ভোটে উত্সাহ দিতে কেনাকাটায় ছাড়, প্রচার সিলিন্ডারে
এই সময়: ভোটদানে উত্সাহ বাড়াতে এ বার রান্নার গ্যাসকেও প্রচারের হাতিয়ার করল প্রশাসন! এমনকি, হাতের আঙুলে ভোটের কালি দেখালে ছাড় মিলবে দোকানে কেনাকাটা করলেও!
ভোটের হার বাড়াতে পারলেই মিলবে পুরস্কার৷ নির্বাচন কমিশনের এই 'ইনসেনটিভ' ঘোষণা হওয়া মাত্রই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন৷ ভোটের হার বাড়ানোর জন্য অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে জেলাগুলি৷ কেউ রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের গায়ে স্টিকার লাগিয়ে প্রচার করছে, 'ভোটদান আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার৷' কোনও জেলা প্রশাসন আবার ঘোষণা করেছে, ভোট দিলেই মিলবে দোকানে জিনিস কেনাকেটার উপর ছাড়৷
রাজ্যের সহকারি মুখ্য নির্বাচনী অফিসার অমিতজ্যোতি ভট্টাচার্যের কথায়, 'এবার সারা দেশেই কমিশন ভোটের হার বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছে৷ তারই ফলে আমাদের রাজ্যেও বিভিন্ন জেলা প্রশাসন নানাবিধ উদ্যোগ নিয়েছে৷'
কোচবিহার জেলা প্রশাসন রান্নার গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের গায়েই সেঁটে দিচ্ছে স্টিকার৷ ভোটের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষে স্টিকারে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন বার্তা৷ উদ্দেশ্য একটাই, ভোটের হার বাড়ানো৷ দার্জিলিং জেলায় ভোটের হার বাড়ানোর লক্ষে প্রশাসন আবার রচনা করেছে আস্ত একটা নাটক৷ রাজ্যে এবার ২০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছর৷ ভোটদানের ব্যাপারে মূলত এদের উত্সাহিত করে বুথে টানার উদ্দেশেই তৈরি করা হয়েছে নাটকটি৷ দিল্লি থেকে কমিশনের ছাড়পত্র এলেই বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিনীত হবে নাটকটি৷
তবে ভাবনার অভিনবত্বে এক নম্বরে অবশ্য বর্ধমান জেলা প্রশাসন৷ ভোট দেওয়ার পর আঙুলে ভোটের কালি দোকানে দেখালেই মিলবে জিনিসের দামের উপর ২ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়৷ এ ব্যাপারে বর্ধমান জেলা প্রশাসনের আহ্বানে বেশ কয়েকটি বড় বিপণী সাড়া দিয়েছে বলে কমিশন সূত্রের খবর৷ এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় ভোটার দিবসে একই উদ্যোগ নিয়েছিল নদিয়া জেলা প্রশাসন৷ ভোটার কার্ড দেখিয়ে দোকানে কেনাকেটা করে ছাড় পেয়েছিলেন জেলার অনেক মানুষ৷
এদিকে রাজ্যে ভোটের প্রস্ত্ততি খতিয়ে দেখতে আজ সোমবার কলকাতায় আসছেন উপনির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুত্সি৷ সোমবার রাতেই তিনি বৈঠকে বসবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার সুনীল গুপ্তা, আইজি (আইনশৃঙ্খলা) অনুজ শর্মা এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুরজিত্ কর পুরকায়স্থের সঙ্গে৷ মঙ্গলবার সকালে রয়েছে সর্বদলীয় বৈঠক৷ তার পর ভোটের প্রস্ত্ততি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জুত্সি ম্যারাথন বৈঠক করবেন সমস্ত জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে৷ জুত্সির এই সফরের পরেই ঠিক হবে রাজ্যে ভোটের জন্য ঠিক কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে৷
ভোটের হার বাড়াতে পারলেই মিলবে পুরস্কার৷ নির্বাচন কমিশনের এই 'ইনসেনটিভ' ঘোষণা হওয়া মাত্রই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন৷ ভোটের হার বাড়ানোর জন্য অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে জেলাগুলি৷ কেউ রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের গায়ে স্টিকার লাগিয়ে প্রচার করছে, 'ভোটদান আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার৷' কোনও জেলা প্রশাসন আবার ঘোষণা করেছে, ভোট দিলেই মিলবে দোকানে জিনিস কেনাকেটার উপর ছাড়৷
রাজ্যের সহকারি মুখ্য নির্বাচনী অফিসার অমিতজ্যোতি ভট্টাচার্যের কথায়, 'এবার সারা দেশেই কমিশন ভোটের হার বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছে৷ তারই ফলে আমাদের রাজ্যেও বিভিন্ন জেলা প্রশাসন নানাবিধ উদ্যোগ নিয়েছে৷'
কোচবিহার জেলা প্রশাসন রান্নার গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের গায়েই সেঁটে দিচ্ছে স্টিকার৷ ভোটের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষে স্টিকারে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন বার্তা৷ উদ্দেশ্য একটাই, ভোটের হার বাড়ানো৷ দার্জিলিং জেলায় ভোটের হার বাড়ানোর লক্ষে প্রশাসন আবার রচনা করেছে আস্ত একটা নাটক৷ রাজ্যে এবার ২০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছর৷ ভোটদানের ব্যাপারে মূলত এদের উত্সাহিত করে বুথে টানার উদ্দেশেই তৈরি করা হয়েছে নাটকটি৷ দিল্লি থেকে কমিশনের ছাড়পত্র এলেই বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিনীত হবে নাটকটি৷
তবে ভাবনার অভিনবত্বে এক নম্বরে অবশ্য বর্ধমান জেলা প্রশাসন৷ ভোট দেওয়ার পর আঙুলে ভোটের কালি দোকানে দেখালেই মিলবে জিনিসের দামের উপর ২ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়৷ এ ব্যাপারে বর্ধমান জেলা প্রশাসনের আহ্বানে বেশ কয়েকটি বড় বিপণী সাড়া দিয়েছে বলে কমিশন সূত্রের খবর৷ এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় ভোটার দিবসে একই উদ্যোগ নিয়েছিল নদিয়া জেলা প্রশাসন৷ ভোটার কার্ড দেখিয়ে দোকানে কেনাকেটা করে ছাড় পেয়েছিলেন জেলার অনেক মানুষ৷
এদিকে রাজ্যে ভোটের প্রস্ত্ততি খতিয়ে দেখতে আজ সোমবার কলকাতায় আসছেন উপনির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুত্সি৷ সোমবার রাতেই তিনি বৈঠকে বসবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার সুনীল গুপ্তা, আইজি (আইনশৃঙ্খলা) অনুজ শর্মা এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুরজিত্ কর পুরকায়স্থের সঙ্গে৷ মঙ্গলবার সকালে রয়েছে সর্বদলীয় বৈঠক৷ তার পর ভোটের প্রস্ত্ততি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জুত্সি ম্যারাথন বৈঠক করবেন সমস্ত জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে৷ জুত্সির এই সফরের পরেই ঠিক হবে রাজ্যে ভোটের জন্য ঠিক কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে৷
http://eisamay.indiatimes.com/-/EC-takeing-new-steps-to-atract-voters-in-booths/articleshow/32562882.cms
No comments:
Post a Comment