আজ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসে রোগ নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার
এ রোগের উপসর্গ পরিচিত৷ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ৷ সরকারি প্রকল্পের আওতায় ওষুধও মেলে নিখরচায়৷ তবুও পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশের এক নম্বর মারণ ব্যাধি হল টিউবারকিউলোসিস বা যক্ষ্মা৷ গোটা বিশ্বে দ্বিতীয় (সিঙ্গল ইনফেকশন এজেন্ট হিসেবে)৷ কেন এই অবস্থা, তার কারণ জানেন না কেউই৷ দীর্ঘদিনের পরিচিত এই রোগকে নিয়ন্ত্রণের নতুন অঙ্গীকার নিয়েই আজ সোমবার বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসে পা রাখবে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ৷
বহু বছর আগে যক্ষ্মার কারণ জেনেছিল গোটা বিশ্ব৷ ৯০ বছর আগে আবিষ্কার করে ফেলেছিল সেটা সারানোর উপায়৷ তবুও বিজ্ঞানী-গবেষকদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে প্রতি বছর ৯ লক্ষ মানুষ নতুন করে টিবি রোগে আক্রান্ত হয়৷ তাঁদের মধ্যে ৩ লক্ষ মানুষের শরীরে টিউবারকিউলোসিসের জীবাণু থেকে যায় অধরাই৷ আর তাই সেই তিন লক্ষ মানুষকে খুঁজে বের করে তাঁদের চিকিত্সা করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকেরা৷ তবে ভারতের মতো দেশে মাল্টিড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট টিবিকেও কম বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন না তাঁরা৷ শহরের অন্যতম যক্ষ্মা রোগ বিশেষজ্ঞ শুভময় দত্ত চৌধুরী জানান, 'আর্লি স্টেজে টিবিকে চিহ্নিত করে তার সঠিক চিকিত্সা করাটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ৷'
রাজ্যের প্রাক্তন এই স্বাস্থ্য অধিকর্তা মনে করেন, তৃণমূলস্তরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় টিবির উপসর্গ বোঝার জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত চিকিত্সাকর্মী না থাকার জন্যও কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, প্রাথমিক পর্যায়ে টিবি রোগের নির্ণয় পদ্ধতি৷ শুভময়বাবু আরও জানান, 'মাঝপথে যাতে যক্ষ্মার চিকিত্সা কেউ থামিয়ে না-দেন, সে দিকে বাড়তি নজর দেওয়াটাও অত্যন্ত প্রয়োজন৷ কারণ, দ্রুত হারে বাড়ছে মাল্টি ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট টিবিতে আক্রান্তের সংখ্যা৷ যা বাড়িয়ে দিচ্ছে মৃত্যুর হার৷'
এ রোগের উপসর্গ পরিচিত৷ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ৷ সরকারি প্রকল্পের আওতায় ওষুধও মেলে নিখরচায়৷ তবুও পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশের এক নম্বর মারণ ব্যাধি হল টিউবারকিউলোসিস বা যক্ষ্মা৷ গোটা বিশ্বে দ্বিতীয় (সিঙ্গল ইনফেকশন এজেন্ট হিসেবে)৷ কেন এই অবস্থা, তার কারণ জানেন না কেউই৷ দীর্ঘদিনের পরিচিত এই রোগকে নিয়ন্ত্রণের নতুন অঙ্গীকার নিয়েই আজ সোমবার বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসে পা রাখবে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ৷
বহু বছর আগে যক্ষ্মার কারণ জেনেছিল গোটা বিশ্ব৷ ৯০ বছর আগে আবিষ্কার করে ফেলেছিল সেটা সারানোর উপায়৷ তবুও বিজ্ঞানী-গবেষকদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে প্রতি বছর ৯ লক্ষ মানুষ নতুন করে টিবি রোগে আক্রান্ত হয়৷ তাঁদের মধ্যে ৩ লক্ষ মানুষের শরীরে টিউবারকিউলোসিসের জীবাণু থেকে যায় অধরাই৷ আর তাই সেই তিন লক্ষ মানুষকে খুঁজে বের করে তাঁদের চিকিত্সা করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকেরা৷ তবে ভারতের মতো দেশে মাল্টিড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট টিবিকেও কম বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন না তাঁরা৷ শহরের অন্যতম যক্ষ্মা রোগ বিশেষজ্ঞ শুভময় দত্ত চৌধুরী জানান, 'আর্লি স্টেজে টিবিকে চিহ্নিত করে তার সঠিক চিকিত্সা করাটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ৷'
রাজ্যের প্রাক্তন এই স্বাস্থ্য অধিকর্তা মনে করেন, তৃণমূলস্তরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় টিবির উপসর্গ বোঝার জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত চিকিত্সাকর্মী না থাকার জন্যও কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, প্রাথমিক পর্যায়ে টিবি রোগের নির্ণয় পদ্ধতি৷ শুভময়বাবু আরও জানান, 'মাঝপথে যাতে যক্ষ্মার চিকিত্সা কেউ থামিয়ে না-দেন, সে দিকে বাড়তি নজর দেওয়াটাও অত্যন্ত প্রয়োজন৷ কারণ, দ্রুত হারে বাড়ছে মাল্টি ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট টিবিতে আক্রান্তের সংখ্যা৷ যা বাড়িয়ে দিচ্ছে মৃত্যুর হার৷'
No comments:
Post a Comment