Saturday, August 9, 2014

আলিপুর সংশোধনাগার থেকে পালাল ৩ আসামি জেল সুপারসহ ৩ রক্ষীসাসপেন্ড

আলিপুর সংশোধনাগার থেকে পালাল ৩ আসামি
জেল সুপারসহ ৩ রক্ষীসাসপেন্ড

আজকালের প্রতিবেদন: জেলের গরাদ কেটে, পাঁচিল টপকে পালাল আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের তিন আসামি৷‌ নিরাপত্তা রক্ষী এবং সি সি টিভি-র নজর এড়িয়ে কীভাবে জেল থেকে দুষ্কৃতীরা পালাল, তা নিয়ে তদম্ত শুরু হয়েছে৷‌ খবর পেয়ে সংশোধনাগার পরিদর্শনে যান কারামন্ত্রী হায়দার আজিজ সফি৷‌ তিনি গাফিলতির অভিযোগে সংশোধনাগারের সুপার চিত্তরঞ্জন ঘড়ুই, দুই ওয়ার্ডেন উত্তম প্রধান এবং তন্ময় কর্মকারকে সাসপেন্ড করেছেন৷‌ পাশাপাশি জেলের নিরাপত্তা নিয়েও রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে৷‌ আলিপুর জেলে জঙ্গিরাও রয়েছে৷‌ সাধারণ আসামিরাই যদি এভাবে পালিয়ে যায়, তা হলে আফতাব আনসারির মতো জঙ্গিদের কীভাবে আটকে রাখা যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷‌ জেল সূত্রে খবর, ডাকাতির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামি কুতুবুদ্দিন লস্কর, শামিম হাওলাদার এবং আদিম মিস্ত্রি ১৪ নম্বর ব্লকের পাঁচ নম্বর সেলে ছিল৷‌ নিরাপত্তারক্ষী সেলের বাইরে পাহারা দেয়৷‌ তার পরেও কীভাবে করাত দিয়ে লোহার রড কাটল আসামিরা, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে৷‌ জেলের মধ্যে একাধিক সি সি টিভি রয়েছে৷‌ পালানোর কোনও ছবি ধরা পড়েনি৷‌ ওয়াচ টাওয়ারে কর্মরত কর্মীরা কেন দুষ্কৃতীদের পাঁচিল টপকানোর বিষয়টি লক্ষ্য করলেন না, কীভাবে করাত তাদের কাছে পৌঁছল, সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছেন কারামন্ত্রী৷‌ জানা গেছে, আদিম ডায়মন্ডহারবার জেল থেকে একবার পালিয়ে গেছিল৷‌ এই তিন আসামি জেলের বাইরে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখত৷‌ এই ঘটনার পেছনে সংশোধনাগারের ওয়ার্ডেনরা জড়িত রয়েছে বলে মনে করছেন পুলিসকর্মীরা৷‌ বৃহস্পতিবার রাতে নিয়ম অনুযায়ী সেলের মধ্যে তাদের ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷‌ শুক্রবার ভোরে নাকি নিরাপত্তারক্ষীরা লক্ষ্য করেন সেলে ওই তিন আসামি নেই.জানা গেছে, ওই তিন আসামি গত কয়েকদিন ধরে লোহার রড কাটছিল৷‌ উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে হ্যাপি সিং হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছিল বিভিন্ন মহল৷‌ হত্যাকারী কীভাবে ভারী পাথর পেয়েছিল এবং তখন নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল৷‌

No comments:

Post a Comment