এক ছাদের নিচে পুরান ঢাকার সব ঐতিহ্যবাহী খাবার
যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৩ জুলাই, ২০১৪
হাজীর বিরিয়ানি, ফখরুলের চাপ, নান্নার বিরিয়ানি, বিউটির লাচ্ছি- পুরান ঢাকার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ঐতিহ্যবাহী খাবার। এ খাবারগুলো এতই জনপ্রিয় যে, নাম ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। তবে সমস্যা একটাই। দোকানগুলো একেকটি একেক জায়গায়। কোনোটা আলাউদ্দিন রোডে তো কোনোটা নাজিমউদ্দিন রোডে, কোনোটা আবার সুদূর সদরঘাট লাগোয়া পাটুয়াটুলীতে। আবার একই নামেও আছে অসংখ্য দোকান। যে কারণে মানুষ বিভ্রান্তও হয় সহজে। তবে এবার সে বিভ্রান্তি দূর করতে এবং পুরান ঢাকার খাবারের ঐতিহ্যকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে নেয়া হয়েছে অভিনব উদ্যোগ। ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে মাসব্যাপী ইফতার মেলা।
পুরান ঢাকার সামাজিক সংগঠন ওল্ড ঢাকা ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে মঙ্গলবার বংশালের হাজী জুম্মন কারফু কমিউনিটি সেন্টারে শুরু হয়েছে এ ইফতার মেলা। পুরান ঢাকার প্রায় প্রতিটি বিখ্যাত খাবারের দোকানের স্টল শোভা পাচ্ছে সে মেলায়। একই নামের অনেক দোকান থাকার কারণে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে আয়োজকরা খোঁজখবর নিয়ে কেবল প্রকৃত বিখ্যাত দোকানগুলোকেই স্টল বরাদ্দ দিয়েছেন। খাবারে ভেজাল রোধে এবং মান নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন কঠোর অবস্থান। মেলায় স্টল দিয়েছে ২৭টি প্রতিষ্ঠান। মেলাটি উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মোঃ সেলিম।
মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বিউটির লাচ্ছি ও ফালুদা, হামদর্দের রুহ আফজা, রয়েলের লাবাং ও পেস্তার শরবত, কোলকাতা কাচ্চি ও জাফরানের শরবত, স্টার হোটেলের লাবাং, বোরহানি, ফিন্নি ও দই, হালকা বাবুর্চির মোরগ পোলাও, জব্বারের শাহী দই বড়া ও শাহী জিলাপি, ইমাম বিরিয়ানি, ফখরুলের চাপ, চিকেন টিক্কা, জালি কাবাব, সুতি কাবাব, কোপ্তা, খাসির গ্লাসি, টিকা কাবাব, বড় বাপের পোলায় খায়, শাহী টুকরা, হাজীর বিরিয়ানি, নান্নার বিরিয়ানি, শাহী হালিম, ফরমালিনমুক্ত খেজুর, আম, অন্যান্য ফল ও কাঁচাবাজার, ভেজালমুক্ত আলু চপ, ডিম চপ, পেঁয়াজু, বেগুনি, পাকোরা, পুরি, সিঙ্গারা, সমুচা, পনিরের সমুচা, হানিফের আচার, মাসুদের পনির, সাইফুলের পাপর, খাঁটি মধু, ঘি-সহ আরও নানা রকম খাদ্যপণ্য।
- See more at: http://www.jugantor.com/news/2014/07/03/118140#sthash.QRwXpZiV.dpufপুরান ঢাকার সামাজিক সংগঠন ওল্ড ঢাকা ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে মঙ্গলবার বংশালের হাজী জুম্মন কারফু কমিউনিটি সেন্টারে শুরু হয়েছে এ ইফতার মেলা। পুরান ঢাকার প্রায় প্রতিটি বিখ্যাত খাবারের দোকানের স্টল শোভা পাচ্ছে সে মেলায়। একই নামের অনেক দোকান থাকার কারণে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে আয়োজকরা খোঁজখবর নিয়ে কেবল প্রকৃত বিখ্যাত দোকানগুলোকেই স্টল বরাদ্দ দিয়েছেন। খাবারে ভেজাল রোধে এবং মান নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন কঠোর অবস্থান। মেলায় স্টল দিয়েছে ২৭টি প্রতিষ্ঠান। মেলাটি উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মোঃ সেলিম।
মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বিউটির লাচ্ছি ও ফালুদা, হামদর্দের রুহ আফজা, রয়েলের লাবাং ও পেস্তার শরবত, কোলকাতা কাচ্চি ও জাফরানের শরবত, স্টার হোটেলের লাবাং, বোরহানি, ফিন্নি ও দই, হালকা বাবুর্চির মোরগ পোলাও, জব্বারের শাহী দই বড়া ও শাহী জিলাপি, ইমাম বিরিয়ানি, ফখরুলের চাপ, চিকেন টিক্কা, জালি কাবাব, সুতি কাবাব, কোপ্তা, খাসির গ্লাসি, টিকা কাবাব, বড় বাপের পোলায় খায়, শাহী টুকরা, হাজীর বিরিয়ানি, নান্নার বিরিয়ানি, শাহী হালিম, ফরমালিনমুক্ত খেজুর, আম, অন্যান্য ফল ও কাঁচাবাজার, ভেজালমুক্ত আলু চপ, ডিম চপ, পেঁয়াজু, বেগুনি, পাকোরা, পুরি, সিঙ্গারা, সমুচা, পনিরের সমুচা, হানিফের আচার, মাসুদের পনির, সাইফুলের পাপর, খাঁটি মধু, ঘি-সহ আরও নানা রকম খাদ্যপণ্য।
No comments:
Post a Comment