা দেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
সোমবারের বৈঠকে অবিলম্বে গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান বিশ্ব নেতারা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৃষ্ট মানবিক সঙ্কট হ্রাসের চেষ্টার অংশ হিসেবে গাজায় ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৈঠকে জন কেরি ফিলিস্তিনীদের হতাহতের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ইসরাইলের যথাযথ ও বৈধ সামরিক অভিযানের প্রতি মৌন সমর্থন জানান বলে বিবিসির খবরে বলা হয়। এ সময় কেরি নিরপরাধ বেসামরিকদের লড়াই থেকে রক্ষার জন্য একটি ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য হামাসের প্রতি আহ্বান জানান। আরব লীগ প্রধান নাবিল আল আরাবিও এক বৈঠকে একই ধরনের আহ্বান জানান। লড়াই শেষ করার জন্য দু’পক্ষেরই মিসরীয় প্রস্তাব মেনে নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে মঙ্গলবার তেলআবিব হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছে, গাজায় একটা সুড়ঙ্গ পথ অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত এই হামলা চলবে। ইসরাইলী আইনমন্ত্রী জিপি লিভনি বলেছেন, গাজায় চলমান অভিযান বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের এই পদক্ষেপ কোন কাজেই আসবে না যদি না হামাস ইসরাইলের মাটিতে রকেট হামলা বন্ধ না করে। সোমবার রাতেই গাজার অন্তত ৭০টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর বোমা হামলা করে ইসরাইল। এই হামলা থেকে বাদ যায়নি মসজিদ এবং একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সও। জাতিসংঘ ত্রাণ দফতর জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতিকে বেসামরিক মানুষজনের অবস্থাকে বিপর্যয়কর বলে বর্ণনা করেছে। জাতিসংঘ মানবিক বিষয়ক দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, গাজার জনবসতি এতটাই ঘন যে গোলার হাত থেকে পালানোর কোন জায়গা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ইসরাইলী গোলার আঘাতে গাজায় এ পর্যন্ত ১৮টি হাসপাতাল এবং কয়েকটি ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অপরদিকে এক ফিলিস্তিনী বিশ্লেষক বলেছেন, হামাসের দাবি মেনে নিলে ইসরাইলী ভূখ-ে রকেট হামলা বন্ধ করতে রাজি হবে হামাস। তবে এ বিষয়ে হামাসের কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অবশ্য এ বিষয়ে ইসরাইলী আইনমন্ত্রী জিপি লিভনি বলেছেন, এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে হামাস বলছে তাদের সকল দাবি-দাওয়া না মানলে ইসরাইলে হামলা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু তাদের সকল দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, হামাস জোর দিয়ে বলেছে তারা তাদের প্রতিশ্রুত দাবি থেকে সরে আসবে না।
সোমবার গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় কায়রোর বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্র্রমন্ত্রী জন কেরি এবং জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামাহ শুকরিও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন জন কেরি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি মঙ্গলবার সিসির সঙ্গে বৈঠক করে জাতিসংঘ মহাসচিব। বৈঠক শেষে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে তেলআবিবের উদ্দেশে রওনা দেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
সোমবারের বৈঠকে অবিলম্বে গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান বিশ্ব নেতারা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৃষ্ট মানবিক সঙ্কট হ্রাসের চেষ্টার অংশ হিসেবে গাজায় ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৈঠকে জন কেরি ফিলিস্তিনীদের হতাহতের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ইসরাইলের যথাযথ ও বৈধ সামরিক অভিযানের প্রতি মৌন সমর্থন জানান বলে বিবিসির খবরে বলা হয়। এ সময় কেরি নিরপরাধ বেসামরিকদের লড়াই থেকে রক্ষার জন্য একটি ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য হামাসের প্রতি আহ্বান জানান। আরব লীগ প্রধান নাবিল আল আরাবিও এক বৈঠকে একই ধরনের আহ্বান জানান। লড়াই শেষ করার জন্য দু’পক্ষেরই মিসরীয় প্রস্তাব মেনে নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
No comments:
Post a Comment