৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক কর্মচারী বেতন-বোনাস পাননি
মুসতাক আহমদ
প্রকাশ : ২৫ জুলাই, ২০১৪
সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক ও কর্মচারী বেতন-বোনাস পাননি। এসব জনবলের মধ্যে শিক্ষক প্রায় ২০ হাজার। বাকিরা দপ্তরি। শিক্ষকদের মধ্যে ১৪ হাজার প্রাক-প্রাথমিকের, সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রথম ধাপের প্যানেল থেকে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে ৫শ এবং বাকি প্রায় ৫ হাজার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের। শেষের সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষক বেতন পাচ্ছেন না ৯ মাস ধরে।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক ও কর্মচারীরা টেলিফোনে যুগান্তরকে জানান, এতদিন তারা বেতন ও বোনাসের জন্য উপজেলা উপজেলায় শিক্ষা অফিসে অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার শূন্য হাতে ঘরে ফিরতে হয়েছে। এ অবস্থায় তাদের ঈদ-উদযাপন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ বিষয়টি স্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, এদের অনেকেই রোববার পেয়ে যাবেন। প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষকরা রাজস্ব নয় উন্নয়ন খাতে নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষাখাত উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৩) অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত। অর্থবছরের প্রথম মাস হওয়ায় অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হয়েছে। তারা রোববার বেতন-ভাতা পেয়ে যাবেন। আর সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের মধ্যে যারা বেতন পাননি, তাদের গেজেট জারি (চাকরি জাতীয়করণ সম্পর্কিত) হয়নি। তবে তাদের আগের হিসাবে (এমপিও বেতনের সরকারি অংশ) দেয়ার উদ্যোগ চূড়ান্ত হয়েছে।
সরকার দেশের পুরনো ৩৮ হাজার বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক বা ছোটওয়ান চালু করেছে। এসব ক্লাসের জন্য একজন করে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০১৩ সালের অক্টোবরে ১৩ হাজার ৯৮৮ জন নিয়োগ করে। দ্বিতীয় ধাপে আরও সাড়ে ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী মোট ৩ ধাপে এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক ও কর্মচারীরা টেলিফোনে যুগান্তরকে জানান, এতদিন তারা বেতন ও বোনাসের জন্য উপজেলা উপজেলায় শিক্ষা অফিসে অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার শূন্য হাতে ঘরে ফিরতে হয়েছে। এ অবস্থায় তাদের ঈদ-উদযাপন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ বিষয়টি স্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, এদের অনেকেই রোববার পেয়ে যাবেন। প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষকরা রাজস্ব নয় উন্নয়ন খাতে নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষাখাত উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৩) অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত। অর্থবছরের প্রথম মাস হওয়ায় অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হয়েছে। তারা রোববার বেতন-ভাতা পেয়ে যাবেন। আর সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের মধ্যে যারা বেতন পাননি, তাদের গেজেট জারি (চাকরি জাতীয়করণ সম্পর্কিত) হয়নি। তবে তাদের আগের হিসাবে (এমপিও বেতনের সরকারি অংশ) দেয়ার উদ্যোগ চূড়ান্ত হয়েছে।
সরকার দেশের পুরনো ৩৮ হাজার বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক বা ছোটওয়ান চালু করেছে। এসব ক্লাসের জন্য একজন করে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০১৩ সালের অক্টোবরে ১৩ হাজার ৯৮৮ জন নিয়োগ করে। দ্বিতীয় ধাপে আরও সাড়ে ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী মোট ৩ ধাপে এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
No comments:
Post a Comment