বিমা বিল: কেন্দ্র হোঁচট খেল সর্বদলীয় বৈঠকে
আজকালের প্রতিবেদন: দিল্লি, ৪ আগস্ট– সর্বদলীয় বৈঠকে বিতর্কিত বিমা বিল নিয়ে কোনও মতৈক্য হল না৷ রাজ্যসভায় বিলটি আনা পিছিয়ে গেল৷ উল্লেখ্য, ৯টি বিরোধী দল বিলটিকে সিলে’ কমিটিতে পাঠাতে চেয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে৷ আজ এ নিয়ে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এম বেঙ্কাইয়া নাইডু৷ বৈঠকে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, এই বিলটি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউ পি এ-র আনা বিলের মতো৷ দুই বিলের ভাষাও এক৷ তা সত্ত্বেও বিরোধীরা তাঁদের অবস্হান বদলাতে নারাজ হন৷ বি জে পি এবং এন ডি এ-র রাজ্যসভায় গরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার পক্ষ নরম মনোভাব নেয়৷ সরকার পক্ষ থেকে বলা হয়, বিরোধীদের কোনও প্রস্তাব থাকলে তা বিলের অম্তর্ভুক্ত করা হবে৷ রাজ্যসভায় যেহেতু বিলটি পাস করানো যাবে না, তাই দুই সভার যৌথ অধিবেশন ডেকে বিলটিকে পাস করানোর কথা ভাবা হচ্ছে৷ জেটলি বিরোধীদের বলেন, হয় তাঁরা সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করুন, না হয় বিলটিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করুন৷ সংস্কারের ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করবেন না৷ রাজ্যসভায় কংগ্রেসের ৬৯ জন সদস্য৷ ২৪৫ জন সদস্যের সভায় যাঁরা এই বিলের বিরোধিতা করছেন তাঁদের মোট সদস্য-সংখ্যা ১৩৩৷ বিলের পক্ষে আছেন মাত্র ৬৮ জন সদস্য৷ বি জে ডি এবং এন সি পি সরকারের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে৷ তাদের সদস্য-সংখ্যা যথাক্রমে ৭ ও ৬৷ বৈঠকের পর বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, বিরোধীদের কাছ থেকে যে-সব অর্থবহ প্রস্তাব এসেছে সরকার সেগুলিকে নিয়ে বিবেচনা করতে রাজি৷ সরকার চায় বিতর্ক করে বিলটির নিষ্পত্তি করতে৷ এই অধিবেশনেই৷ নাইডু বলেন, ইউ পি এ জমানায় বিমা সংশোধন বিল সংসদে পেশ করা হয়৷ বিলটিকে পাঠানো হয় অর্থ স্হায়ী কমিটিতে৷ কমিটি কিছু সুপারিশও করে৷ তিনি বলেন, কংগ্রেসের কিছু বন্ধু বলছেন, এই সব সংশোধনীর পরিণাম ভয়াবহ৷ আমরা তাঁদের বলছি, কী পরিণাম খোলসা করে বলতে৷ তা হলে সরকার সেগুলি বিবেচনা করবে৷ আমরা বলছি, সুনির্দিষ্ট আপত্তি ও উদ্বেগগুলি সরকারকে জানান৷ তাঁরা বলছেন, তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তার পর আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন৷ নাইডু বলেন, আমরা আলোচনা করে সর্বসম্মতিতে পৌঁছব বলেই বিশ্বাস করি৷ তিনি বলেন, বামেরা নীতিগত অবস্হান নিয়েছেন৷ তাঁরা যে-কোনও ক্ষেত্রেই বিদেশি পুঁজির বিরোধী৷ তাঁদের বিরোধিতা সরকার বোঝে৷ কিন্তু কংগ্রেসের বিরোধিতার কারণ কী? কংগ্রেসই বিদেশি পুঁজি চেয়েছিল এবং তারাই এই বিলের প্রস্তাব করে৷ তারাই বিলটি আনে৷ এই ইস্যুতে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে কংগ্রেস এবং বি জে পি৷ তা ছাড়া বিল নিয়ে কোনও শঙ্কা থাকলে তাঁরা সেটা বলুন৷ সরকার শঙ্কা দূর করে দেবে৷ তিনি বলেন, দেখা যাক, দু-একদিনে সমস্যার একটা সমাধান নিশ্চয়ই বেরোবে৷ আগামী দু’দিনে আমরা ফের বৈঠকে বসব৷
আজকালের প্রতিবেদন: দিল্লি, ৪ আগস্ট– সর্বদলীয় বৈঠকে বিতর্কিত বিমা বিল নিয়ে কোনও মতৈক্য হল না৷ রাজ্যসভায় বিলটি আনা পিছিয়ে গেল৷ উল্লেখ্য, ৯টি বিরোধী দল বিলটিকে সিলে’ কমিটিতে পাঠাতে চেয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে৷ আজ এ নিয়ে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এম বেঙ্কাইয়া নাইডু৷ বৈঠকে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, এই বিলটি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউ পি এ-র আনা বিলের মতো৷ দুই বিলের ভাষাও এক৷ তা সত্ত্বেও বিরোধীরা তাঁদের অবস্হান বদলাতে নারাজ হন৷ বি জে পি এবং এন ডি এ-র রাজ্যসভায় গরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার পক্ষ নরম মনোভাব নেয়৷ সরকার পক্ষ থেকে বলা হয়, বিরোধীদের কোনও প্রস্তাব থাকলে তা বিলের অম্তর্ভুক্ত করা হবে৷ রাজ্যসভায় যেহেতু বিলটি পাস করানো যাবে না, তাই দুই সভার যৌথ অধিবেশন ডেকে বিলটিকে পাস করানোর কথা ভাবা হচ্ছে৷ জেটলি বিরোধীদের বলেন, হয় তাঁরা সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করুন, না হয় বিলটিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করুন৷ সংস্কারের ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করবেন না৷ রাজ্যসভায় কংগ্রেসের ৬৯ জন সদস্য৷ ২৪৫ জন সদস্যের সভায় যাঁরা এই বিলের বিরোধিতা করছেন তাঁদের মোট সদস্য-সংখ্যা ১৩৩৷ বিলের পক্ষে আছেন মাত্র ৬৮ জন সদস্য৷ বি জে ডি এবং এন সি পি সরকারের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে৷ তাদের সদস্য-সংখ্যা যথাক্রমে ৭ ও ৬৷ বৈঠকের পর বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, বিরোধীদের কাছ থেকে যে-সব অর্থবহ প্রস্তাব এসেছে সরকার সেগুলিকে নিয়ে বিবেচনা করতে রাজি৷ সরকার চায় বিতর্ক করে বিলটির নিষ্পত্তি করতে৷ এই অধিবেশনেই৷ নাইডু বলেন, ইউ পি এ জমানায় বিমা সংশোধন বিল সংসদে পেশ করা হয়৷ বিলটিকে পাঠানো হয় অর্থ স্হায়ী কমিটিতে৷ কমিটি কিছু সুপারিশও করে৷ তিনি বলেন, কংগ্রেসের কিছু বন্ধু বলছেন, এই সব সংশোধনীর পরিণাম ভয়াবহ৷ আমরা তাঁদের বলছি, কী পরিণাম খোলসা করে বলতে৷ তা হলে সরকার সেগুলি বিবেচনা করবে৷ আমরা বলছি, সুনির্দিষ্ট আপত্তি ও উদ্বেগগুলি সরকারকে জানান৷ তাঁরা বলছেন, তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তার পর আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন৷ নাইডু বলেন, আমরা আলোচনা করে সর্বসম্মতিতে পৌঁছব বলেই বিশ্বাস করি৷ তিনি বলেন, বামেরা নীতিগত অবস্হান নিয়েছেন৷ তাঁরা যে-কোনও ক্ষেত্রেই বিদেশি পুঁজির বিরোধী৷ তাঁদের বিরোধিতা সরকার বোঝে৷ কিন্তু কংগ্রেসের বিরোধিতার কারণ কী? কংগ্রেসই বিদেশি পুঁজি চেয়েছিল এবং তারাই এই বিলের প্রস্তাব করে৷ তারাই বিলটি আনে৷ এই ইস্যুতে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে কংগ্রেস এবং বি জে পি৷ তা ছাড়া বিল নিয়ে কোনও শঙ্কা থাকলে তাঁরা সেটা বলুন৷ সরকার শঙ্কা দূর করে দেবে৷ তিনি বলেন, দেখা যাক, দু-একদিনে সমস্যার একটা সমাধান নিশ্চয়ই বেরোবে৷ আগামী দু’দিনে আমরা ফের বৈঠকে বসব৷
No comments:
Post a Comment