কায়সার ও আজহারুলের মামলা প্রায় শেষ পর্যায়ে
যুদ্ধাপরাধী বিচার
স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম ইদ্রিস আলীকে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরা আজ ১২টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। অন্যদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দী শুরু হয়েছে। পরবর্তী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে সোমবার। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এ আদেশ প্রদান করেছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এ সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার ও এটিএম আজহারুল ইসলামের মামলা প্রায় শেষের দিকে। এই দুই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হওয়ার পর পরই আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষী শুরু হবে। এর পর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক। সর্বশেষ রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হবে। আজ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএ আজহারুল ইসলামীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ হলেই আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষীর দিন ঘোষণা করা হবে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১৯তম ও সর্বশেষ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা এসএম ইদ্রিস আলীকে আসামিপক্ষের জেরা অব্যাহত রয়েছে। আজ আবার তাঁকে জেরা করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার। বুধবার আসামিপক্ষের আইনজীবী মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ করার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। সে কারণে ট্রাইব্যুনাল আজ ১২টার মধ্যে আসামিপক্ষের আইনজীবীকে জেরা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দু’সদস্য ছিলেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক। এ সময় প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার ২২ জুন থেকে তদন্ত কর্মকর্তা এসএম ইদ্রিস আলীকে জেরা শুরু করেছেন। বুধবার আসামিপক্ষের আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তাকে পঞ্চম দিনের মতো জেরা করেন। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে এ পর্যন্ত এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১৮ সাক্ষী তাঁদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। প্রসিকিউশন পক্ষ সপ্তম সাক্ষী আমিনুল ইসলামকে বৈরী ঘোষণা করেছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম। এর আগে ১২ নবেম্বর এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটিতেও (উর্ধতন নেতৃত্বের দায়) অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি। ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারের ঢাকার মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এটিএম আজহারুল ইসলামকে।
সৈয়দ মোঃ কায়সার
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ৩২তম সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দী শুরু হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার পরবর্তী জেরার জন্য সোমবার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দু’সদস্য ছিলেন বিচারপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ শাহিনুর ইসলাম।
বুধবার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগমের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তিনি অসুস্থ হওয়ায় সময়ের আবেদন জানান প্রসিকিউকটর রানা দাশগুপ্ত। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রসিকিউশনের করা কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট গ্রহণের আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে নিষ্পত্তি করে ট্রাইব্যুনাল। এ বিষয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম শাহজাহান ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
৯ মার্চ শুরুর পর এ পর্যন্ত কায়সারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশনের ৩১ জন সাক্ষী। গত ৪ মার্চ কায়সারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম।গত ২ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। কায়সারকে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনপক্ষের প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে এবং ২৬ ডিসেম্বর ও গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন না করার পক্ষে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আব্দুস সোবহান তরফদার। গত বছরের ২১ মে বিকেল পৌনে চারটায় সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাঁকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। পরদিন ২২ মে কায়সারের জামিন আবেদন খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। বর্তমানে তিনি শর্ত সাপেক্ষে তাঁর ছেলের বাসায় জামিনে রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এ সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার ও এটিএম আজহারুল ইসলামের মামলা প্রায় শেষের দিকে। এই দুই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হওয়ার পর পরই আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষী শুরু হবে। এর পর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক। সর্বশেষ রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হবে। আজ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএ আজহারুল ইসলামীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ হলেই আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষীর দিন ঘোষণা করা হবে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ১৯তম ও সর্বশেষ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা এসএম ইদ্রিস আলীকে আসামিপক্ষের জেরা অব্যাহত রয়েছে। আজ আবার তাঁকে জেরা করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার। বুধবার আসামিপক্ষের আইনজীবী মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ করার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। সে কারণে ট্রাইব্যুনাল আজ ১২টার মধ্যে আসামিপক্ষের আইনজীবীকে জেরা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দু’সদস্য ছিলেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক। এ সময় প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার ২২ জুন থেকে তদন্ত কর্মকর্তা এসএম ইদ্রিস আলীকে জেরা শুরু করেছেন। বুধবার আসামিপক্ষের আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তাকে পঞ্চম দিনের মতো জেরা করেন। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে এ পর্যন্ত এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১৮ সাক্ষী তাঁদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। প্রসিকিউশন পক্ষ সপ্তম সাক্ষী আমিনুল ইসলামকে বৈরী ঘোষণা করেছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম। এর আগে ১২ নবেম্বর এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটিতেও (উর্ধতন নেতৃত্বের দায়) অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি। ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারের ঢাকার মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এটিএম আজহারুল ইসলামকে।
সৈয়দ মোঃ কায়সার
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ মোঃ কায়সারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ৩২তম সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দী শুরু হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার পরবর্তী জেরার জন্য সোমবার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার এ আদেশ প্রদান করেছেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দু’সদস্য ছিলেন বিচারপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ শাহিনুর ইসলাম।
বুধবার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগমের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তিনি অসুস্থ হওয়ায় সময়ের আবেদন জানান প্রসিকিউকটর রানা দাশগুপ্ত। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রসিকিউশনের করা কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট গ্রহণের আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে নিষ্পত্তি করে ট্রাইব্যুনাল। এ বিষয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম শাহজাহান ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
৯ মার্চ শুরুর পর এ পর্যন্ত কায়সারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশনের ৩১ জন সাক্ষী। গত ৪ মার্চ কায়সারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম।গত ২ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। কায়সারকে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনপক্ষের প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে এবং ২৬ ডিসেম্বর ও গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন না করার পক্ষে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আব্দুস সোবহান তরফদার। গত বছরের ২১ মে বিকেল পৌনে চারটায় সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাঁকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। পরদিন ২২ মে কায়সারের জামিন আবেদন খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। বর্তমানে তিনি শর্ত সাপেক্ষে তাঁর ছেলের বাসায় জামিনে রয়েছেন।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment