Tuesday, August 5, 2014

‘চেনাশোনার’ বাইরে ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রনাথ

‘চেনাশোনার’ বাইরে ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রনাথ
শ্রদ্ধাঞ্জলি বাইশে শ্রাবণ
আহমদ রফিক
কবি ও লেখক হিসেবে রবীন্দ্রনাথের মহত্ত্ব এই খানে তাঁর নান্দনিক আদর্শ নির্দিষ্ট একবিন্দুতে স্থির হয়ে থাকেনি। সচলতা (চরৈবেতি) তাঁর নান্দনিক জীবনের মতাদর্শ। যে জন্য ১৯০১ সালের ব্রহ্মবিদ্যালয় স্থাপয়িতা ও পরিচালক ১৯৩০ সালে পৌঁছে ধর্মবিদ্রোহ নিয়ে আলোচনা করেছেন, অক্সফোর্ডে মানবধর্মবিষয়ক বক্তৃতা (দ্য রিলিজিয়ন অব ম্যান) দিয়েছেন, যে রিলিজিয়নের পরিচয় হলো মানবতাবাদ। এমনকি ধর্মের অপব্যবহার দেখে এমন মন্তব্য করতেও তাঁর বাধেনি যে ‘ধর্মমোহের চেয়ে নাস্তিকতা অনেক ভাল।’ বলাবাহুল্য তিনি নাস্তিক ছিলেন না কিন্তু মনের ক্ষোভে এ জাতীয় বিস্ফোরক কথাবার্তা। তবে এ কথাও ঠিক যে, কোন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম তাঁর ছিল না। মানবধর্মেই তাঁর বিশ্বাস যে কথা ইতোপূর্বে বলা হয়েছে।
কারও কারও মতে, ১৯৩০ সালে রাশিয়া সফর রবীন্দ্রনাথের জীবনের এক মাহেন্দ্রক্ষণ। শাদামাটা ভাষায় বলা যেতে পারে জীবন খাতার পাতা ওল্টানো। পাতা ওল্টাতে গিয়ে দেখেন তাঁর সামাজিক-অর্থনৈতিক ভাবনা, সে ভাবনার সফলতা ব্যর্থতার সঙ্গে রুশ বলশেভিকদের কাজের আত্মন্তিক মিল। বিশেষ করে শিক্ষা, সময়, কৃষি, যৌথ খামার ইত্যাদি নানা বিষয়ে। আবার গরমিলও আছে, আর তা হলো একনায়কত্বের আপদ যা অন্তর থেকে মেনে নেয়া যায় না। তবু চিকিৎসার মতো সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে তা মেনে নেন এই বলে যে, তা যেন চিরস্থায়ী না হয়। নব্য রাশিয়ার চারদিকে শত্রু-ইউরোপ, আমেরিকা। তাই এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা আপাতত না হয় থাক।
তেমনি ব্যক্তিগত সম্পত্তি সম্পর্কে তার কথা : ব্যক্তিগত সম্পত্তি থাকা উচিত, তবে তা যেন একটি নির্দিষ্ট সীমারেখায় সীমাবদ্ধ থাকে। অমিত ধন-সঞ্চয়ের তিনি বিরোধী। আসলে রবীন্দ্রনাথ সবরকম চরপন্থার বিরোধী, একদিকে সমন্বয়বাদী অন্যদিকে মধ্যপন্থী। এগুলো গ্রহণযোগ্যতা পায় তখনি যখন মানবতাবাদ তার বিবেচনায় সবার ওপরে জায়গা করে নেয়। সেই পুরনো কথা- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য।’
রবীন্দ্ররচনায় সর্বত্র এই মানুষেরই জয়গান। রাশিয়া থেকে ফিরে লেখা, ‘রথের রশি’তে দেখা গেল নিম্নবর্গীয় মানুষের শক্তির ও গুরুত্বের মহিমাকীর্তন। ভক্তিবাদী (গীতাঞ্জলি পর্ব) রবীন্দ্রনাথের কণ্ঠে এমন বাণীও উচ্চারিত হয় : রাস্তাটাকে ভক্তিরসে দিয়ো না কাদা করে।’
এ রবীন্দ্রনাথকে আমরা কোন্্ নামে চিহ্নিত করব- ভক্তিবাদী, না ধর্মবাদী। আসলে এর কোনটাই নয়। পূর্বকথায় ফিরে বলতে হয়, সর্বঅর্থেই তিনি মানবতাবাদী বিশ্ব নাগরিক। পৃথিবীর ঘরে ঘরে তিনি ঠাঁই চান। কারও সঙ্গে তাঁর বিরোধ নেই, তবু বিরোধ আছে সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে, আছে যুদ্ধবাজদের সঙ্গে। তাই উগ্রজাতীয়তাবাদ তথা ফ্যাসিবাদের তিনি ঘোরবিরোধী (‘ন্যাশনালিজম’ পুস্তিকা)। ভয়ানকবিরোধী সম্প্রদায়বাদী সঙ্কীর্ণতার।
তাই স্থানীয় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর এন্তার লেখা, লেখা হিন্দু-মুসলমানের আর্থ-সামাজিক সমতার পক্ষে। প্রচলিত রাজনীতি কবির এ বক্তব্য মেনে নিতে রাজি ছিল না, পরিণামে দেশভাগ। ভাগ্যিস এই ভয়াবহ কাটাকুটি তাঁকে দেখতে হয়নি, তার আগেই ১৯৪১-এর বাইশে শ্রাবণের দুপুরে তাঁর শেষযাত্রা। এ যাত্রার মিছিলে সাম্প্রদায়িকতার ছাপ ছিল না।
বিষয়টা রবীন্দ্রনাথের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে রাশিয়া সফরে গিয়েও ভারতীয় সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে ভেবেছেন, বিশেষ করে সোভিয়েত মধ্য এশিয়ায় সাম্প্রদায়িক সৌভ্রাতৃত্ব দেখে। এ বিষয়ে লিখেছেনও নিরপেক্ষ কলমে আর দু’বছর পর পারশ্য ভ্রমণে গিয়ে কবি হাফিজের সমাধি প্রাঙ্গণে কী ভেবেছেন তিনি? তাঁর ভাষায় : ‘মনে মনে ইচ্ছা করলুম ধর্মনামধারী অন্ধতার প্রাণান্তিক ফাঁস থেকে ভারতবর্ষ যেন মুক্তি পায়।’
না মুক্তি পায়নি ভারতবর্ষ। পায়নি ত্রিধাবিভক্ত একালের ভারতবর্ষও। তার বয়স তখন সত্তর। অনেক আগেই চুলে পাক ধরেছে। ১৯১২-১৩ সালেই ইউরোপ-আমেরিকায় তাঁর পরিচিতি ‘প্রাচ্যের সন্ত’ ‘মরমী কবি’ (‘মিস্টিক পোয়েট’) সে পরিচয় ছাপিয়ে নতুন পরিচয়- মানবতাবাদী কবি, বিশ্বশান্তির প্রবক্তা, যুদ্ধবাজদের প্রবল বিরোধী।
স্বদেশে যেমন ইংরেজের ভারত শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বার বার প্রবন্ধ লেখেন (‘কণ্ঠরোধ, কর্তার ইচ্ছায় কর্ম, বহরাজকতা, অত্যুক্তি ইদ্যাদি) তেমনি বিপ্লবী তরুণদের প্রতি পুলিশী অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখেন : ‘এসব দুষ্ট সমস্যার মূলে স্বাধীন শাসনের অভাব’ (রচনাবলী ২৪)। সন্ত্রাসবাদের নীতিগত বিরোধী হয়েও শ্রদ্ধা জানান আত্মদানকারী তরুণ বিপ্লবীদের প্রতি। তাঁর ভাষায় ‘দেশের জন্মলক্ষ্মীছাড়া তরুণদের’ অসাধ্য সাধনের জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন : ‘তারুণ্যের জয় হোক।’ এক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল এক কাতারে দাঁড়ানো।
তাঁর সাম্রাজ্যবাদ- তথা ‘ইম্প্রিরিয়ালিজম’ বিরোধিতা তো ১৯শতক থেকে। আন্তর্জাতিক পরিসরে আগ্রাসী উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ়ভাষা এবং অত্যাচারিতের প্রতি সহানুভূতির প্রকাশ শুধু ‘বুয়রযুদ্ধ’ ও বক্সারযুদ্ধ নিয়েই নয়; সর্বপ্রকার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তা প্রকট। তাই ১৯শতকের শেষ সন্ধ্যায় শিলাইদহে বসে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইংরেজ সেনাবাহিনীর বর্বরতার বিরুদ্ধে নান্দনিক প্রতিবাদ জানিয়ে লেখেন : ‘শতাব্দীর সূর্য আজি রক্তমেঘ মাঝে/অস্ত গেল’ ইত্যাদি পঙ্ক্তি।
তাঁর এ ভূমিকা স্পষ্ট ‘রথের রশি’ থেকে ব্যঙ্গ কৌতুকে ‘তাসের দেশ’ নাটকে। ‘কালান্তর’ থেকে ‘সভ্যতার সঙ্কট’ প্রবন্ধে এবং বিভিন্ন সময়ে লেখা বিস্তর প্রবন্ধে। তাঁর সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা যেমন চীনে ইংরেজের আফিমের গোলাবর্ষণের বিরুদ্ধে, তেমনি দীর্ঘসময় পর ইতালির আবিসিনিয়া জবরদখলের বিরুদ্ধে (‘আফ্রিকা’ কবিতা)। যেমন জাপানের চীন দখলের বিরুদ্ধে তেমনি ফ্যাসিস্ট শক্তির গণতন্ত্রী স্পেন দখলের বিরুদ্ধে।
শুধু প্রবন্ধে নয়, বিবৃতিতে নয়, ঘোষণায় নয়, কবিতা ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। যেমন :
‘রক্তমাখা দন্ত পঙ্ক্তি হিংস্র সংগ্রামের
শত শত নগর গ্রামের
অন্ত্র আজ ছিন্নভিন্ন করে’ ইত্যাদি।
এ অবস্থায় ‘শান্তির ললিত বাণী’ পরিহাসের মতো শোনাতে বাধ্য। তাই প্রয়োজনে ‘ধর্মকরার প্রাচীরে বজ্র হানো’ বলতেও তাঁর দ্বিধা নেই। বরং দৃঢ় কণ্ঠের কবিতাকে বাস্তবের মাটিতে নামিয়ে এনে তাঁর আহ্বান :
‘কণ্ঠে মোর আনো বজ্রবাণী, শিশুঘাতী নারীঘাতী
কুৎসিত বীভৎসা’ পরে ধিক্কার হানিতে পারি যেন।’
কবিতায় গদ্যের কশাঘাত এবং তা ধিক্কারে শেষ নয়, সংগ্রামে তার পরিণতি :
‘বিদায় নেবার আগে তাই
ডাক দিয়ে যাই
দানবের সাথে যারা সংগ্রামের তরে
প্রস্তুত হতেছে ঘরে ঘরে।’
প্রবীণ রক্তে পরিস্থিতি দর্শনে ঢেউ ওঠে, কারণ কবি জানেন দিন বদল আসন্ন। তাই শুধু দিনবদলের দামামা বাজিয়েই ক্ষান্ত হন না কবি, বরং আত্মদান, আত্মোৎসর্গের আহ্বান জানান ব্যতিক্রমধর্মী কাব্য পঙ্ক্তিতে :
‘রক্তেরাঙা ভাঙ্গনধরা পথে
দুর্গমেরে পেরোতে হবে দিগি¦জয়ী রথে
পরাণ দিয়ে বাঁধিতে হবে সেতু।’
এক সময় বিপ্লবের ভাঙ্গনের প্রতি ছিল না সমর্থন। এখন নিজেই বাঁধ ভেঙে ভাঙনের জয়গান গাইছেন। ভাঙনের মধ্য দিয়ে গড়ার ভাবনা :
‘দারুণ ভাঙন এ যে পূর্ণেরই আদেশে
কী অপূর্ব সৃষ্টি তার দেখা দিবে শেষে-
কবি নিশ্চিত যে নতুন সৃষ্টি সম্ভব হতে পারে ‘বীভৎস তা-বে পাপ-যুগের অবসানে।’ এ যেন অন্য এক রবীন্দ্রনাথ। ‘জন্মদিনে’র কবিতায় লিখতে দ্বিধা নেই :
‘আজি সেই সৃষ্টির আহ্বান
ঘোষিছে কামান।’
বয়োবৃদ্ধ, জরাহত এ রবীন্দ্রনাথকে কি চেনা যায়? কোথায় গেল তার জীবনদেবতা, গীতাঞ্জলির ভক্তিবাদ! বাস্তবতা এমনই এক ভয়ঙ্কর সত্য, যে- সত্য বড় কঠিন, সে কখনো করে না বঞ্চনা।’ এ সত্যের অনুধাবন ও উপলব্ধি রবীন্দ্রচৈতন্যে প্রথম থেকেই ছিল, তবে তার প্রকাশ বিভিন্ন প্রতীকে। ভয়াবহ বাস্তবের মুখোমুখি হয়ে শেষ পর্যন্ত এমন উপলব্ধিতে স্থিত হবে হয় তাকে :
‘আমি ব্রাত্য, আমি মন্ত্রহীন...
আমি পঙ্ক্তিহারা
আমি জাতি হারা।’
যেমন কবিতায় তেমনি গদ্যভাষ্যে রবীন্দ্রনাথের এমন উপলব্ধি বিস্ময়কর হয়েও নিখাদ সত্য। বিশ্বপরিস্থিতি, ফ্যাসিবাদী তাণ।ডব স্বদেশে শাসকদের রক্তক্ষয়ী হামলা (জালিয়ানাওয়ালা বাগ থেকে বক্সা, হিজলি, জালালাবাদ, অনশনে শহীদ যতীন দাস এমনি বহু ঘটনা) রোমান্টিক কবি রবীন্দ্রনাথকে বুঝতে সাহায্য করে ‘পরাণ দিয়ে বাঁধিতে হবে সেতু।’
সে সেতু জনশক্তির সঙ্গে। অন্যথায় মুক্তির কোন পথ খুলবে না। তাই একদা একাকিত্ব বোধের নান্দনিক আধুনিকতায় আক্রান্ত রবীন্দ্রনাথকে জীবন সায়াহ্নে পৌঁছে লিখতে হয়: ‘সর্বশ্রেণীর জনগণের ঐক্য ও মিলের মধ্যে রয়েছে দেশে নবযুগের সাধনার সূত্র’ (১৯৩২)। সহিংস রাজনীতিতে তাঁর সমর্থন ছিল না কখন। তবু সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, পীড়ন-নির্যাতন তাঁকে বাধ্য করে পথের নিশানা বদল করতে। অবশ্য যতটা সম্ভব ১৯ শতকে জন্ম নেয়া মানুষের পক্ষে, উপনিষদ ও ভক্তিবাদের কবির পক্ষে।
তবে এ পরিবর্তন বিস্ময়কর। সমঝোতার পথ, আত্মশক্তিতে নির্ভরশীলতার পথ পরিহার করে সংগ্রামের পথে নেমে সত্তরোর্ধ কবির পক্ষে প্রায় অসম্ভবই বলা চলে। তবে সে অসম্ভব সম্ভব হয়ে ছিল জীবনের শেষ দশকে পৌঁছে মূলত বিশ্ব পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায়। মৃত্যুর মাত্র চারবছর আগেরকার কথা, ১৯৩৭ খ্রীস্টাব্দ। বছরটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব তখন ফ্যাসিস্ট শক্তির হুঙ্কারে টালমাটাল, তথাকথিত গণতন্ত্রীরা নিজ নিজ গুহায় স্তব্ধ। চারিদিকে ফ্যাসিজমের জয়-জয়কার। আশ্চর্য যে ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা বিভ্রান্ত চিন্তায় ইংরেজ বিরোধিতার নামে ফ্যাসিবাদের পক্ষে জয়ধ্বনি তুলছে। এমনকি স্বয়ং গান্ধী।
এ অবস্থায় জওহরলালের আহ্বানে অসুস্থ কবি বেরিয়ে আসেন নান্দনিক আবাস থেকে, ‘লীগ এগেইনস্ট ফ্যাসিজম এ্যান্ড ওয়ার’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার ভারতীয় শাখার সভাপতি হন রবীন্দ্রনাথ। প্রগতিবাদীরা তাঁর ছত্রছায়ায় সংঘবদ্ধ। একই সঙ্গে আন্দামান থেকে বিপ্লবীদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের পুরোভাগে দাঁড়ান রবীন্দ্রনাথ।
গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ নামে সম্বোধন-করা রবীন্দ্রনাথ। এ সময় গান্ধীবিরোধী অবস্থানে, বিপ্লববাদী সুভাষ চন্দ্রের সমর্থক। ‘দেশনায়ক’ নামে আখ্যায়িত করে বাঁধ ভেঙে ফেলা ‘তাসের দেশ’ নাটক উৎসর্গ করেন ‘কল্যাণীয় সুভাষচন্দ্র বসুকে।’ এমনি একাধিক ঘটনার নায়ক রবীন্দ্রনাথ- যেমন ফ্যাসিস্ট জাপানের চীন আক্রমণের বিরুদ্ধে, তেমনি গণতন্ত্রী স্পেনের পক্ষে সাহায্যের আহ্বান জানানো ব্যতিক্রমী ধারার রবীন্দ্রনাথ সত্যই অনন্য।
আসলে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাংলাদেশে গতাণুগতিক একাডেমিক গবেষণাই হয়েছে, এই ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রনাথ আমাদের বিচার-বিশ্লেষণের বাইরে। সার্ধশত জন্মবার্ষিকীর আড়ম্বরে এ রবীন্দ্রনাথকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি। তাঁকে আবিষ্কার, তাঁর যথাযথ মূল্যায়ন খুবই জরুরী।
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/

No comments:

Post a Comment