খালেদা জিয়ার বক্তব্য চরম ভাঁওতাবাজি ॥ সংসদে ক্ষোভ
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে সাক্ষাতকার
সংসদ রিপোর্টার ॥ ভারতের ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ দেয়া বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাক্ষাতকার নিয়ে জাতীয় সংসদে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। চৌদ্দ দলের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী- নেতারা তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেছেন, জনগণ থেকে চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত ও জনবিচ্ছিন্ন খালেদা জিয়ার বক্তব্যে তাঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা, ব্যর্থতা, ভাঁওতাবাজি ও অন্তসারশূন্যতাই দেশসহ সারাবিশ্বের সামনে ফুটে উঠেছে। ক্ষমতায় থাকতে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী-জঙ্গীদের খালেদা জিয়ার আশ্রয়-প্রশ্রয়, অস্ত্র সরবরাহ করা আর এখন বন্ধুতের সম্পর্ক স্থাপনের আগ্রহ শুধু হাস্যকরই নয়, স্ববিরোধী ও চরম ভাঁওতাবাজি ও মিথ্যাচারও বটে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বেই খালেদা জিয়ার কূটনৈতিক বেয়াদপির কথা স্বীকৃত ও প্রমাণিত।
বুধবার স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে অনির্ধারিত এ বিতর্কের ঘটনা ঘটান। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিতর্কের সূত্রপাত ঘটনা। একই বিষয়ে বিতর্কে অংশ নিয়ে খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।
প্রবীণ রাজনীতিক ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিষয়টি উত্থাপন করে বলেন, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে খালেদা জিয়া প্রদত্ত সাক্ষাতকারে জনগণ থেকে চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত একজন নেত্রীর (খালেদা জিয়া) রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বপনা প্রকাশ পেয়েছে। এর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুখোশও জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান যুগে মিথ্যাচারের মাধ্যমে জনগণকে যে বিভ্রান্ত করা যায় না, সেটিও বিএনপি নেত্রী ভুলে গেছেন। সাক্ষাতকারে তাঁর প্রদত্ত বক্তব্য শুধু হাস্যকরই নয়, চরম স্ববিরোধী মিথ্যাচারপূর্ণ।
দু’দেশের অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভারত নয়, আওয়ামী লীগ দায়ী’- খালেদা জিয়ার এমন দাবির বিরোধিতা করে তিনি বলেন, জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার দীর্ঘ ২১ বছর ক্ষমতায় ছিল। তখন তারা দু’দেশের অমীমাংসিত ইস্যু ফারাক্কা পানি সমস্যা, সীমান্ত চিহ্নিতকরণ, ছিটমহল, তিস্তা চুক্তি, সমুদ্রসীমাসহ একটি ইস্যু সমাধানে কোন উদ্যোগ নেয়নি। তারা অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তি করা তো দূরের কথা, কোনদিন তারা চিন্তাও করেনি। ’৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারত সফর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, গঙ্গার পানি চুক্তির কথা বলতে তিনি ভুলেই গেছেন!
তিনি বলেন, একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারই ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি চুক্তি, পাবর্ত্য শান্তি চুক্তি করেছে। পাবর্ত্য চুক্তির জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শান্তি পুরস্কার দিয়েছেন। ছিটমহল সমস্যা, সীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও তিস্তা চুক্তিরও উদ্যোগ নিয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংহ বাংলাদেশ সফরের সময়ই তিস্তা চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি চূড়ান্ত থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর আপত্তির কারণে তা সম্ভব হয়নি। গত ৪০ বছর সমুদ্রসীমায় নিজস্ব অধিকার আদায়ে কোন সরকার উদ্যোগ না নিলেও একমাত্র শেখ হাসিনাই আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে সমুদ্রসীমায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের সমপরিমাণ জায়গায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। ভারতের সঙ্গে চলা মামলার দ্রুতই রায় হবে। সেখানেও বাংলাদেশ তাদের অধিকার অর্জন করবে।
সংখ্যালঘু নির্যাতন সম্পর্কে খালেদা জিয়ার বক্তব্যে ‘হাস্যকর ও স্ববিরোধী’ উল্লেখ করে আমির হোসেন আমু বলেন, ’৯১ এবং ২০০১ সালে দু’বারের ক্ষমতায় থাকার সময় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে খালেদা জিয়ার সরকার দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্মম নিপীড়ন-নির্যাতন, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানী, শত শত মন্দির ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। খালেদা জিয়ার এমন ভাঁওতাবাজির রাজনীতি সবাই অবগত। জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হওয়া খালেদা জিয়ার এখনও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে ভারতের জঙ্গী-বিচ্ছিন্নবাদীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের চোরাচালানের ঘটনাও সেদেশের সরকার ও জনগণ জানেন। আর এই কারণেই দেশের জনগণ খালেদা জিয়াকে প্রত্যাখ্যান করে শেখ হাসিনার সঙ্গে থেকে দেশকে এগিয়ে যাচ্ছে। মিথ্যাচার করে জনগণকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, সাক্ষাতকারে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শুনে ঘোড়াও হাসবে। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বপনা, ব্যর্থতা আর অন্তসারশূন্যতা শুধু দেশেই নয়, পুরো পৃথিবীর কাছে প্রমাণিত হয়েছে। খালেদা জিয়া বিদেশী প্রভুত্ব কত প্রকার ও কী কী তা দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে খালেদা জিয়া ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী উলফাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও লালন-পালন করবেন, আর এখন বন্ধুত্বের কথা বলবেন- এটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বলেন, জামায়াতের হরতালের অজুহাত দেখিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সঙ্গে সাক্ষাত না করে খালেদা জিয়ার কূটনৈতিক বেয়াদপির ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন না, এখন অনুনয়-বিনয় করে হোটেলে গিয়ে সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাত করে খালেদা জিয়ার নানা অভিযোগ করার ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা জানা নেই।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ারা ক্ষমতায় থেকে কোন অমীমাংসিত ইস্যুর সমাধান করেনি, শুধু নিজেদের আখের গুছিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ বন্ধুত্বের যেমন মর্যাদা দিতে জানে, তেমনি ন্যায্য হিস্যা আদায় করতেও জানে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশের স্বার্থের প্রশ্নে বন্ধুত্ব রেখেও কিভাবে ন্যায্য হিস্যা ও স্বার্থ আদায় করার ঘটনা আজ আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত। তাই খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দেউলিয়াপূর্ণ বক্তব্যে জাতির সামনে প্রকাশ পেয়েছে।
জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দীন খান বাদল বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে এত গুরুত্ব দেয়ার কোন প্রয়োজন রয়েছে বলে আমি মনে করি না। আর খালেদা জিয়া সবসময়ই মিথ্যা কথা বলেন এটা ঠিক নয়। মিথ্যা কথার ফাঁকে ফাঁকে তাঁর মুখ থেকে দু-একটা সত্য কথাও বেরিয়ে আসে। যেমন সাক্ষাতকারে খালেদা জিয়া স্বীকার করেছেন বাংলাদেশে মানুষ ভাল আছে, ভারত যাবে কেন? তবে আমি খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চাই- বাংলাদেশের মানুষ ভাল থাকলে তবে খামোখা তাদের উৎপাত করছেন কেন? কেন শান্তি বিঘিœত করছেন? আসলে খালেদা জিয়া সাক্ষাতকারে তাঁর অপকর্মের আস্ফালন আর পরাজিত শক্তির বক্তব্যে আওড়িয়েছেন। তিনি শুধু বিদেশনীতি নিয়ে সংসদে এক ঘণ্টার সাধারণ আলোচনার দাবি জানান।
বুধবার স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে অনির্ধারিত এ বিতর্কের ঘটনা ঘটান। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিতর্কের সূত্রপাত ঘটনা। একই বিষয়ে বিতর্কে অংশ নিয়ে খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।
প্রবীণ রাজনীতিক ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিষয়টি উত্থাপন করে বলেন, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে খালেদা জিয়া প্রদত্ত সাক্ষাতকারে জনগণ থেকে চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত একজন নেত্রীর (খালেদা জিয়া) রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বপনা প্রকাশ পেয়েছে। এর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুখোশও জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান যুগে মিথ্যাচারের মাধ্যমে জনগণকে যে বিভ্রান্ত করা যায় না, সেটিও বিএনপি নেত্রী ভুলে গেছেন। সাক্ষাতকারে তাঁর প্রদত্ত বক্তব্য শুধু হাস্যকরই নয়, চরম স্ববিরোধী মিথ্যাচারপূর্ণ।
দু’দেশের অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভারত নয়, আওয়ামী লীগ দায়ী’- খালেদা জিয়ার এমন দাবির বিরোধিতা করে তিনি বলেন, জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার দীর্ঘ ২১ বছর ক্ষমতায় ছিল। তখন তারা দু’দেশের অমীমাংসিত ইস্যু ফারাক্কা পানি সমস্যা, সীমান্ত চিহ্নিতকরণ, ছিটমহল, তিস্তা চুক্তি, সমুদ্রসীমাসহ একটি ইস্যু সমাধানে কোন উদ্যোগ নেয়নি। তারা অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তি করা তো দূরের কথা, কোনদিন তারা চিন্তাও করেনি। ’৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারত সফর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, গঙ্গার পানি চুক্তির কথা বলতে তিনি ভুলেই গেছেন!
তিনি বলেন, একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারই ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি চুক্তি, পাবর্ত্য শান্তি চুক্তি করেছে। পাবর্ত্য চুক্তির জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শান্তি পুরস্কার দিয়েছেন। ছিটমহল সমস্যা, সীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও তিস্তা চুক্তিরও উদ্যোগ নিয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংহ বাংলাদেশ সফরের সময়ই তিস্তা চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি চূড়ান্ত থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর আপত্তির কারণে তা সম্ভব হয়নি। গত ৪০ বছর সমুদ্রসীমায় নিজস্ব অধিকার আদায়ে কোন সরকার উদ্যোগ না নিলেও একমাত্র শেখ হাসিনাই আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে সমুদ্রসীমায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের সমপরিমাণ জায়গায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। ভারতের সঙ্গে চলা মামলার দ্রুতই রায় হবে। সেখানেও বাংলাদেশ তাদের অধিকার অর্জন করবে।
সংখ্যালঘু নির্যাতন সম্পর্কে খালেদা জিয়ার বক্তব্যে ‘হাস্যকর ও স্ববিরোধী’ উল্লেখ করে আমির হোসেন আমু বলেন, ’৯১ এবং ২০০১ সালে দু’বারের ক্ষমতায় থাকার সময় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে খালেদা জিয়ার সরকার দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্মম নিপীড়ন-নির্যাতন, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানী, শত শত মন্দির ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। খালেদা জিয়ার এমন ভাঁওতাবাজির রাজনীতি সবাই অবগত। জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হওয়া খালেদা জিয়ার এখনও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে ভারতের জঙ্গী-বিচ্ছিন্নবাদীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং তাদের জন্য বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের চোরাচালানের ঘটনাও সেদেশের সরকার ও জনগণ জানেন। আর এই কারণেই দেশের জনগণ খালেদা জিয়াকে প্রত্যাখ্যান করে শেখ হাসিনার সঙ্গে থেকে দেশকে এগিয়ে যাচ্ছে। মিথ্যাচার করে জনগণকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, সাক্ষাতকারে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শুনে ঘোড়াও হাসবে। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বপনা, ব্যর্থতা আর অন্তসারশূন্যতা শুধু দেশেই নয়, পুরো পৃথিবীর কাছে প্রমাণিত হয়েছে। খালেদা জিয়া বিদেশী প্রভুত্ব কত প্রকার ও কী কী তা দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে খালেদা জিয়া ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী উলফাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও লালন-পালন করবেন, আর এখন বন্ধুত্বের কথা বলবেন- এটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বলেন, জামায়াতের হরতালের অজুহাত দেখিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সঙ্গে সাক্ষাত না করে খালেদা জিয়ার কূটনৈতিক বেয়াদপির ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন না, এখন অনুনয়-বিনয় করে হোটেলে গিয়ে সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাত করে খালেদা জিয়ার নানা অভিযোগ করার ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা জানা নেই।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ারা ক্ষমতায় থেকে কোন অমীমাংসিত ইস্যুর সমাধান করেনি, শুধু নিজেদের আখের গুছিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ বন্ধুত্বের যেমন মর্যাদা দিতে জানে, তেমনি ন্যায্য হিস্যা আদায় করতেও জানে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশের স্বার্থের প্রশ্নে বন্ধুত্ব রেখেও কিভাবে ন্যায্য হিস্যা ও স্বার্থ আদায় করার ঘটনা আজ আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত। তাই খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দেউলিয়াপূর্ণ বক্তব্যে জাতির সামনে প্রকাশ পেয়েছে।
জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দীন খান বাদল বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে এত গুরুত্ব দেয়ার কোন প্রয়োজন রয়েছে বলে আমি মনে করি না। আর খালেদা জিয়া সবসময়ই মিথ্যা কথা বলেন এটা ঠিক নয়। মিথ্যা কথার ফাঁকে ফাঁকে তাঁর মুখ থেকে দু-একটা সত্য কথাও বেরিয়ে আসে। যেমন সাক্ষাতকারে খালেদা জিয়া স্বীকার করেছেন বাংলাদেশে মানুষ ভাল আছে, ভারত যাবে কেন? তবে আমি খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চাই- বাংলাদেশের মানুষ ভাল থাকলে তবে খামোখা তাদের উৎপাত করছেন কেন? কেন শান্তি বিঘিœত করছেন? আসলে খালেদা জিয়া সাক্ষাতকারে তাঁর অপকর্মের আস্ফালন আর পরাজিত শক্তির বক্তব্যে আওড়িয়েছেন। তিনি শুধু বিদেশনীতি নিয়ে সংসদে এক ঘণ্টার সাধারণ আলোচনার দাবি জানান।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment