বাংলার মানুষ দুঃখে আছেন, ত্রিপুরায় শাম্তি: রুদ্রপ্রসাদ
আজকালের প্রতিবেদন: খোয়াই, ৪ আগস্ট– পশ্চিম বাংলার মানুষ খুব বেশি সুখে নেই৷ চার পাশে এখন বড় বেশি পেশি শক্তির আস্ফালন৷ কমার বদলে হাত৷ সত্যি কথা বললে হাত না উঠে বোমা পড়ছে৷ বাংলার মানুষ দুঃখে আছেন৷ সেই দিক থেকে ত্রিপুরার মানুষ শাম্তিতে আছেন৷ সোমবার খোয়াই ডাকবাংলোতে বসে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বললেন, এভাবেই পশ্চিমবঙ্গের চলতি হাল হকিকত নিয়ে নান্দীকার গোষ্ঠীর কর্ণধার, নির্দেশক প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত৷ খোয়াই কালচারাল ক্যাম্পেইন আয়োজিত মাসব্যাপী তরুণ প্রতিভাবান নাট্যকর্মী-কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দিতে কলকাতা থেকে আসেন রুদ্রপ্রসাদ ও তাঁর স্ত্রী বিশিষ্ট অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত৷ ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের আর্থিক সহায়তায় এক মাসব্যাপী নাট্য-প্রশিক্ষণ কর্মশালার সূচনা হয় ২৭ জুলাই৷ এই কর্মশালায় তরুণ প্রতিভাবান নাট্যকর্মীদের টিপস দিতে তিন দিনের জন্য খোয়াইয়ে আসেন রুদ্রপ্রসাদ ও স্বাতীলেখা৷ ৩ আগস্ট থেকে নাট্য কর্মশালায় ছাত্রছাত্রীদের পাঠ দিচ্ছেন তাঁরা৷ সোমবার সকালে খোয়াই ডাকবাংলোতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের নাট্যজীবন থেকে শুরু করে বাংলার ‘পরিবর্তন’-এর সরকার নানান বিষয়ের ওপর খোলামেলা কথা বলেন সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত রুদ্রপ্রসাদ৷ তাঁর মতে, নাটকের ওপর রাজনীতিবিদদের হস্তক্ষেপ অবাঞ্ছিত৷ রাজনৈতিক সমাজের কাছে সাধারণ সমাজের আওয়াজটা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে৷ পেশি শক্তির আস্ফালনে মানুষ এখন সত্যিটাকে সত্যি বলতে ভয় পান৷ তিনি বলেন, বিশ-ত্রিশ বছর আগে বাংলায় কোনও গোলমাল পাকালে সত্যজিৎ রায়, শম্ভু মিত্র, সুচিত্রা মিত্র, দেবব্রত বিশ্বাসরা কাগজে একটা প্রতিবাদ দিলে এর একটা ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়া বাংলার মানুষ দেখতেন৷ এখন কেউ নতুন করে প্রতিবাদ করার সাহস যেন মন থেকে হারিয়ে ফেলছেন৷ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রুদ্রপ্রসাদের ডান দিকে বসে মাথা নেড়ে নিজের সহমত প্রকাশ করছিলেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত৷ কালচারাল ক্যাম্পেইনের সভাপতি অরুণ পাল শুরুতে আলোচনা করেন৷
আজকালের প্রতিবেদন: খোয়াই, ৪ আগস্ট– পশ্চিম বাংলার মানুষ খুব বেশি সুখে নেই৷ চার পাশে এখন বড় বেশি পেশি শক্তির আস্ফালন৷ কমার বদলে হাত৷ সত্যি কথা বললে হাত না উঠে বোমা পড়ছে৷ বাংলার মানুষ দুঃখে আছেন৷ সেই দিক থেকে ত্রিপুরার মানুষ শাম্তিতে আছেন৷ সোমবার খোয়াই ডাকবাংলোতে বসে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বললেন, এভাবেই পশ্চিমবঙ্গের চলতি হাল হকিকত নিয়ে নান্দীকার গোষ্ঠীর কর্ণধার, নির্দেশক প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত৷ খোয়াই কালচারাল ক্যাম্পেইন আয়োজিত মাসব্যাপী তরুণ প্রতিভাবান নাট্যকর্মী-কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দিতে কলকাতা থেকে আসেন রুদ্রপ্রসাদ ও তাঁর স্ত্রী বিশিষ্ট অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত৷ ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের আর্থিক সহায়তায় এক মাসব্যাপী নাট্য-প্রশিক্ষণ কর্মশালার সূচনা হয় ২৭ জুলাই৷ এই কর্মশালায় তরুণ প্রতিভাবান নাট্যকর্মীদের টিপস দিতে তিন দিনের জন্য খোয়াইয়ে আসেন রুদ্রপ্রসাদ ও স্বাতীলেখা৷ ৩ আগস্ট থেকে নাট্য কর্মশালায় ছাত্রছাত্রীদের পাঠ দিচ্ছেন তাঁরা৷ সোমবার সকালে খোয়াই ডাকবাংলোতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের নাট্যজীবন থেকে শুরু করে বাংলার ‘পরিবর্তন’-এর সরকার নানান বিষয়ের ওপর খোলামেলা কথা বলেন সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত রুদ্রপ্রসাদ৷ তাঁর মতে, নাটকের ওপর রাজনীতিবিদদের হস্তক্ষেপ অবাঞ্ছিত৷ রাজনৈতিক সমাজের কাছে সাধারণ সমাজের আওয়াজটা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে৷ পেশি শক্তির আস্ফালনে মানুষ এখন সত্যিটাকে সত্যি বলতে ভয় পান৷ তিনি বলেন, বিশ-ত্রিশ বছর আগে বাংলায় কোনও গোলমাল পাকালে সত্যজিৎ রায়, শম্ভু মিত্র, সুচিত্রা মিত্র, দেবব্রত বিশ্বাসরা কাগজে একটা প্রতিবাদ দিলে এর একটা ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়া বাংলার মানুষ দেখতেন৷ এখন কেউ নতুন করে প্রতিবাদ করার সাহস যেন মন থেকে হারিয়ে ফেলছেন৷ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রুদ্রপ্রসাদের ডান দিকে বসে মাথা নেড়ে নিজের সহমত প্রকাশ করছিলেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত৷ কালচারাল ক্যাম্পেইনের সভাপতি অরুণ পাল শুরুতে আলোচনা করেন৷
No comments:
Post a Comment