Thursday, July 3, 2014

সন্ধ্যা ছ’টায় এসেছিল যে মেয়েটা গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ অনুবাদ: খুররম মমতাজ

সন্ধ্যা ছ’টায় এসেছিল যে মেয়েটা
গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
অনুবাদ: খুররম মমতাজ
(পূর্ব প্রকাশের পর)
জোসে একটু বিব্রত হলো। মেয়েটার হাসি দেখে খারাপ লাগছে ওর।
‘তুমি মাতাল হয়ে গেছ, সোনা,’ হোসে বললো, ‘বাড়ি যাও, গিয়ে ঘুমাও। আজকে আর খেতে হবে না।’
কিন্তু মেয়েটা হাসি থামিয়ে দিয়েছে, অন্যমনস্কভাবে কি যেন ভাবছে, কাউন্টারের উপর ঝুঁকে আছে সে। হোসের চলে যাওয়া দেখলো। হোসে গিয়ে ফ্রিজটা খুললো। ফ্রিজ থেকে কিছুই না নিয়ে আবার বন্ধ করে দিল ফ্রিজটা। কাউন্টারের শেষ মাথায় চলে গেছে হোসে। উপরের কাঁচটা মুছছে। ঠিক যেমন মুছছিল আগে। ‘সত্যিই তুমি আমাকে ভালোবাসো, পেপিলো?’ বলার সময় যেমন নরম সুরে কথা বলেছিল, ঠিক তেমনি নরম সুরে আবার ডাক দিল মেয়েটা।
‘হোসে।’
হোসে তাকালো না।
‘হোসে!’ মেয়েটা আবার ডাকলো।
‘বাড়ি গিয়ে ঘুমাও,’ হোসে বললো। ‘ঘুমানোর আগে শাওয়ার নিও। ঘুমটা ভালো হবে।’
‘সিরিয়াসলি বলছি হোসে।’ মেয়েটা বললো। ‘আমি মাতাল হইনি।’
‘তাহলে স্টুপিড হয়েছ।’
‘এখানে আসো হোসে। কথা আছে তোমার সঙ্গে।’
একটু ইতস্তত করে এগিয়ে এলো হোসে, মনে মনে সে খুশি হয়েছে, কিন্তু বুঝতে পারছে না ওর কথায় বিশ্বাস করা ঠিক হবে কিনা।
‘কাছে আসো!’
আবার মেয়েটার সামনে এসে দাঁড়ালো হোসে। মেয়েটা ওর চুলের গোছা টেনে ধরলো। ঝুঁকে কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বললো, ‘একটু আগে যা বলেছিলে সেটা আবার বলো।’
‘কি বলেছিলাম?’ ঘাড় কাত করে ওকে দেখার চেষ্টা করলো হোসে।
‘ঐ যে- যে যায় আমার সঙ্গে বিছানায়, তাকে তুমি খুন করবে।’
‘হ্যাঁ কুইন। তোমার সঙ্গে যে বিছানায় যায়, তাকে আমি খুন করবো।’
মাথাটা ও ছেড়ে দিল।
‘ধরো যদি আমিই লোকটাকে খুন করি, তাহলে তুমি আমাকে রক্ষা করবে, তাই না?’ হোসের বিশাল ধরটা আদুরে ভঙ্গিতে ঠেলে দিল ও। হোসে কিছু বললো না, হাসলো।
‘উত্তর দাও হোসে।’ মেয়েটা বললো। ‘আমাকে তুমি রক্ষা করবে? যদি আমিই খুনটা করি?’
‘সেটা নির্ভর করে।’ হোসে জবাব দিল। ‘ব্যাপারটা এত সহজ নয়, জানোই তো।’
‘পুলিশ তোমার কথা বিশ্বাস করবে।’
হোসে হাসলো। কথাটা শুনে ও খুশি হয়েছে। মেয়েটা আবার ঝুঁকে এলো।
‘সত্যি বলছি হোসে। আমি জানি তুমি কখনো মিথ্যা বলো না।’
‘কি বলতে চাচ্ছো তুমি আসলে?’
‘না কিছু না, এমনি বলছি। পুলিশও জানে- তুমি মিথ্যা বলো না। তারা তোমাকে বিশ্বাস করে।’
কি বলবে বুঝতে না পেরে কাউন্টারের উপর তাল ঠুকতে লাগলো হোসে। মেয়েটা আবার পথের দিকে তাকিয়েছে। ঘাড় ফিরিয়ে ঘড়িটা দেখলো। প্রসঙ্গটা যেন শেষ করতে চায়- এ রকম ভঙ্গিতে বললো, ‘সিরিয়াসলি বলছি হোসে। আমার জন্য একটা মিথ্যে কথা বলতে পারবে?’
চমকে ওর দিকে তাকালো হোসে। ভালোভাবে দেখলো ওকে। কথাটা হোসের মগজে ঢুকেলো এক কান দিয়ে, দ্রুত একটা চক্কর মারলো মগজে, তারপর অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে গেল, কিন্তু যাওয়ার আগে রেখে গেল চমক আর আতঙ্ক।
‘কি কা- করেছ তুমি, কুইন?’ কাউন্টারের উপর ঝুঁকে প্রশ্নটা করলো হোসে। ‘কি কা- করেছ, বলো। নিশ্চয়ই সিরিয়াস কিছু?’
মেয়েটা মুখ ঘুরিয়ে নিল। ‘কিছু না।’ বললো সে। ‘মজা করছি।’
তারপর আবার হোসের দিকে ফিরে বললো, ‘কাউকে খুন করতে হবে না তোমায়, বুঝেছ?’
‘কাউকে খুন করার কথা আমি ভাবছি না।’
‘না, বলছিলাম যে- আমার সঙ্গে কেউ বিছানায় যায় না।’
‘ও! তাই বলো।’ হোসে বললো। ‘আমি তো সবসময়ই বলে এসেছি- এসব করার তোমার দরকার নাই। তুমি এসব ছেড়ে দাও। আমি তোমাকে প্রত্যেকদিন স্টেক খাওয়াবো, সবচেয়ে বড় স্টেকটা। ফ্রি।’
‘ধন্যবাদ হোসে।’ মেয়েটা বললো। ‘কিন্তু আসলে কি জানো- আমি আর কারও সঙ্গে বিছানায় যেতে পারি না।’
‘এই তো আবার উল্টাপাল্টা বকতে শুরু করলে।’ হোসে একটু বিরক্ত হলো।
‘না, উল্টাপাল্টা না।’ চেয়ারে হেলান দিল মেয়েটা। ওর বুকের সাথে লেপ্টে গেল করুণ দু’টো স্তন।
‘কালকে আমি চলে যাচ্ছি। আর কখনও আসবো না, তোমাকে বিরক্ত করবো না। কথা দিচ্ছি আর কখনো কারও সঙ্গে বিছানায় যাবো না আমি।’
‘এ রকম সুমতি কবে হলো তোমার?’
‘এই মাত্র। ভেবে দেখলাম নোংরা একটা কাজ করছি।’
হোসে কাপড় দিয়ে টেবিলের কাঁচ মুছতে লাগলো। ওর দিকে না তাকিয়েই বললো, ‘কাজটা সত্যিই নোংরা। অনেক আগেই ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল তোমার।’
‘অনেক দিন থেকেই ভাবছি। কিন্তু পারিনি। একটু আগে সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। পুরুষ মানুষের প্রতি ঘেন্না ধরে গেছে।’
হাসলো হোসে। মুখ তুলে দেখলো ওকে। কিন্তু মেয়েটার মুখ সিরিয়াস। উত্তেজিত ভাবে কথা বলছে ও।
‘ধরো একটা মেয়ে পুরুষ মানুষের সঙ্গে বিছানায় গেল। তারপর তার এত ঘেন্না হলো যে সে পুরুষটাকে মেরেই ফেললো। তাহলে কি মেয়েটাকে ক্ষমা করে দেবে না? তোমার কি মনে হয়?’
‘এ রকম ভয়ানক ঘটনা কখনো ঘটবে না।’ বললো হোসে, ওর গলায় সহানুভূতির সুর।
‘না, ধরো লোকটা যখন কাজ সেরে কাপড়-চোপড় পরছে, তখন মেয়েটা তাকে বললো সে তাকে ঘৃণা করে। ঘৃণা করে কারণ ওর সঙ্গে সারাটা দুপুর সে লেপ্টা-লেপ্টি করেছে...ওর গায়ের গন্ধ মেয়েটার গায়ে এমনভাবে লেগে গেছে যে হাজারবার সাবান দিয়ে ধুলেও ঐ গন্ধ মুছবে না।’
‘সব মুছে যায়, কুইন।’ কাউন্টার মুছতে মুছতে বললো হোসে। ‘ওকে খুন করার দরকার নাই। চলে যেতে দাও।’
মেয়েটা থামলো না। উত্তেজিতভাবে বলতে থাকলো, ‘কিন্তু ধরো মেয়েটা তাকে ঘৃণা করে শোনার পর লোকটা যদি কাপড় পরা থামিয়ে ছুটে আসে? ছুটে এসে মেয়েটাকে আবার চুমু খায়...তখন...?’
‘আত্মসম্মান আছে এমন কোনো লোক এই কাজ করবে না।’
‘ধরো যদি করে?’ মেয়েটা বলতেই থাকলো। ‘ধরো লোকটার আত্মসম্মান নাই। তখন যদি মেয়েটার মনে হয়Ñ এই লোকটাকে সে ভীষণ ঘেন্না করে। তখন যদি সে লোকটার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়?’
‘সেটা একটা ভয়ঙ্কর ব্যাপার হবে।’ হোসে বললো। ‘তবে কোনো লোক ও রকম কাজ করবে না।’
‘করতেও পারে।’ নির্জীব গলায় বললো মেয়েটা। ‘ধরো করেছে।’
‘না না এত খারাপ ঘটনা ঘটবে না।’ কাউন্টার মোছায় ব্যস্ত হয়ে পড়লো হোসে। এইসব কথাবার্তায় আগ্রহ কমে গেছে ওর।
মেয়েটা আঙুলের গাঁট দিয়ে তাল ঠুকতে লাগলো। আরও কিছু বলার আছে তার। হোসের শার্টের হাতা টেনে ধরলো সে। বললো, ‘তুমি একটা গাধা, হোসে। কিছুই বোঝ না। লোকটাকে খুন করা উচিত- সেটা বলছো না কেন?’
‘আচ্ছা আচ্ছা, ঠিক আছে।’ হোসে স্বীকার করলো। ‘তুমি যা বলছো সেটাই ঠিক।’
শার্টের হাতা ধরে রেখেই মেয়েটা আবার বললো, ‘এটা তো আত্মরক্ষার চেষ্টা, তাই না?’
‘প্রায় প্রায়।’ একমত হলো হোসে, চোখ টিপলো মেয়েটার দিকে তাকিয়ে, যেন বোঝাতে চাইলোÑ যাই ঘটুক না কেন, আমি তোমার সঙ্গে আছি। মেয়েটার মুখ সিরিয়াস। হোসের শার্টের হাতা ছেড়ে দিল সে।
‘কোনো মেয়ে যদি এ রকম ঘটনা ঘটায়, তাকে রক্ষা করার জন্য তুমি মিথ্যে বলবে?’
‘নির্ভর করে।’
‘কিসের উপর?’
‘মেয়েটার উপর।’
‘ধরো মেয়েটাকে তুমি ভালোবাসো।’ ও বললো। ‘তার সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার জন্য নয়, এমনিই ভালোবাসো, যেমন বলছিলে তুমি। তাহলে?’
‘ঠিক আছে, কুইন। তোমার কথা মেনে নিলাম।’ প্রসঙ্গটা হোসের আর ভালো লাগছে না।
অন্যদিকে চলে গেল সে, ঘড়ি দেখলো, প্রায় সাড়ে ছ’টা বাজে। অন্য কাস্টমাররা এখনি আসতে শুরু করবে। জোরে জোরে কাউন্টার মুছতে থাকলো হোসে। জানালা দিয়ে রাস্তার দিকে তাকালো। মেয়েটা টুলে বসে আছে। চুপচাপ, গম্ভীর, হোসেকে লক্ষ্য করছে। তার দু’চোখে বিষণœতা। ক্রমশ নিভে আসা বিষণœতা। নিভে আসা একটা প্রদীপ যেভাবে হোসের দিকে তাকিয়ে থাকবে, অনেকটা সেভাবেই সে তাকিয়ে আছে হোসের দিকে। হঠাৎ সে হোসেকে ডাকলো। তার ডাকার মধ্যে আত্মসমর্পণের সুর।
‘হোসে!’
হোসে তাকালো মেয়েটার দিকে- যেভাবে গাভী তাকায় বাছুরের দিকে। মেয়েটার কাছ থেকে কিছু শোনার জন্য সে তাকায়নি, এমনি তাকিয়েছে, ওকে দেখার জন্য, জানার জন্য যে মেয়েটা ওর তাকানোর অপেক্ষা করছে, ওর তাকানোর মধ্যে কোনো আশ্বাস অথবা প্রতিশ্রুতি না থাকলেও ক্ষতি নেই। পুতুলের চোখের মতো শুধুই তাকানো ছাড়া এটা আর কিছু নয়।
‘আমি বললাম কালকে চলে যাচ্ছি, তুমি তো কিছুই বললে না।’ মেয়েটা অনুযোগ করলো।
‘হ্যাঁ।’ হোসে সায় দিল। ‘কোথায় যাচ্ছো তা তো বললে না।’
‘দূরে কোথাও।’ মেয়েটা বললো। ‘যেখানে পুরুষরা আমার সঙ্গে শুতে চাইবে না।’
হোসে আবার হাসলো।
‘সত্যিই চলে যাচ্ছো?’ প্রশ্ন করলো সে, এতক্ষণে যেন কথার গুরুত্বটা বুঝতে পেরেছে।
‘সেটা তোমার উপর নির্ভর করছে।’ মেয়েটা বললো। ‘তুমি যদি বুঝে-সুঝে বলো ক’টার সময় আমি এখানে এসেছি, তাহলে আমি চলে যাবো এবং আর কখনো ওসব করবো না। রাজি?’ হোসে হেসে নড করলো, সে রাজি। ওর দিকে ঝুঁকে এলো মেয়েটা।
বললো, ‘আমি যদি কোনোদিন ফিরে আসি, তখন যদি দেখি এই সময়ে ঠিক এখানে বসে অন্য একটা মেয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলছে। আমি তখন জেলাস হবো, হোসে।’
‘তুমি যদি ফিরে আসো, আমার জন্য একটা জিনিস নিয়ে এসো।’
‘তুমি যা চাও, আমি সারা পৃথিবী খুঁজে তোমার জন্য সেই খেলনা ভালুক নিয়ে আসবো। কথা দিচ্ছি।’
হোসে হাসলো, হেসে হাতের কাপড়টা নাড়লো, যেন সে কাঁচের দেয়াল মুছছে, দেয়ালটা ওদের দুজনের মাঝখানে অদৃশ্য হয়ে আছে। মেয়েটাও হাসলো। তার হাসিতে উষ্ণতা আর দুষ্টুমি মিশে আছে। কাউন্টারের অন্য পাশে চলে গেল হোসে, কাঁচ মুছতে লাগলো।
ওখান থেকেই বললো, ‘তাহলে?’
‘তুমি বলবে- আমি এখানে এসেছি ছ’টা বাজার পনেরো মিনিট আগে। বলবে তো?’
‘কারণটা কি?’
‘কারণ জেনে কি হবে?’ মেয়েটা বললো, ‘বলবে কিনা বলো?’
দরজা দিয়ে প্রথম কাস্টমার ঢুকলো। হোসে দেখলো কোনার একটা টেবিলে বসলো কাস্টমার। ঘড়ির দিকে তাকালো হোসে। কাঁটায় কাঁটায় সাড়ে ছ’টা বাজে।
‘ঠিক আছে, কুইন।’ হোসে একটু অন্যমনস্ক। ‘তাই হবে। তুমি যা বলেছ আমি সবসময় তাই করেছি।’
‘বেশ। তাহলে এখন আমার স্টেকটা বানাতে শুরু করো।’
ফ্রিজের কাছে গেল হোসে, স্টেকটা বের করলো ফ্রিজ থেকে, চুলা ধরালো।
‘দারুণ একটা ফেয়ারওয়েল স্টেক খাওয়াবো তোমাকে আজ, কুইন।’ বললো সে।
‘ধন্যবাদ পেপিলো।’ মেয়েটা বললো।
তারপর সে চুপ ক’রে বসে থাকলো, যেন গভীর চিন্তায় ডুবে গেছে, তার চিন্তার জগতে কালো কালো ছায়াদের বিচরণ। গরম তেলে মাংস ছাড়ার শব্দ হলো, মেয়েটা শুনতে পেল না। মাংসের টুকরোটাকে হোসে যখন উল্টে দিল, তখনও শব্দ হলো, ভাজা মাংসের সুস্বাদু গন্ধে ভরে গেল রেস্টুরেন্ট। মেয়েটা এসবের কিছুই দেখলো না, কিছুই টের পেল না। সারাটা সময় সে বিষণœ চিন্তিত মুখে বসে থাকলো। যখন তার হুঁশ হলো, যেন সে এইমাত্র মৃত্যুর জগত থেকে ফিরে এসেছে। হোসেকে দেখলো- চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আছে, আগুনের আভায় লাল দেখাচ্ছে ওর মুখ।
‘পেপিলো!’
‘কি!’
‘কি ভাবছো?’
‘ভাবছি- খেলনা ভালুকটা তুমি খুঁজে পাবে কিনা।’
‘নিশ্চয়ই পাবো।’ মেয়েটা জবাব দিল। ‘তবে আমি যা চাই তা কিন্তু আমাকে দিতে হবে, বিদায় উপহার হিসেবে।’
হোসে ওর দিকে তাকালো।
বললো, ‘বেশ তো, কতবার বলবো? এই স্টেকটা ছাড়া আর কিছু কি চাই তোমার?’
‘চাই।’
‘কি চাই?’
‘আরও পনেরো মিনিট।’
হোসে ঘড়ির দিকে তাকালো, কোনার টেবিলে বসা কাস্টমারকে দেখলো, তারপর তাকালো প্যানে ভাজা মাংসটার দিকে।
শেষে বললো, ‘ঠিক বুঝতে পারছি না, কুইন।’
‘বোকার মতো কথা বলো না, হোসে।’ মেয়েটা বললো। ‘শুধু মনে রেখ আমি এখানে এসেছি ঠিক সাড়ে পাঁচটায়।’ (শেষ)
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/

No comments:

Post a Comment