নজরুলের মামলা গেল প্রধান বিচারপতির কাছে
এই সময়: সদ্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার নজরুল ইসলামের মামলা ফেরত গেল প্রধান বিচারপতির কাছে৷ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিচারপতি নিশীথা মাত্রে ও বিচারপতি তাপস মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে ফেরত পাঠিয়েছে৷ এ বার কোন ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে, তা প্রধান বিচারপতিই ঠিক করবেন৷ নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দিয়েছিল সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (ক্যাট)৷ সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য সরকার৷
সরকারি আধিকারিক হয়েও বই লেখা ও মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির উত্তরে প্রশাসনের সমালোচনার অভিযোগে নজরুলের বিরুদ্ধে সরকার কড়া পদক্ষেপ করে৷ প্রতিবাদে ক্যাটে মামলা করেন নজরুল৷ ক্যাটের বিচারপতি প্রতাপকুমার রায় ও অন্য দুই সদস্য পিকে বসু ও পিকে রায় রাজ্যেকে জানিয়েছিলেন, 'নজরুল ইসলাম একজন সত্ পুলিশ অফিসার৷ তা ছাড়া তিনি ইতিমধ্যে অবসর নিয়েছেন৷ বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, রাজ্যের এখানেই থেমে যাওয়া উচিত৷ বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গেলে সরকার চরম বিপাকে পড়বে৷'
ক্যাটের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র, স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যমন্ত্রীর সচিব গৌতম সান্যাল হাইকোর্টে আবেদন জানান৷ অভিযোগে বলা হয়, ক্যাট পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে৷ ক্যাটের উপর সরকারের কোনও আস্থা নেই৷ এ দিন শুনানিতে অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমলকুমার চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে ক্যাটের আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ প্রশ্ন করেন, 'অ্যাডভোকেট জেনারেল কি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে মামলায় অংশ নিচ্ছেন? না, রাজ্য সরকারের হয়ে মামলায় অংশ নিচ্ছেন? তিনি কি জানেন, কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার মামলা দায়ের করতে পারে না?' তবে সওয়াল-জবাবের আগেই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়৷
http://eisamay.indiatimes.com/city/kolkata/nazrul-islams-case-in-chief-justices-bench/articleshow/32614078.cms
এই সময়: সদ্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার নজরুল ইসলামের মামলা ফেরত গেল প্রধান বিচারপতির কাছে৷ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিচারপতি নিশীথা মাত্রে ও বিচারপতি তাপস মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে ফেরত পাঠিয়েছে৷ এ বার কোন ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে, তা প্রধান বিচারপতিই ঠিক করবেন৷ নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দিয়েছিল সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (ক্যাট)৷ সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য সরকার৷
সরকারি আধিকারিক হয়েও বই লেখা ও মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির উত্তরে প্রশাসনের সমালোচনার অভিযোগে নজরুলের বিরুদ্ধে সরকার কড়া পদক্ষেপ করে৷ প্রতিবাদে ক্যাটে মামলা করেন নজরুল৷ ক্যাটের বিচারপতি প্রতাপকুমার রায় ও অন্য দুই সদস্য পিকে বসু ও পিকে রায় রাজ্যেকে জানিয়েছিলেন, 'নজরুল ইসলাম একজন সত্ পুলিশ অফিসার৷ তা ছাড়া তিনি ইতিমধ্যে অবসর নিয়েছেন৷ বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, রাজ্যের এখানেই থেমে যাওয়া উচিত৷ বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গেলে সরকার চরম বিপাকে পড়বে৷'
ক্যাটের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র, স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যমন্ত্রীর সচিব গৌতম সান্যাল হাইকোর্টে আবেদন জানান৷ অভিযোগে বলা হয়, ক্যাট পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে৷ ক্যাটের উপর সরকারের কোনও আস্থা নেই৷ এ দিন শুনানিতে অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমলকুমার চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে ক্যাটের আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ প্রশ্ন করেন, 'অ্যাডভোকেট জেনারেল কি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে মামলায় অংশ নিচ্ছেন? না, রাজ্য সরকারের হয়ে মামলায় অংশ নিচ্ছেন? তিনি কি জানেন, কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার মামলা দায়ের করতে পারে না?' তবে সওয়াল-জবাবের আগেই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়৷
http://eisamay.indiatimes.com/city/kolkata/nazrul-islams-case-in-chief-justices-bench/articleshow/32614078.cms
No comments:
Post a Comment