ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুরু
নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2014-08-08 19:32:17.0 BdST Updated: 2014-08-08 23:54:17.0 BdST
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অনুমোদন পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ইরাকে ‘ইসলামী জঙ্গিদের’ অবস্থানে বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
RELATED STORIES
-
2014-06-20 00:37:29.0
-
2014-07-27 01:17:17.0
-
2014-06-18 22:31:54.0
-
2014-08-08 10:35:03.0
আরবিল শহরে কুর্দিদের বিপক্ষে গোলা ছুড়তে থাকা ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের লক্ষ্য করে শুক্রবার এই বিমান হামলা চালানো হয় বলে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কিরবি এক বিবৃতিতে বলেন, স্থানীয় সময় দুপুর পৌনে ২টায় আরবিলের কাছে আইএসের একটি কামান লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়।
আরবিল শহর রক্ষায় লড়াইরত কুর্দি বাহিনীর ওপর ওই কামান থেকে গোলা ছোড়া হচ্ছিল।
ইরাকের এই শহরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন বলে পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এফ/এ-১৮ জঙ্গিবিমান থেকে ৫০০ পাউন্ড লেজার নিয়ন্ত্রিত বোমা ছোড়া হয়েছে বলে পেন্টাগনের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়।
উত্তর ইরাকে ইয়াজিদি সংখ্যালঘুদের ‘অস্তিত্ব’ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় বৃহস্পতিবার ইরাকে ইসলামী উগ্রপন্থীদের ওপর বিমান হামলার অনুমোদন দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
জঙ্গিদের অবরোধের মধ্যে থাকা ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার মানুষের জন্য এরইমধ্যে বিমান থেকে জরুরি সহায়তা ফেলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ওবামা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী থেকে সংখ্যালঘু ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের জন্য খাবার ও পানির বোতল ফেলা হয়েছে।
সিনজার পার্বত্য এলাকায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের ঘেরাওয়ের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন এই সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার বাসিন্দা। ইরাকি কর্মকর্তারা বলছে, ওই এলাকায় আটকা পড়ে থাকলে ইয়াজিদিদের খাবার ও পানির অভাবে মরতে হবে। আর জঙ্গিদের হাতে পড়লে গণহত্যার শিকার হবে তারা।
ওবামা বলেন, “পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে কোনো সঙ্কট তৈরি হলে তার সব জায়গায় যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, আর তা উচিতও হবে না। কিন্তু ইরাকে নৃশংসতা যে মাত্রায় পৌঁছেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র চোখ বন্ধ করে রাখতে পারে না, বিশেষ করে যেখানে ইরাক সরকার সাহায্য চেয়েছে।”


এদিকে ইরাকের খ্রিস্টান অধ্যুষিত বৃহত্তম শহর কারাকোশ ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের দখলে চলে যাওয়ায় প্রাণের ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন পাহাড়ি ওই এলাকার এক চতুর্থাংশ বাসিন্দা।
গত জুনে ইরাকের মসুল এলাকার দখল নেয় ‘ইসলামিক স্টেট’ জঙ্গিরা। এরপর ইরাক ও সিরিয়ার বড় একটি এলাকার দখল নিয়ে সেখানে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় তারা। তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা থেকে এরইমধ্যে হাজার হাজার ভিন্ন মতাবলম্বীকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।


No comments:
Post a Comment