বেনজেমাদের তাতাচ্ছেন সাবেকরা
প্রকাশ : ০৩ জুলাই, ২০১৪
৩২ বছর পরও প্রতিশোধের আগুনটা জ্বলছে ম্যাক্সিম বসির মনে। এখনও ক্ষতটা দগদগে সাবেক ফরাসি ফুটবলারের। ১৯৮২ বিশ্বকাপের সেই কলংকিত দিনের ক্ষত। যে দিন জার্মানির বিপক্ষে পেনাল্টি শুট আউটে হারতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। আর এক ফরাসি ফুটবলারকে এমন মারা হয়েছিল যার কাছে সুয়ারেজের দাঁত বসানোর ঘটনা মনে হতে পারে নেহাতই শিশু।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই জার্মান গোলকিপার হ্যারল্ড শুমাখার ফ্রান্সের প্যাট্রিক বাতিসকে এমন চার্জ করেছিলেন যে মাঠেই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। প্রায় কোমাতেই চলে গিয়েছিলেন ফরাসি ডিফেন্ডার। বেশ কয়েকটা দাঁত উপড়ে গিয়েছিল। বুকের হাড় আর মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন বাতিস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা লেখা আছে অন্যতম কুখ্যাত দিন হিসেবে।
আধ ঘণ্টা লেগেছিল বাতিসের জ্ঞান ফিরতে। তবু রেফারি কোনো ফাউল দেননি। শুমাখারকে কার্ড দেখানো দূরের কথা। বলা হয়েছিল রেফারি নাকি ঘটনাটা দেখতেই পাননি! ফ্রান্সের সেই দলের অধিনায়ক মিশেল প্লাতিনি পরে বলেছিলেন, আমি তো ভেবেছিলাম বাতিস মারাই গেছে। নাড়ির গতি বোঝা যাচ্ছিল না। ওর চেহারা পুরো ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল।
সতীর্থকে এই অবস্থায় দেখে আতংকটা চেপে বসেছিল হয়তো বসির। শুট আউটের ফল তখন ৪-৪। পাঁচ নম্বর শটটা নিতে গিয়েছিলেন বসি। ঠিক তখনই তার শট আটকে দেন ম্যাচের খলনায়ক শুমাখার। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ফের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ এলেও জার্মানিকে হারাতে পারেনি ফ্রান্স। তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপে আরেকটা সুযোগ নিশ্চিত হয়ে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালের যুদ্ধে দিদিয়ের দেশম আর জোয়াচিম লোর দল মুখোমুখি হওয়ায়।
ফরাসি কোচের উদ্দেশে বসি বলেছেন, দেশমকে আমি একটাই কথা বলব, বিরাশির সেভিলের ম্যাচের বদলা চাই। বদলার কথা মাথায় রেখেই আমি কোয়ার্টার ফাইনালের যুদ্ধটা দেখতে বসব। যেটা চার বছর পরও আমরা মেক্সিকো বিশ্বকাপে নিতে পারিনি। সঙ্গে আরও বলেন, এই হারগুলো নিয়ে কম কথা হয়নি। প্রতিদিন শুনতে হতো ব্যর্থতাগুলো নিয়ে। এটা ঠিক যে, সেই সময়ের সঙ্গে এখনকার সময়ের তুলনা করা হয়তো ঠিক হবে না। তবে আমি চাইব ফরাসি দল যেন এবার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠার পথে আমাদের সময়ের ওই ব্যর্থতাগুলোও মাথায় রাখে।
তবে ৫৯ বছর বয়সী বসিসের সতীর্থ মারিউস ট্রেসর কিন্তু তার সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, এটা ওদের সময়। আমাদের নয়। এই দলটায় যারা খেলছে অনেকেই সেই সময় জন্মায়নি। আমাদের বদলা নেয়ার সুযোগটা এসেছিল ঠিক তার পরের বিশ্বকাপেই। কিন্তু আমরা ব্যর্থ হই। তাই এখনকার ফরাসি দলের ফুটবলারদের অতীতের সেই ব্যর্থতার ভার নিয়ে ম্যাচে নামাটা ঠিক হবে না। ওয়েবসাইট।
- See more at: http://www.jugantor.com/sports/2014/07/03/118044#sthash.Md75AiZj.dpufম্যাচের প্রথমার্ধেই জার্মান গোলকিপার হ্যারল্ড শুমাখার ফ্রান্সের প্যাট্রিক বাতিসকে এমন চার্জ করেছিলেন যে মাঠেই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। প্রায় কোমাতেই চলে গিয়েছিলেন ফরাসি ডিফেন্ডার। বেশ কয়েকটা দাঁত উপড়ে গিয়েছিল। বুকের হাড় আর মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন বাতিস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা লেখা আছে অন্যতম কুখ্যাত দিন হিসেবে।
আধ ঘণ্টা লেগেছিল বাতিসের জ্ঞান ফিরতে। তবু রেফারি কোনো ফাউল দেননি। শুমাখারকে কার্ড দেখানো দূরের কথা। বলা হয়েছিল রেফারি নাকি ঘটনাটা দেখতেই পাননি! ফ্রান্সের সেই দলের অধিনায়ক মিশেল প্লাতিনি পরে বলেছিলেন, আমি তো ভেবেছিলাম বাতিস মারাই গেছে। নাড়ির গতি বোঝা যাচ্ছিল না। ওর চেহারা পুরো ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল।
সতীর্থকে এই অবস্থায় দেখে আতংকটা চেপে বসেছিল হয়তো বসির। শুট আউটের ফল তখন ৪-৪। পাঁচ নম্বর শটটা নিতে গিয়েছিলেন বসি। ঠিক তখনই তার শট আটকে দেন ম্যাচের খলনায়ক শুমাখার। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ফের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ এলেও জার্মানিকে হারাতে পারেনি ফ্রান্স। তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপে আরেকটা সুযোগ নিশ্চিত হয়ে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালের যুদ্ধে দিদিয়ের দেশম আর জোয়াচিম লোর দল মুখোমুখি হওয়ায়।
ফরাসি কোচের উদ্দেশে বসি বলেছেন, দেশমকে আমি একটাই কথা বলব, বিরাশির সেভিলের ম্যাচের বদলা চাই। বদলার কথা মাথায় রেখেই আমি কোয়ার্টার ফাইনালের যুদ্ধটা দেখতে বসব। যেটা চার বছর পরও আমরা মেক্সিকো বিশ্বকাপে নিতে পারিনি। সঙ্গে আরও বলেন, এই হারগুলো নিয়ে কম কথা হয়নি। প্রতিদিন শুনতে হতো ব্যর্থতাগুলো নিয়ে। এটা ঠিক যে, সেই সময়ের সঙ্গে এখনকার সময়ের তুলনা করা হয়তো ঠিক হবে না। তবে আমি চাইব ফরাসি দল যেন এবার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠার পথে আমাদের সময়ের ওই ব্যর্থতাগুলোও মাথায় রাখে।
তবে ৫৯ বছর বয়সী বসিসের সতীর্থ মারিউস ট্রেসর কিন্তু তার সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, এটা ওদের সময়। আমাদের নয়। এই দলটায় যারা খেলছে অনেকেই সেই সময় জন্মায়নি। আমাদের বদলা নেয়ার সুযোগটা এসেছিল ঠিক তার পরের বিশ্বকাপেই। কিন্তু আমরা ব্যর্থ হই। তাই এখনকার ফরাসি দলের ফুটবলারদের অতীতের সেই ব্যর্থতার ভার নিয়ে ম্যাচে নামাটা ঠিক হবে না। ওয়েবসাইট।
No comments:
Post a Comment