‘ডেম’ খেতাব পেলেন এ্যাঞ্জেলিনা জোলি
এ্যাঞ্জেলিনা জোলি। জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী। তবে শুধু অভিনেত্রী হিসেবে নয়, সমাজকর্মী ও মানবতাবাদী কাজেও তিনি খ্যাতি লাভ করেছেন। সেজন্য বেশকিছু সম্মাননা ও পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের পক্ষ থেকে এক বিশেষ খেতাব ‘ডেম’ দেয়া হয়েছে অস্কারজয়ী এই অভিনেত্রীকে। হলিউডের তারকা জোলি যুদ্ধক্ষেত্রে নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রচারণাজনিত এক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাজ্যে যান। অঅর তখনই রানীর পক্ষ থেকে তাকে এ সম্মানজনক খেতাব ‘ডেম’ খেতাবটি পুরুষদের দেয়া নাইটহুডের সম্মান মর্যাদার বলে বিবেচনা করা হয়। সম্মাননা পেয়ে জোলি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি জানান ‘এই সম্মাননা আমার কাছে বিরাট কিছু। আর এ কাজের জন্যে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি। দুইবার অস্ফারজয়ী এই অভিনেত্রী আরও জানান, পিএসভিআই (প্রিভেন্টিং সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স ও ইনিশিয়েটিভ) ও ধর্ষণের শিকার নারীদের জন্য কিছু করতে পারাই অনেক সম্মানের।
চলচ্চিত্রের বাইরে নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছেন একাধিকবার বিশ্বের সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হওয়া এই হলিউড অভিনেত্রী। ২০০১ সালে জোলি জাতিসংঘের শরণার্থী শিবিরের শুভেচ্ছাদূত হন। এরপর থেকে অদ্যাবধি বিশ্বব্যাপী মানবতা প্রচারসহ যুদ্ধাক্রান্ত নারী ও শিশুর কল্যাণে কাজ করছেন। এসব কাজের অংশ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের বিভিন্ন প্রচারাভিযানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। বিভিন্ন দেশের যুদ্ধ শিবির পরিভ্রমণ করে শরনার্থীদের প্রকৃত অবস্থা স্বচক্ষে দেখতে যান। পরবর্তীতে তাদের সহায়তার জন্যে তহবিল সংগ্রহ করেন।
২০০৬ সালে এ্যাঞ্জেলিনা জোলি দাতব্য সংগঠন ‘জোলি-পিট ফাউন্ডেশন গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংঘর্ষের শিকার শিশুদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে নারী ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।
অপরাজিতা ডেস্ক
চলচ্চিত্রের বাইরে নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছেন একাধিকবার বিশ্বের সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হওয়া এই হলিউড অভিনেত্রী। ২০০১ সালে জোলি জাতিসংঘের শরণার্থী শিবিরের শুভেচ্ছাদূত হন। এরপর থেকে অদ্যাবধি বিশ্বব্যাপী মানবতা প্রচারসহ যুদ্ধাক্রান্ত নারী ও শিশুর কল্যাণে কাজ করছেন। এসব কাজের অংশ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের বিভিন্ন প্রচারাভিযানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। বিভিন্ন দেশের যুদ্ধ শিবির পরিভ্রমণ করে শরনার্থীদের প্রকৃত অবস্থা স্বচক্ষে দেখতে যান। পরবর্তীতে তাদের সহায়তার জন্যে তহবিল সংগ্রহ করেন।
২০০৬ সালে এ্যাঞ্জেলিনা জোলি দাতব্য সংগঠন ‘জোলি-পিট ফাউন্ডেশন গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংঘর্ষের শিকার শিশুদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে নারী ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।
অপরাজিতা ডেস্ক
No comments:
Post a Comment