ইস্তাহারে আট শতাংশ বৃদ্ধি ও ১০ কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসের
নয়াদিল্লি: জনমোহিনী প্রকল্প চালু করে বিপুল ভর্তুকির বোঝা নিয়ে এবার বেসরকারি ক্ষেত্রে সংরক্ষণের ইঙ্গিত নিয়ে তপশিলি জাতি ও উপজাতির ভোটকে পাখির চোখ করতে চাইছে কংগ্রেস৷ ইস্তাহারে তারা ইঙ্গিত দিয়েছে, বেসরকারি ক্ষেত্রে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে জাতীয় স্তরে ঐকমত্য গড়ে তুলবে৷ প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের উদ্যোগে মণ্ডল কমিশন রিপোর্ট দিয়েছিল, আর তা লাগু করেছিল বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংয়ের সরকার৷
ইস্তাহারে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি, তিন বছরেই দেশে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার আট শতাংশে তারা নিয়ে যাবে৷ ১০ কোটি কর্মসংস্থানের কথাও রয়েছে তাদের ইস্তাহারে৷ রয়েছে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতিও৷ ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স ও ডায়রেক্ট ট্যাক্স কোড চালু করার কথাও বলা রয়েছে৷ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে তারা উত্সাহ দেবে বলেও জানিয়েছে কংগ্রেস৷ বুধবার কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেন দলের সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী৷
মূলত ১৫টি অ্যাজেন্ডা রয়েছে তাদের ইস্তাহারে৷ এর মধ্যে শ্রমআইন সহজ করা, কালো টাকা উদ্ধার করা এবং জাতীয় উত্পাদনের তিন শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার আগেও কালো টাকা উদ্ধারে কংগ্রেস উদ্যোগী হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল৷
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে দেশে বৃদ্ধির হার ৯ শতাংশে পৌঁছেছিল৷ কিন্ত্ত ২০১২-১৩ সালে তা নেমে দাঁড়ায় ৪.৫ শতাংশে৷ চলতি অর্থবর্ষে তা সামান্য বেড়ে ৪.৯ শতাংশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মন্দাকে৷
মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রতিশ্রুতি তারা দিলেও, এর দায়িত্ব অনেকটাই চাপিয়ে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘাড়ে৷ মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়ার কথা স্বীকার করলেও ইস্তাহারে কংগ্রেস বলেছে, 'নীতি নির্ধারণের সময় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উচিত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও বৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা৷' রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের প্রথম লক্ষ্য মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা৷ তা ছাড়া, কংগ্রেস সরকার খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি বাড়ানোয় ও সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যই গ্রামে লোকের হাতে খরচ করার মতো বাড়তি টাকা আসছে৷ গ্রামীণ রোজগার প্রকল্পের জন্য শ্রমনির্ভর প্রকল্পের খরচও বেড়ে যাচ্ছে৷ এ সব কারণেই মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়ছে বলে মনে করছে বণিকমহল৷
কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে এক দশকে শুধু শক্তি, পরিবহণ ও অন্য পরিকাঠামো উন্নয়নে তারা এক লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করবে৷ উত্পাদন শিল্পে প্রতিযোগিতার কথা ভেবে শ্রম আইনও বদল করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে৷
পাইকারি ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির হার ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৪.৬৮ শতাংশ, খুচরো পণ্যে এই হার ছিল ৮.১ শতাংশ৷ ক্ষমতায় আসার ১০০ দিনের মধ্যেই বিস্তারিত অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস, যেখানে ১০ কোটি নতুন কাজের সম্ভাবনা তৈরি হবে৷ পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস৷
উদার ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির পথেই তারা হাঁটবে বলে আবার জানিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস৷ উত্পাদন শিল্পে, মূলত ছোটো ও মাঝারি মাপের শিল্পে বিশেষ জোর দিয়ে বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস৷
নতুন কর নীতি পুরোনো বিনিময়োগের উপরেও প্রযোজ্য হতে পারে (রেট্রোপেকটিভ ট্যাক্স অ্যামেন্ডমেন্ট) বলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা যে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন, সে প্রসঙ্গে ইস্তাহারে বলা হয়েছে, 'আমরা আশ্বাস দিচ্ছি যে রেট্রোঅ্যাকটিভ কর আচমকা চেপে যাবে না৷'
ইস্তাহারে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি, তিন বছরেই দেশে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার আট শতাংশে তারা নিয়ে যাবে৷ ১০ কোটি কর্মসংস্থানের কথাও রয়েছে তাদের ইস্তাহারে৷ রয়েছে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতিও৷ ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স ও ডায়রেক্ট ট্যাক্স কোড চালু করার কথাও বলা রয়েছে৷ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে তারা উত্সাহ দেবে বলেও জানিয়েছে কংগ্রেস৷ বুধবার কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেন দলের সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী৷
মূলত ১৫টি অ্যাজেন্ডা রয়েছে তাদের ইস্তাহারে৷ এর মধ্যে শ্রমআইন সহজ করা, কালো টাকা উদ্ধার করা এবং জাতীয় উত্পাদনের তিন শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার আগেও কালো টাকা উদ্ধারে কংগ্রেস উদ্যোগী হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল৷
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে দেশে বৃদ্ধির হার ৯ শতাংশে পৌঁছেছিল৷ কিন্ত্ত ২০১২-১৩ সালে তা নেমে দাঁড়ায় ৪.৫ শতাংশে৷ চলতি অর্থবর্ষে তা সামান্য বেড়ে ৪.৯ শতাংশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মন্দাকে৷
মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রতিশ্রুতি তারা দিলেও, এর দায়িত্ব অনেকটাই চাপিয়ে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘাড়ে৷ মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়ার কথা স্বীকার করলেও ইস্তাহারে কংগ্রেস বলেছে, 'নীতি নির্ধারণের সময় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উচিত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও বৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা৷' রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের প্রথম লক্ষ্য মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা৷ তা ছাড়া, কংগ্রেস সরকার খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি বাড়ানোয় ও সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যই গ্রামে লোকের হাতে খরচ করার মতো বাড়তি টাকা আসছে৷ গ্রামীণ রোজগার প্রকল্পের জন্য শ্রমনির্ভর প্রকল্পের খরচও বেড়ে যাচ্ছে৷ এ সব কারণেই মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়ছে বলে মনে করছে বণিকমহল৷
কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে এক দশকে শুধু শক্তি, পরিবহণ ও অন্য পরিকাঠামো উন্নয়নে তারা এক লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করবে৷ উত্পাদন শিল্পে প্রতিযোগিতার কথা ভেবে শ্রম আইনও বদল করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে৷
পাইকারি ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির হার ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৪.৬৮ শতাংশ, খুচরো পণ্যে এই হার ছিল ৮.১ শতাংশ৷ ক্ষমতায় আসার ১০০ দিনের মধ্যেই বিস্তারিত অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস, যেখানে ১০ কোটি নতুন কাজের সম্ভাবনা তৈরি হবে৷ পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস৷
উদার ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির পথেই তারা হাঁটবে বলে আবার জানিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস৷ উত্পাদন শিল্পে, মূলত ছোটো ও মাঝারি মাপের শিল্পে বিশেষ জোর দিয়ে বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস৷
নতুন কর নীতি পুরোনো বিনিময়োগের উপরেও প্রযোজ্য হতে পারে (রেট্রোপেকটিভ ট্যাক্স অ্যামেন্ডমেন্ট) বলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা যে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন, সে প্রসঙ্গে ইস্তাহারে বলা হয়েছে, 'আমরা আশ্বাস দিচ্ছি যে রেট্রোঅ্যাকটিভ কর আচমকা চেপে যাবে না৷'
No comments:
Post a Comment