শ্রমঘন শিল্পের মাধ্যমে দেড় কোটি কর্ম সংস্থানের সম্ভাবনা
বিশ্বব্যাংকের ৫ পরামর্শ ॥ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে টাস্কফোর্স
হামিদ-উজ-জামান মামুন ॥ শ্রমঘন ছয় খাতে দেড় কোটি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। একে কাজে লাগাতে ৫টি পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এর ওপর ভিত্তি করে একটি কর্মকৌশল তৈরি করছে সরকার। এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই ১৭টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কাছ থেকে মতামত নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি কর্মকৌশল সংক্রান্ত এক সভায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে মুখ্য সচিবকে প্রধান করে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। তবে এ উদ্যোগটি যতটা দ্রুত হওয়া দরকার ততটা দ্রুত হচ্ছে না বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, শ্রমিকদের দাম বাড়ায় চীন থেকে আগামী দশ বছরে ৮০ মিলিয়ন কর্মসংস্থান বেরিয়ে যাবে। এর মধ্যে আমরা হিসাব করেছি বাংলাদেশে শ্রমঘন শিল্পে ১৫ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সম্ভব। কিন্তু এর জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য বিনিয়োগ দরকার। অবকাঠামো, জমি, দক্ষ শ্রমিক, অর্থায়ন ও জ্বালানি এগুলোর প্রয়োজন। এর সব এক সঙ্গে করে অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির ওপর বেশি জোর দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, থাইল্যান্ডে যেখানে ৩০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল, চীনে ৩ হাজার এবং ফিলিপিন্সে ৩০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে সেখানে বাংলাদেশে কার্যকর রয়েছে মাত্র ৩টি এক্সপোর্ট প্রোসেসিং জোন (অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়)। কাজেই অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করে কাক্সিক্ষত কর্মসংস্থান তৈরির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
সূত্র জানায়, দেড় কোটি কর্মসংস্থান তৈরির জন্য ছয়টি শ্রমঘন শিল্প খাতকে শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে তৈরি পোশাক শিল্প, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, হাল্কা প্রকৌশল শিল্প, কৃষি ব্যবসা ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং ওষুধ শিল্প অন্যতম। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬৯ লাখ, অন্যান্য শ্রমঘন রফতানিমুখী শিল্প খাতে সম্ভাব্য কর্মসংস্থান সাড়ে ৩ লাখ, হাল্কা প্রকৌশল খাতে সম্ভাব্য কর্মসংস্থান ১৪ লাখ, জাহাজ নির্মাণ খাতে ২০ লাখ, কৃষি ব্যবসায় সম্ভাব্য কর্মসংস্থান ১৫ লাখ এবং ওষুধ শিল্পে সম্ভাব্য ১৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ মতো দেড় কোটি কর্মসংস্থান তৈরির মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে বিনিয়োগ বোর্ড এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সেখানে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৫টি পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এগুলো হচ্ছে, নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে অর্থনৈতিক অঞ্চলের জমি ৪০ হাজার একরে উন্নীত করা, রফতানির জন্য উপকরণ আমদানিতে বিশেষ সুবিধা প্রদান, অবকাঠামো উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অফিসকে কাজে লাগানো, বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি উন্নয়ন ফান্ডকে আরও সম্প্রসারণ করা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক করা। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেডে বিদেশী বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা, অধিক গুরুত্বপূর্ণ পোশাক শিল্পের জন্য বিশেষ বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা বৃদ্ধি ও অন্যান্য শিল্পের ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা, আন্তর্জাতিকমানের কর্তৃপক্ষ দিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনা করা, পিপিপি আইন পাস করা এবং বেজা বাস্তবায়ন রুলস দ্রুত করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এ সব বিষয়ে ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে স্পেশাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু পোশাক শিল্প ছাড়াও আরও রফতানিমুখী শিল্প রয়েছে যেগুলোর কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভর। এসব শিল্পের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা কার্যকর করা যেতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট ফান্ড আছে। সেটিকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কিন্তু যখন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হয়ে যাবে সেগুলোতে বিনিয়োগের প্রয়োজন পড়বে তখন এই ফান্ড আরও বেশি সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন হবে। তাছাড়া চীন থেকে যেসব বিনিয়োগকারী বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেড়িয়ে যাবে। তাদেরকে আকৃষ্ট করতে বিনিয়োগ বোর্ডকে নানা কর্মসূচী নিতে হবে। যেমন ব্রাডিং বাংলাদেশ, রোড শোসহ ইমেজ বৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ নিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকের এসব পরামর্শ নিয়ে সরকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ ১৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মতামত নেয়া হয়েছে। এসব মতামতের ভিত্তিতে শীঘ্রই একটি কর্মকৌশল তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে। তবে এসব কাজ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন বাংলাদেশে যে কোন বিষয় শুরু হয় তোড়জোড় করে কিন্তু পরবর্তীতে নানা জটিলতায় পড়ে কাজ আর এগোয় না। বর্তমানে নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পূরণ করতে এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার।
এ বিষয়ে বিনিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিনিয়োগ বোর্ড মতামত দিয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে শিল্পায়ন ছাড়া এ দেশে আগামী দশ বছরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে না। তিনি বলেন বড় ধরনের বিনিয়োগ চীন থেকে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় বিনিয়োগ এলে সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জমি দেয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুত গ্যাসের ব্যবস্থাও করতে হবে। বিশ্বব্যাংক ৪০ হাজার একরের ইকোনমিক জোন তৈরির পরামর্শ দিয়েছে। ইতোমধ্যেই ৫টি ইকোনমিক জোন তৈরির বিষয়ে প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আরও ৬ থেকে ৭টি ইকোনমিক জোন শনাক্ত প্রক্রিয়াধীন
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, শ্রমিকদের দাম বাড়ায় চীন থেকে আগামী দশ বছরে ৮০ মিলিয়ন কর্মসংস্থান বেরিয়ে যাবে। এর মধ্যে আমরা হিসাব করেছি বাংলাদেশে শ্রমঘন শিল্পে ১৫ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সম্ভব। কিন্তু এর জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য বিনিয়োগ দরকার। অবকাঠামো, জমি, দক্ষ শ্রমিক, অর্থায়ন ও জ্বালানি এগুলোর প্রয়োজন। এর সব এক সঙ্গে করে অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির ওপর বেশি জোর দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, থাইল্যান্ডে যেখানে ৩০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল, চীনে ৩ হাজার এবং ফিলিপিন্সে ৩০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে সেখানে বাংলাদেশে কার্যকর রয়েছে মাত্র ৩টি এক্সপোর্ট প্রোসেসিং জোন (অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়)। কাজেই অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করে কাক্সিক্ষত কর্মসংস্থান তৈরির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
সূত্র জানায়, দেড় কোটি কর্মসংস্থান তৈরির জন্য ছয়টি শ্রমঘন শিল্প খাতকে শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে তৈরি পোশাক শিল্প, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, হাল্কা প্রকৌশল শিল্প, কৃষি ব্যবসা ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং ওষুধ শিল্প অন্যতম। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬৯ লাখ, অন্যান্য শ্রমঘন রফতানিমুখী শিল্প খাতে সম্ভাব্য কর্মসংস্থান সাড়ে ৩ লাখ, হাল্কা প্রকৌশল খাতে সম্ভাব্য কর্মসংস্থান ১৪ লাখ, জাহাজ নির্মাণ খাতে ২০ লাখ, কৃষি ব্যবসায় সম্ভাব্য কর্মসংস্থান ১৫ লাখ এবং ওষুধ শিল্পে সম্ভাব্য ১৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ মতো দেড় কোটি কর্মসংস্থান তৈরির মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে বিনিয়োগ বোর্ড এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সেখানে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৫টি পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এগুলো হচ্ছে, নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে অর্থনৈতিক অঞ্চলের জমি ৪০ হাজার একরে উন্নীত করা, রফতানির জন্য উপকরণ আমদানিতে বিশেষ সুবিধা প্রদান, অবকাঠামো উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অফিসকে কাজে লাগানো, বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি উন্নয়ন ফান্ডকে আরও সম্প্রসারণ করা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক করা। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেডে বিদেশী বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা, অধিক গুরুত্বপূর্ণ পোশাক শিল্পের জন্য বিশেষ বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা বৃদ্ধি ও অন্যান্য শিল্পের ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা, আন্তর্জাতিকমানের কর্তৃপক্ষ দিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনা করা, পিপিপি আইন পাস করা এবং বেজা বাস্তবায়ন রুলস দ্রুত করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এ সব বিষয়ে ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে স্পেশাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু পোশাক শিল্প ছাড়াও আরও রফতানিমুখী শিল্প রয়েছে যেগুলোর কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভর। এসব শিল্পের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা কার্যকর করা যেতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট ফান্ড আছে। সেটিকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কিন্তু যখন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হয়ে যাবে সেগুলোতে বিনিয়োগের প্রয়োজন পড়বে তখন এই ফান্ড আরও বেশি সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন হবে। তাছাড়া চীন থেকে যেসব বিনিয়োগকারী বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেড়িয়ে যাবে। তাদেরকে আকৃষ্ট করতে বিনিয়োগ বোর্ডকে নানা কর্মসূচী নিতে হবে। যেমন ব্রাডিং বাংলাদেশ, রোড শোসহ ইমেজ বৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ নিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকের এসব পরামর্শ নিয়ে সরকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ ১৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মতামত নেয়া হয়েছে। এসব মতামতের ভিত্তিতে শীঘ্রই একটি কর্মকৌশল তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে। তবে এসব কাজ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন বাংলাদেশে যে কোন বিষয় শুরু হয় তোড়জোড় করে কিন্তু পরবর্তীতে নানা জটিলতায় পড়ে কাজ আর এগোয় না। বর্তমানে নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পূরণ করতে এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার।
এ বিষয়ে বিনিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিনিয়োগ বোর্ড মতামত দিয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে শিল্পায়ন ছাড়া এ দেশে আগামী দশ বছরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে না। তিনি বলেন বড় ধরনের বিনিয়োগ চীন থেকে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় বিনিয়োগ এলে সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জমি দেয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুত গ্যাসের ব্যবস্থাও করতে হবে। বিশ্বব্যাংক ৪০ হাজার একরের ইকোনমিক জোন তৈরির পরামর্শ দিয়েছে। ইতোমধ্যেই ৫টি ইকোনমিক জোন তৈরির বিষয়ে প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আরও ৬ থেকে ৭টি ইকোনমিক জোন শনাক্ত প্রক্রিয়াধীন
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/
No comments:
Post a Comment