গাজা আক্রমণে আতঙ্কিত ফিলিস্তিনী শিশুরা
বেসামরিকদের ওপর আক্রমণ মেনে নেয়া যায় না ॥ জাতিসংঘ
ফিলিস্তিনী শিশুরা গত একমাসের বেশি সময় ধরে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ইসরাইলী জঙ্গী বিমানগুলো কান ফাটানো শব্দ আর বোমবর্ষণের বিকট শব্দে তারা রীতিমতো আতঙ্কিত। হামলার ধ্বংসলীলা গাজার শিশুদের মনের ওপর ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। যন্ত্রণাদগ্ধ হচ্ছে কচি হৃদয়। আতঙ্ক আর দুঃস্বপ্ন তাদের তাড়া করে ফিরছে। খবর এএফপি
জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জরুরীভিত্তিতে এসব শিশুদের মানসিক সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। গত একমাসে গাজায় ইসরাইলের বিমান ও গোলা হামলায় অন্তত ৪২৯ জন নিহত হয়েছে, যেখানে ১৮ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা ১৮ লাখ বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। লড়াই ফের শুরু করার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘ বলেছে, বেসামরিকদের ওপর আবার নেমে আসা দুর্ভোগ মেনে নেয়া যায় না। ফিলিস্তিনে ইউনিসেফের প্রতিনিধি জুন কানুগি সংগঠনটির ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছেন, গাজায় শেষ তিনটা সংঘর্ষের মধ্যে গত এক মাসেই সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটে। এ ধ্বংসযজ্ঞে জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না।’ তিনি আরও বলেন, এ ধ্বংসলীলার কারণে শিশুদের মানসিক-শারীরিক ক্ষত সারানো এবং গাজার ধসে পড়া অবকাঠামো পুনর্গঠন করা খুবই দুরূহ কাজ। ইউনিসেফের হিসাব মতে, গাজায় ইসরাইলের হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৭৪৪ শিশু। হামলায় গুরুতর আহত অনেক শিশুরই কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা গাজায় নেই। তাছাড়া জাতিসংঘ পরিচালিত যেসব স্কুলের আশ্রয়শিবিরে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে সেখানেও পরিবারগুলোর মৌলিক চাহিদা মেটানোর ব্যবস্থা অপ্রতুল। শিশুদের মধ্যে ডায়েরিয়া ও অন্যান্য রোগ সংক্রমণ বাড়ছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় তিনদিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গাজায় আবার হামলা শুরু করে ইসরাইল। ওইদিন গাজায় পাঁচ ফিলিস্তিনী নিহত হন, অপরদিকে মর্টার গোলার বিস্ফোরণে দুই ইসরাইলী আহত হন। গাজা থেকে নিক্ষিপ্ত হামাসের রকেট হামলার জবাব দিতেই ফের হামলা শুরু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরাইল। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জশ আর্নেস্ট বলেছেন, দুইপক্ষের একটি ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতির’ লক্ষ্যে কাজ করা উচিত। ইসরাইল তাদের দাবি মেনে না নেয়ায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে হামাস। মানবিক যুদ্ধবিরতিতে ফিরে যাওয়ার জন্য দুইপক্ষকে দ্রুত একটি পথ বের করে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পৌঁছানোর জন্য কায়রোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান জাতিসংঘ মহাসচিব। ওদিকে হোয়াইট হাউসে আর্নেস্ট বলেছেন, হামাসের রকেট হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত ইসরাইল এবং গাজার মানুষদের জন্য শুধু মারাত্মক ঝুঁকিই তৈরি করেনি, এটি ফিলিস্তিনীদের প্রত্যাশা পূরণেও কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে আসছে সময়গুলোতে উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হবে এবং এর মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে সমঝোতায় পৌঁছবে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, চার সপ্তাহ ধরে চলা গাজার সহিংসতায় ১ হাজার ৯শ’য়ের বেশি ফিলিস্তিনী নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই বেসামরিক লোক। একই সময় ইসরাইলের দিকে ৬৭ জন নিহত হয়েছে, এদের মধ্যে ৬৪ জনই সেনা সদস্য।
জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জরুরীভিত্তিতে এসব শিশুদের মানসিক সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। গত একমাসে গাজায় ইসরাইলের বিমান ও গোলা হামলায় অন্তত ৪২৯ জন নিহত হয়েছে, যেখানে ১৮ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা ১৮ লাখ বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। লড়াই ফের শুরু করার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘ বলেছে, বেসামরিকদের ওপর আবার নেমে আসা দুর্ভোগ মেনে নেয়া যায় না। ফিলিস্তিনে ইউনিসেফের প্রতিনিধি জুন কানুগি সংগঠনটির ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছেন, গাজায় শেষ তিনটা সংঘর্ষের মধ্যে গত এক মাসেই সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটে। এ ধ্বংসযজ্ঞে জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না।’ তিনি আরও বলেন, এ ধ্বংসলীলার কারণে শিশুদের মানসিক-শারীরিক ক্ষত সারানো এবং গাজার ধসে পড়া অবকাঠামো পুনর্গঠন করা খুবই দুরূহ কাজ। ইউনিসেফের হিসাব মতে, গাজায় ইসরাইলের হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৭৪৪ শিশু। হামলায় গুরুতর আহত অনেক শিশুরই কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা গাজায় নেই। তাছাড়া জাতিসংঘ পরিচালিত যেসব স্কুলের আশ্রয়শিবিরে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে সেখানেও পরিবারগুলোর মৌলিক চাহিদা মেটানোর ব্যবস্থা অপ্রতুল। শিশুদের মধ্যে ডায়েরিয়া ও অন্যান্য রোগ সংক্রমণ বাড়ছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় তিনদিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গাজায় আবার হামলা শুরু করে ইসরাইল। ওইদিন গাজায় পাঁচ ফিলিস্তিনী নিহত হন, অপরদিকে মর্টার গোলার বিস্ফোরণে দুই ইসরাইলী আহত হন। গাজা থেকে নিক্ষিপ্ত হামাসের রকেট হামলার জবাব দিতেই ফের হামলা শুরু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরাইল। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জশ আর্নেস্ট বলেছেন, দুইপক্ষের একটি ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতির’ লক্ষ্যে কাজ করা উচিত। ইসরাইল তাদের দাবি মেনে না নেয়ায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে হামাস। মানবিক যুদ্ধবিরতিতে ফিরে যাওয়ার জন্য দুইপক্ষকে দ্রুত একটি পথ বের করে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পৌঁছানোর জন্য কায়রোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান জাতিসংঘ মহাসচিব। ওদিকে হোয়াইট হাউসে আর্নেস্ট বলেছেন, হামাসের রকেট হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত ইসরাইল এবং গাজার মানুষদের জন্য শুধু মারাত্মক ঝুঁকিই তৈরি করেনি, এটি ফিলিস্তিনীদের প্রত্যাশা পূরণেও কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে আসছে সময়গুলোতে উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হবে এবং এর মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে সমঝোতায় পৌঁছবে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, চার সপ্তাহ ধরে চলা গাজার সহিংসতায় ১ হাজার ৯শ’য়ের বেশি ফিলিস্তিনী নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই বেসামরিক লোক। একই সময় ইসরাইলের দিকে ৬৭ জন নিহত হয়েছে, এদের মধ্যে ৬৪ জনই সেনা সদস্য।
No comments:
Post a Comment