মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের মালিকানা যাচ্ছে সরকারের কাছে
সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা ও বিদ্যমান লোকসানের মুখে এ সিদ্ধান্ত
এ বছরের মার্চ ও জুলাইয়ে বড় দুটি দুর্ঘটনা ও কয়েক বছরের ঋণের বোঝার কারণে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের মালিকানা পুরোপুরি নিয়ে নেয়ার কথা ভাবছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া এয়ারলাইন্সটির ব্যাপারে সমন্বিত পর্যালোচনা ও কাঠামোগত পুনর্গঠনের পরিকল্পনার কথাও ভাবছে সরকার। মালয়েশিয়া সরকারের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান খাজানাহ ন্যাশনাল শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমসের।
সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা ও কয়েক বছর ধরে চলা লোকসানের মুখে দেশটির সরকার এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। খাজানাহ ন্যাশনাল এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এয়ারলাইন্সের সব শেয়ার বৃহস্পতিবারের বাজারমূল্যের চেয়ে সাড়ে ১২ শতাংশ বেশি দামে কেনার প্রস্তাব দেয় এবং শেয়ারবাজারের তালিকা থেকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নাম তুলে নেয়ার অনুরোধ জানায়। তবে সব শেয়ার বিক্রির জন্য বেসরকারী শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন দরকার হবে। প্রতিষ্ঠানটির ৩০ শতাংশ শেয়ারের মালিক বেসরকারী শেয়ারহোল্ডাররা। এ মাসের শেষের দিকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স নিয়ে সরকারের ঐতিহাসিক পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রকাশ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।
সাম্প্রতিক দুটি বড় দুর্ঘটনা আর ঋণের কারণে চলতি বছর বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স। লোকসান ঠেকাতে সরকার ইতোপূর্বেও একবার সহায়তা প্যাকেজ দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটিকে। প্রসঙ্গত এ বছরের ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেজিং যাওয়ার পথে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ ২২৭ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রু নিয়ে নিখোঁজ হয়। তার তিন মাস পর ১৭ জুলাই মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭ নামে অপর একটি যাত্রীবাহী বিমান নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুরে যাওয়ার পথে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিধ্বস্ত হলে ১৫ জন ক্রুসহ ২৯৮ জন আরোহী নিহত হন। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনেবিশেক থাকাকালে মালয়য়ান এয়ারলাইন্স নামে যাত্রা শুরু করে।
সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা ও কয়েক বছর ধরে চলা লোকসানের মুখে দেশটির সরকার এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। খাজানাহ ন্যাশনাল এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এয়ারলাইন্সের সব শেয়ার বৃহস্পতিবারের বাজারমূল্যের চেয়ে সাড়ে ১২ শতাংশ বেশি দামে কেনার প্রস্তাব দেয় এবং শেয়ারবাজারের তালিকা থেকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নাম তুলে নেয়ার অনুরোধ জানায়। তবে সব শেয়ার বিক্রির জন্য বেসরকারী শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন দরকার হবে। প্রতিষ্ঠানটির ৩০ শতাংশ শেয়ারের মালিক বেসরকারী শেয়ারহোল্ডাররা। এ মাসের শেষের দিকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স নিয়ে সরকারের ঐতিহাসিক পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রকাশ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।
সাম্প্রতিক দুটি বড় দুর্ঘটনা আর ঋণের কারণে চলতি বছর বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স। লোকসান ঠেকাতে সরকার ইতোপূর্বেও একবার সহায়তা প্যাকেজ দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটিকে। প্রসঙ্গত এ বছরের ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেজিং যাওয়ার পথে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ ২২৭ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রু নিয়ে নিখোঁজ হয়। তার তিন মাস পর ১৭ জুলাই মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭ নামে অপর একটি যাত্রীবাহী বিমান নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুরে যাওয়ার পথে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিধ্বস্ত হলে ১৫ জন ক্রুসহ ২৯৮ জন আরোহী নিহত হন। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনেবিশেক থাকাকালে মালয়য়ান এয়ারলাইন্স নামে যাত্রা শুরু করে।
No comments:
Post a Comment