বিশাল অঙ্কের অস্ত্র বিক্রি চুক্তি করতে ভারত সফর করছেন হেগেল
হেলিকপ্টার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির বিশাল অঙ্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি পড়ে রয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার অপেক্ষায়। দর কষাকষির নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিক্রি করা যায়নি হাল্কা অত্যাধুনিক কামানও। ইউপিএ সরকারের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এমন সব দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর পূর্ণরূপ দেয়ার লক্ষ্যেই শুক্রবার দিল্লী এসেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হেগেল। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইনের।
গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে ভারত। এখন আরও বেশিসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। দিল্লীতে নতুন সরকারের আমলে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরে তাই অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। এতদিন বিভিন্ন বাধার কারণে চুক্তিগুলো চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের কমিটির চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল অরূপ রাহার সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগেল সব বাধাই দূর করার চেষ্টা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। হেগেলের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ওবামা প্রশাসনের ভারতীয় বংশোদ্ভূত শীর্ষকর্মকর্তা পুনীত তলোয়ার। যিনি বর্তমানে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী মন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২২টি এ্যাপাচে এ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং ১৫টি চিনুক হেভিলিফট (এই ধরনের হেলিকপ্টার একটি আস্ত ফাইটার জেটকেও বেঁধে ঝুলিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম) হেলিকপ্টার কিনতে চায় ভারত। ২৫০ কোটি ডলারের এই চুক্তি নিয়ে ইউপিএ সরকারের সময়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। তাকেই এখন পূর্ণরূপ দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। আবার ১৪৫টি এম৭৭৭ আলট্রালাইট হাউজ্জার কামান কেনার ব্যাপারে এখনও দর কষাকষি চলছে। চীন সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনীর জন্য এই কামান কিনতে চায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। কারণ এই কামান খুব সহজেই হেলিকপ্টার বা বিমানে করে পাহাড়ের যে কোন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়া যায়। মার্কিন কোম্পানিগুলো এজন্য প্রায় ৬৫০ কোটি ডলার দাম চেয়েছে।
কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মনে করছে খুব বেশি দাম চাচ্ছে। আলাপ-আলোচনা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (এটিজিএম) কেনার জন্যও। এক সময়ে আফগানিস্তানে মাইন ও অতর্কিত হামলা (এ্যামবুশ) প্রতিরোধক গাড়ি ব্যবহার করে মার্কিন সেনারা। ঐসব ব্যবহৃত গাড়ি মাওবাদীদের দমনে আধা-সামরিক বাহিনীর জন্য কেনার চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু দিল্লী এখন আর সেসব গাড়ি কিনতে আগ্রহী নয় বরং চারটি পি-৮আই অ্যান্টি-সাবমেরিন বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করবে। বহু উঁচু থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে টর্পেডো ছুড়তে পারে এই বিমানগুলো। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরে কোন চুক্তি স্বাক্ষর না হলেও অতীত আলোচনার যাবতীয় বাধা দূর করার চেষ্টা করা হবে।
গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে ভারত। এখন আরও বেশিসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। দিল্লীতে নতুন সরকারের আমলে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরে তাই অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। এতদিন বিভিন্ন বাধার কারণে চুক্তিগুলো চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের কমিটির চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল অরূপ রাহার সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগেল সব বাধাই দূর করার চেষ্টা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। হেগেলের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ওবামা প্রশাসনের ভারতীয় বংশোদ্ভূত শীর্ষকর্মকর্তা পুনীত তলোয়ার। যিনি বর্তমানে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী মন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২২টি এ্যাপাচে এ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং ১৫টি চিনুক হেভিলিফট (এই ধরনের হেলিকপ্টার একটি আস্ত ফাইটার জেটকেও বেঁধে ঝুলিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম) হেলিকপ্টার কিনতে চায় ভারত। ২৫০ কোটি ডলারের এই চুক্তি নিয়ে ইউপিএ সরকারের সময়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। তাকেই এখন পূর্ণরূপ দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। আবার ১৪৫টি এম৭৭৭ আলট্রালাইট হাউজ্জার কামান কেনার ব্যাপারে এখনও দর কষাকষি চলছে। চীন সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনীর জন্য এই কামান কিনতে চায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। কারণ এই কামান খুব সহজেই হেলিকপ্টার বা বিমানে করে পাহাড়ের যে কোন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়া যায়। মার্কিন কোম্পানিগুলো এজন্য প্রায় ৬৫০ কোটি ডলার দাম চেয়েছে।
কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মনে করছে খুব বেশি দাম চাচ্ছে। আলাপ-আলোচনা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (এটিজিএম) কেনার জন্যও। এক সময়ে আফগানিস্তানে মাইন ও অতর্কিত হামলা (এ্যামবুশ) প্রতিরোধক গাড়ি ব্যবহার করে মার্কিন সেনারা। ঐসব ব্যবহৃত গাড়ি মাওবাদীদের দমনে আধা-সামরিক বাহিনীর জন্য কেনার চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু দিল্লী এখন আর সেসব গাড়ি কিনতে আগ্রহী নয় বরং চারটি পি-৮আই অ্যান্টি-সাবমেরিন বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করবে। বহু উঁচু থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে টর্পেডো ছুড়তে পারে এই বিমানগুলো। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরে কোন চুক্তি স্বাক্ষর না হলেও অতীত আলোচনার যাবতীয় বাধা দূর করার চেষ্টা করা হবে।
No comments:
Post a Comment